০১:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
পাকিস্তানের পাঞ্জাবে ভয়াবহ বন্যা, নৌকায় ঘর ছাড়ছেন মানুষ পাকিস্তানের পাসপোর্ট বিশ্বের চতুর্থ দুর্বল, ১০১তম অবস্থানে অনলাইন জুয়া বন্ধে বাংলাদেশ ব্যাংক, সিআইডি ও বিকাশের যৌথ সচেতনতা অভিযান রাবিতে ছাত্রীকে হত্যার হুমকি ও রাকসু কার্যালয়ে হামলা, ছয় দফা দাবিতে উত্তাল ক্যাম্পাস জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৩, ধ্বংসস্তূপে চলছে মরিয়া উদ্ধার অভিযান সুন্দরবনে বাড়ছে রয়েল বেঙ্গল টাইগার, এক দশকে বাঘের সংখ্যা বেড়ে ১২৫ চকবাজারে দুই ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষ, চালকের মৃত্যু বাংলাদেশজুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস, কোথাও কোথাও হতে পারে ভারী বর্ষণ পাকিস্তানি সৌন্দর্যের বাঁধাধরা মানদণ্ডে আমি মানি না: কুবরা খান আবার ফিরছে ‘পাকিস্তান আইডল’, দ্বিতীয় আসরের ফাইনাল হবে শিগগিরই

হাম পরিস্থিতি উদ্বেগজনক: আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, দেশে বাড়ছে সংক্রমণ

দেশে হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম-সদৃশ উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যুর খবর জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এই তথ্য পাওয়া গেছে।

একই সময়ে দেশে ১৭২ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে এবং ১,২১৫ জনকে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সন্দেহভাজনদের ক্ষেত্রে ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম রোগের লক্ষণ অনেক ক্ষেত্রে এতটাই স্পষ্ট যে সব রোগীর ল্যাব পরীক্ষা করা সম্ভব হয় না, বিশেষ করে যখন পরীক্ষার সুবিধা সীমিত থাকে।

হাসপাতালে ভর্তি ও সুস্থতার চিত্র
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত দেশে মোট ১৯,৭০৫ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ১৬,৫২৭ জন ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তবে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মৃত্যুর হিসাব নিয়ে বিভ্রান্তি
গত ১৫ মার্চ থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হামজনিত মৃত্যুকে দুটি ভাগে প্রকাশ করছে—নিশ্চিত (ল্যাব পরীক্ষায় প্রমাণিত) এবং সন্দেহভাজন (লক্ষণ থাকলেও পরীক্ষা হয়নি)। এখন পর্যন্ত ৪২টি মৃত্যু নিশ্চিত হিসেবে এবং ১৯৮টি মৃত্যু সন্দেহভাজন হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে।

তবে জাতীয় টিকাদান বিষয়ক কারিগরি পরামর্শক কমিটি বলেছে, এই দুই ধরনের হিসাব আলাদাভাবে প্রকাশ করায় জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। তাদের মতে, যেসব ক্ষেত্রে হাম-সদৃশ উপসর্গ ছিল, সেগুলোকেও হামজনিত মৃত্যু হিসেবেই গণনা করা উচিত।

সেই হিসেবে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ২৪০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গায় প্রথম মৃত্যু
এদিকে, চুয়াডাঙ্গায় প্রথমবারের মতো হামজনিত শিশুমৃত্যুর ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। নতুন নতুন জেলায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান ও দ্রুত শনাক্তকরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে সচেতনতা বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও বলা হচ্ছে।

দেশে হাম সংক্রমণ বাড়ছে, ২৪ ঘণ্টায় ৭ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানের পাঞ্জাবে ভয়াবহ বন্যা, নৌকায় ঘর ছাড়ছেন মানুষ

হাম পরিস্থিতি উদ্বেগজনক: আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, দেশে বাড়ছে সংক্রমণ

০৮:৪৪:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

দেশে হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম-সদৃশ উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যুর খবর জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এই তথ্য পাওয়া গেছে।

একই সময়ে দেশে ১৭২ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে এবং ১,২১৫ জনকে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সন্দেহভাজনদের ক্ষেত্রে ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম রোগের লক্ষণ অনেক ক্ষেত্রে এতটাই স্পষ্ট যে সব রোগীর ল্যাব পরীক্ষা করা সম্ভব হয় না, বিশেষ করে যখন পরীক্ষার সুবিধা সীমিত থাকে।

হাসপাতালে ভর্তি ও সুস্থতার চিত্র
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত দেশে মোট ১৯,৭০৫ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ১৬,৫২৭ জন ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তবে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মৃত্যুর হিসাব নিয়ে বিভ্রান্তি
গত ১৫ মার্চ থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হামজনিত মৃত্যুকে দুটি ভাগে প্রকাশ করছে—নিশ্চিত (ল্যাব পরীক্ষায় প্রমাণিত) এবং সন্দেহভাজন (লক্ষণ থাকলেও পরীক্ষা হয়নি)। এখন পর্যন্ত ৪২টি মৃত্যু নিশ্চিত হিসেবে এবং ১৯৮টি মৃত্যু সন্দেহভাজন হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে।

তবে জাতীয় টিকাদান বিষয়ক কারিগরি পরামর্শক কমিটি বলেছে, এই দুই ধরনের হিসাব আলাদাভাবে প্রকাশ করায় জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। তাদের মতে, যেসব ক্ষেত্রে হাম-সদৃশ উপসর্গ ছিল, সেগুলোকেও হামজনিত মৃত্যু হিসেবেই গণনা করা উচিত।

সেই হিসেবে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ২৪০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গায় প্রথম মৃত্যু
এদিকে, চুয়াডাঙ্গায় প্রথমবারের মতো হামজনিত শিশুমৃত্যুর ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। নতুন নতুন জেলায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান ও দ্রুত শনাক্তকরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে সচেতনতা বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও বলা হচ্ছে।

দেশে হাম সংক্রমণ বাড়ছে, ২৪ ঘণ্টায় ৭ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে