যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা থেকে পিএইচডি করতে যাওয়া দুই বাংলাদেশি তরুণের জীবন এক ভয়াবহ ট্র্যাজেডিতে শেষ হয়েছে। ২৭ বছর বয়সী জামিল লিমনের মরদেহ ট্যাম্পার হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের কাছে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর বান্ধবী নাহিদা ব্রিস্টি এখনো নিখোঁজ, যদিও তদন্তকারীরা তাঁর পরিবারকে জানিয়েছেন যে তিনি সম্ভবত মারা গেছেন। এই মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন জামিলের রুমমেট হিশাম সালেহ আবুগার্বিয়েহ। ২৬ বছর বয়সী এই মার্কিন নাগরিকের বিরুদ্ধে দুটি প্রথম-শ্রেণির পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।
দুই স্বপ্নবাজ গবেষকের পরিচয়
জামিল লিমন ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞানে পিএইচডি করছিলেন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে দক্ষিণ ফ্লোরিডার সংকুচিত জলাভূমি পর্যবেক্ষণের গবেষণায় নিযুক্ত ছিলেন। নাহিদা ব্রিস্টি বুয়েট থেকে স্নাতকোত্তর করে ইউএসএফে রাসায়নিক প্রকৌশলে গবেষণা করছিলেন। দুজনই ১৬ এপ্রিল সর্বশেষ দেখা গেছেন এবং ১৭ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ বলে জানানো হয়। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নাহিদার মৃত্যুকে “দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অপূরণীয় ক্ষতি” বলে অভিহিত করেছেন।
মরদেহ ফেরাতে দুবাই রুটেও বাধা
ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস জামিলের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। তবে ট্যাম্পা থেকে দুবাই হয়ে মরদেহ আনার পথে বাধা তৈরি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিকল্প রুটের খোঁজ চলছে। জামিলের ভাই জুবায়ের আহমেদ জানান, পরিবার তাঁকে এই গ্রীষ্মে দেশে ফেরার জন্য অপেক্ষায় ছিল। “আমাদের হৃদয় ভেঙে গেছে,” বলেছেন তিনি।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















