১০:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
নতুন বিশ্বব্যবস্থায় ভারতীয় শিল্পের ঘুম ভাঙার সময় এখনই খাবারের নিশ্চয়তা থেকে শান্তির রাজনীতি: যুদ্ধের আড়ালে মানুষের আসল প্রয়োজন কক্সবাজারের পাঁচতারা হোটেল থেকে সুপ্রা, সিভিক ও মিয়াটা জব্দ, আমদানির পথ খতিয়ে দেখছে শুল্ক গোয়েন্দা কারাগারে ইমরান খানকে হত্যা করা হচ্ছে—বাবার জীবন নিয়ে চরম শঙ্কায় দুই ছেলে ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় যুক্তরাষ্ট্র দুর্বল, ইউক্রেনে বড় পদক্ষেপের সুযোগ দেখছে পুতিন: গোয়েন্দা রিপোর্ট বেসরকারি শিক্ষকদের অধিকার ও সুশাসনে নতুন উদ্যোগ, গঠিত হলো শিক্ষক অ্যালায়েন্স ভারতে প্যাকেটজাত খাবারে লাল সতর্কতা লেবেল, জনরোষের পর অবস্থান বদল সরকারের জলাশয়ের নাম বদলে ট্রাম্পের উদ্যোগে ধাক্কা, মার্কিনদের আগ্রহ নেই: সিএনএনের তথ্য বিশ্লেষক পেনসিলভানিয়ায় ভয়াবহ হাম ছড়িয়ে পড়ছে, ঝুঁকিতে টিকাদান-অযোগ্য শিশুরা নেপালে বন্যার দ্বিতীয় ঢেউয়ের শঙ্কা:আগাম সতর্কতার সীমাবদ্ধতা

মুরগির দামে স্বস্তি, কিন্তু ডিম-চিনি-পেঁয়াজে চাপ: বাজারে মিশ্র চিত্র

রাজধানীর বাজারে একদিকে মুরগির দাম কমে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও অন্যদিকে ডিম, চিনি ও পেঁয়াজের দাম বাড়ায় ভোগান্তি কাটেনি ক্রেতাদের। সাম্প্রতিক বাজার ঘুরে দেখা গেছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে এই উল্টো স্রোত সাধারণ মানুষের বাজেটে নতুন চাপ তৈরি করছে।

মুরগির দামে স্বস্তির ইঙ্গিত
রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে সোনালি মুরগির দাম কমে এসেছে। কেজিপ্রতি এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকায়, যা মাসের শুরুতে ছিল ৪৩০ থেকে ৪৬০ টাকা। তবে মার্চের শুরুর তুলনায় এখনও দাম বেশি রয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, খামারে রোগে মৃত্যুহার কমে যাওয়ায় সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে, ফলে দামও কমেছে।

ব্রয়লার মুরগির দামও কমে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায় নেমেছে, যা আগে ছিল ২০০ থেকে ২২০ টাকা। দেশি মুরগির দামও কিছুটা কমে এখন ৭০০ থেকে ৭২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দাম কমলেও পুরো স্বস্তি নেই
ব্যবসায়ীদের মতে, পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় মুরগির দাম আরও কমানো সম্ভব হচ্ছে না। ট্রাকভাড়া বাড়ায় খামার থেকে কম দামে পণ্য এলেও খুচরা বাজারে সেই সুবিধা পুরোপুরি পৌঁছাচ্ছে না।

ডিম-চিনি-পেঁয়াজে বাড়তি চাপ
মুরগির দামে স্বস্তি এলেও ডিম, চিনি ও পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। ডজনপ্রতি ডিম এখন ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১২০ টাকার মতো। খোলা চিনি কেজিপ্রতি বেড়ে ১১০ থেকে ১১৫ টাকায় উঠেছে। পেঁয়াজের দামও কেজিতে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় পৌঁছেছে।

গরুর মাংসের দাম স্থির, কমার লক্ষণ নেই
ঈদের পর বাড়া গরুর মাংসের দাম এখনও কমেনি। কেজিপ্রতি ৮২০ থেকে ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এই দামে কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত নেই।

ইলিশের দামে বিভ্রান্তি
পহেলা বৈশাখের পর ইলিশের দাম কিছুটা কমেছে বলে বিক্রেতারা দাবি করলেও ক্রেতাদের অভিজ্ঞতা ভিন্ন। মাঝারি আকারের ইলিশ এখনও ১,৮০০ থেকে ২,০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, আর বড় ইলিশের দাম ২,৫০০ টাকার ওপরে।

ভোজ্যতেলের সংকট অব্যাহত
বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ এখনও স্বাভাবিক হয়নি। বাজারে পাঁচ লিটারের বোতল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে বেশি দামে খোলা তেল কিনছেন। ক্রেতারা বাজারে নিয়ন্ত্রণ জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

বাজারে এই মিশ্র পরিস্থিতি দেখাচ্ছে, কিছু পণ্যে স্বস্তি এলেও সামগ্রিকভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দামে চাপ এখনো কমেনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন বিশ্বব্যবস্থায় ভারতীয় শিল্পের ঘুম ভাঙার সময় এখনই

মুরগির দামে স্বস্তি, কিন্তু ডিম-চিনি-পেঁয়াজে চাপ: বাজারে মিশ্র চিত্র

০৫:৪৫:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর বাজারে একদিকে মুরগির দাম কমে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও অন্যদিকে ডিম, চিনি ও পেঁয়াজের দাম বাড়ায় ভোগান্তি কাটেনি ক্রেতাদের। সাম্প্রতিক বাজার ঘুরে দেখা গেছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে এই উল্টো স্রোত সাধারণ মানুষের বাজেটে নতুন চাপ তৈরি করছে।

মুরগির দামে স্বস্তির ইঙ্গিত
রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে সোনালি মুরগির দাম কমে এসেছে। কেজিপ্রতি এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকায়, যা মাসের শুরুতে ছিল ৪৩০ থেকে ৪৬০ টাকা। তবে মার্চের শুরুর তুলনায় এখনও দাম বেশি রয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, খামারে রোগে মৃত্যুহার কমে যাওয়ায় সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে, ফলে দামও কমেছে।

ব্রয়লার মুরগির দামও কমে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায় নেমেছে, যা আগে ছিল ২০০ থেকে ২২০ টাকা। দেশি মুরগির দামও কিছুটা কমে এখন ৭০০ থেকে ৭২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দাম কমলেও পুরো স্বস্তি নেই
ব্যবসায়ীদের মতে, পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় মুরগির দাম আরও কমানো সম্ভব হচ্ছে না। ট্রাকভাড়া বাড়ায় খামার থেকে কম দামে পণ্য এলেও খুচরা বাজারে সেই সুবিধা পুরোপুরি পৌঁছাচ্ছে না।

ডিম-চিনি-পেঁয়াজে বাড়তি চাপ
মুরগির দামে স্বস্তি এলেও ডিম, চিনি ও পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। ডজনপ্রতি ডিম এখন ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১২০ টাকার মতো। খোলা চিনি কেজিপ্রতি বেড়ে ১১০ থেকে ১১৫ টাকায় উঠেছে। পেঁয়াজের দামও কেজিতে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় পৌঁছেছে।

গরুর মাংসের দাম স্থির, কমার লক্ষণ নেই
ঈদের পর বাড়া গরুর মাংসের দাম এখনও কমেনি। কেজিপ্রতি ৮২০ থেকে ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এই দামে কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত নেই।

ইলিশের দামে বিভ্রান্তি
পহেলা বৈশাখের পর ইলিশের দাম কিছুটা কমেছে বলে বিক্রেতারা দাবি করলেও ক্রেতাদের অভিজ্ঞতা ভিন্ন। মাঝারি আকারের ইলিশ এখনও ১,৮০০ থেকে ২,০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, আর বড় ইলিশের দাম ২,৫০০ টাকার ওপরে।

ভোজ্যতেলের সংকট অব্যাহত
বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ এখনও স্বাভাবিক হয়নি। বাজারে পাঁচ লিটারের বোতল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে বেশি দামে খোলা তেল কিনছেন। ক্রেতারা বাজারে নিয়ন্ত্রণ জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

বাজারে এই মিশ্র পরিস্থিতি দেখাচ্ছে, কিছু পণ্যে স্বস্তি এলেও সামগ্রিকভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দামে চাপ এখনো কমেনি।