০৮:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
রেড কার্পেটে নতুন ঢেউ: উদীয়মান ডিজাইনারদের দখলে ফ্যাশনের আলো একক জোটে ঝুঁকে না পড়ার পরামর্শ, কূটনীতিতে ভারসাম্যই বাংলাদেশের বড় চ্যালেঞ্জ চাঁপাইনবাবগঞ্জে টোল দ্বন্দ্বে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা আমেরিকার অস্ত্র ফুরিয়ে যাচ্ছে প্রেস ক্লাব কর্মচারী ইউনিয়নে নতুন নেতৃত্ব, সভাপতি জাহাঙ্গীর ও সাধারণ সম্পাদক রুহুল টাইম ১০০ গালায় হেইলি বিবারের ঝলক: নব্বইয়ের ক্যালভিন ক্লেইন স্টাইলের নতুন ব্যাখ্যা বিশ্ববাজারে চোখ চীনা ইভি নির্মাতাদের, জ্বালানি সংকটেই নতুন সুযোগ টাইম ১০০ তম গালায় কেপ ট্রেন্ডের ঝলক, ভ্যালেন্টিনো পোশাকে আলাদা করে নজর কাড়লেন ডাকোটা জনসন এআই ভবিষ্যৎ নিয়ে আদালতে মুখোমুখি মাস্ক-অল্টম্যান, ঝুঁকিতে ওপেনএআই ও স্পেসএক্সের বিশাল আইপিও ভূমিকম্পের পর সামাজিক মাধ্যমে গুজবের ঢল, ‘কৃত্রিম কম্পন’ দাবি ঘিরে বিভ্রান্তি

চুয়াডাঙ্গায় হাম রোগে প্রথম মৃত্যু, নয় মাসের শিশুর প্রাণহানি

চুয়াডাঙ্গায় প্রথমবারের মতো হাম রোগে এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, যা জেলাজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। শুক্রবার সকালে নয় মাস বয়সী এক কন্যাশিশু মারা যায়, যাকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মারা যাওয়া শিশুটির নাম হুমাইরা খাতুন। সে সদর উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা হুমায়ুন ইকবাল আহমেদের মেয়ে। পরিবারের সদস্যরা জানান, শিশুটি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিল এবং কয়েক দফা চিকিৎসাও নেওয়া হয়েছিল।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শিশুটিকে প্রথমে গত ১৫ এপ্রিল হাম রোগের লক্ষণ নিয়ে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৯ এপ্রিল তাকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়। কিছুটা উন্নতি হলে বৃহস্পতিবার তাকে বাড়িতে নেওয়া হয়। তবে অবস্থার আবার অবনতি হলে শুক্রবার সকালে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব, মার্চে ২১ শিশুর মৃত্যু, টিকায় ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন |  প্রথম আলো

হাম শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত

হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক চিকিৎসক জানান, শিশুটির নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। পরে পরীক্ষার ফলাফলে হাম সংক্রমণ নিশ্চিত হয়। এটি জেলায় হামজনিত প্রথম নিশ্চিত মৃত্যুর ঘটনা বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বর্তমান পরিস্থিতি ও চিকিৎসা

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে বর্তমানে আরও কয়েকজন হাম রোগের লক্ষণ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকদের মতে, এখন পর্যন্ত জেলায় প্রায় ৫০ জনের মতো রোগী হাম বা হাম-সদৃশ উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন এখনও হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

স্বাস্থ্যসচেতনতার গুরুত্ব

চিকিৎসকরা বলছেন, হাম অত্যন্ত সংক্রামক হলেও এটি প্রতিরোধযোগ্য একটি রোগ। সময়মতো টিকা গ্রহণ এবং সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে এই রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে নিয়মিত টিকাদান অত্যন্ত জরুরি।

এদিকে, স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও স্বাস্থ্য বিভাগ সবাইকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে।

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রেড কার্পেটে নতুন ঢেউ: উদীয়মান ডিজাইনারদের দখলে ফ্যাশনের আলো

চুয়াডাঙ্গায় হাম রোগে প্রথম মৃত্যু, নয় মাসের শিশুর প্রাণহানি

০৬:৫৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় প্রথমবারের মতো হাম রোগে এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, যা জেলাজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। শুক্রবার সকালে নয় মাস বয়সী এক কন্যাশিশু মারা যায়, যাকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মারা যাওয়া শিশুটির নাম হুমাইরা খাতুন। সে সদর উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা হুমায়ুন ইকবাল আহমেদের মেয়ে। পরিবারের সদস্যরা জানান, শিশুটি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিল এবং কয়েক দফা চিকিৎসাও নেওয়া হয়েছিল।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শিশুটিকে প্রথমে গত ১৫ এপ্রিল হাম রোগের লক্ষণ নিয়ে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৯ এপ্রিল তাকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়। কিছুটা উন্নতি হলে বৃহস্পতিবার তাকে বাড়িতে নেওয়া হয়। তবে অবস্থার আবার অবনতি হলে শুক্রবার সকালে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব, মার্চে ২১ শিশুর মৃত্যু, টিকায় ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন |  প্রথম আলো

হাম শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত

হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক চিকিৎসক জানান, শিশুটির নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। পরে পরীক্ষার ফলাফলে হাম সংক্রমণ নিশ্চিত হয়। এটি জেলায় হামজনিত প্রথম নিশ্চিত মৃত্যুর ঘটনা বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বর্তমান পরিস্থিতি ও চিকিৎসা

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে বর্তমানে আরও কয়েকজন হাম রোগের লক্ষণ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকদের মতে, এখন পর্যন্ত জেলায় প্রায় ৫০ জনের মতো রোগী হাম বা হাম-সদৃশ উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন এখনও হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

স্বাস্থ্যসচেতনতার গুরুত্ব

চিকিৎসকরা বলছেন, হাম অত্যন্ত সংক্রামক হলেও এটি প্রতিরোধযোগ্য একটি রোগ। সময়মতো টিকা গ্রহণ এবং সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে এই রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে নিয়মিত টিকাদান অত্যন্ত জরুরি।

এদিকে, স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও স্বাস্থ্য বিভাগ সবাইকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে।

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু