ইরানের নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতা মোজতাবা খামেনির নির্দেশ উদ্ধৃত করে সংসদের ডেপুটি স্পিকার আলি নিকজাদ ঘোষণা করেছেন, হরমুজ প্রণালী “কোনো অবস্থাতেই” আগের মতো ফিরে আসবে না। তিনি বলেন, এই যুদ্ধ প্রমাণ করেছে হরমুজ ও বাব আল-মান্দাব বন্ধ রেখে বিশ্বের ২৫ শতাংশ অর্থনীতিকে কোণঠাসা করা যায়। ইরানের বিপ্লবী গার্ড এর আগেই ঘোষণা করেছিল, হরমুজ নিয়ন্ত্রণ এখন “ইসলামী ইরানের নির্ধারিত কৌশল।”
**হরমুজ বন্ধের প্রভাব বিশ্বজুড়ে**
হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও এলএনজি বাণিজ্যের একটি বিশাল অংশ প্রবাহিত হয়। ইরানের এই অবরোধে মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি আমদানিকারী দেশগুলোয় মূল্য বৃদ্ধি, মজুদ সংকট এবং মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিয়েছে। ওমান হরমুজ নিয়ে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমন্বয় অব্যাহত রেখেছে।
**বাংলাদেশ কতটা ঝুঁকিতে**
বাংলাদেশ তার জ্বালানির বড় অংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে। হরমুজ স্থায়ীভাবে আগের অবস্থায় না ফিরলে বাংলাদেশকে বিকল্প সরবরাহ পথ ও উৎস খুঁজতে হবে। এই ঘোষণা বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি পরিকল্পনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















