০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
প্রদেশ নয়, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণই পাকিস্তানের প্রকৃত সংস্কার টাইটানিকের শতাধিক নিদর্শন নিলাম বন্ধ করলেন মার্কিন বিচারক আমদানি নীতিতে বড় পরিবর্তন, এলসি ছাড়াই সীমাহীন মূল্যের চুক্তিতে পণ্য আমদানির সুযোগ মহেশখালীর সাগরে নিউজিল্যান্ডের পরিবারের নৌকাডুবি, নিখোঁজ কিশোর চীনের জে-১০ সিই কিনছে বাংলাদেশ ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ৯০৭; মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৮ বুধবার বাংলাদেশে পালিত হবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী, দেশজুড়ে নানা আয়োজন ঢাকা-যশোর রুটে আবার ইউএস-বাংলার ফ্লাইট, ৯ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতিদিন দুই ট্রিপ মেঘনা ব্যাংকের ৪০০ কোটি টাকার সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড অনুমোদন, মূলধন শক্তিশালী হবে প্রিন্স হ্যারি–মেগানের নতুন ব্রিটেনযাত্রা, পেছনে পড়ে থাকবে আর্চির প্রিয় ‘মুরগির বাড়ি’

তাপপ্রবাহে পুড়ছে বাংলাদেশ, গ্রামে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং, চাহিদার চেয়ে উৎপাদন ২২৪৯ মেগাওয়াট কম

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ থেকে শুরু হওয়া জ্বালানি সংকটের আঁচ এখন সরাসরি বাংলাদেশের গ্রামে গ্রামে পৌঁছেছে। তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন চাহিদার ধারেকাছেও নেই। সন্ধ্যা ৮টায় সারাদেশে চাহিদা ছিল ১৬,২৩৭ মেগাওয়াট, আর উৎপাদন হয়েছে মাত্র ১৩,৯৮৮ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২,২৪৯ মেগাওয়াটে। গ্রামীণ বিদ্যুৎ বোর্ডের আওতায় মানুষ দিনে পাঁচ থেকে দশ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং সহ্য করছেন।
কোথায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ
নোয়াখালী, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, খুলনা, কুমিল্লার মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। খুলনার বাটিয়াঘাটায় চিংড়িচাষি প্রসাদ রায় বলেন, “একঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকলেই চিংড়ি মরে। জেনারেটর চালানো সম্ভব না।” ময়মনসিংহের এক শিক্ষক জানান, এসএসসি পরীক্ষার্থীরা সন্ধ্যার পরই পড়তে পারছেন না। রাজশাহীতে তাপমাত্রা ৩৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পার করেছে, তবু বারবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে।
কেন এই সংকট
সরকারের হিসাবে দেশের ১৪৩টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে ৭২টি গ্যাস, কয়লা বা ফার্নেস অয়েলের অভাবে পুরোদমে চলতে পারছে না। ভারতের আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিটও বন্ধ রয়েছে। চট্টগ্রামের এসএস পাওয়ার এবং পটুয়াখালীর আরএনপিএল কয়লার অভাবে কম উৎপাদন করছে। রাষ্ট্রীয় মন্ত্রী আনিন্দ ইসলাম অমিত জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে শহরেও লোডশেডিং বাড়ানো হচ্ছে, যাতে গ্রামের কৃষকরা সেচে বিদ্যুৎ পান।
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রদেশ নয়, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণই পাকিস্তানের প্রকৃত সংস্কার

তাপপ্রবাহে পুড়ছে বাংলাদেশ, গ্রামে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং, চাহিদার চেয়ে উৎপাদন ২২৪৯ মেগাওয়াট কম

০৭:১২:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ থেকে শুরু হওয়া জ্বালানি সংকটের আঁচ এখন সরাসরি বাংলাদেশের গ্রামে গ্রামে পৌঁছেছে। তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন চাহিদার ধারেকাছেও নেই। সন্ধ্যা ৮টায় সারাদেশে চাহিদা ছিল ১৬,২৩৭ মেগাওয়াট, আর উৎপাদন হয়েছে মাত্র ১৩,৯৮৮ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২,২৪৯ মেগাওয়াটে। গ্রামীণ বিদ্যুৎ বোর্ডের আওতায় মানুষ দিনে পাঁচ থেকে দশ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং সহ্য করছেন।
কোথায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ
নোয়াখালী, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, খুলনা, কুমিল্লার মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। খুলনার বাটিয়াঘাটায় চিংড়িচাষি প্রসাদ রায় বলেন, “একঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকলেই চিংড়ি মরে। জেনারেটর চালানো সম্ভব না।” ময়মনসিংহের এক শিক্ষক জানান, এসএসসি পরীক্ষার্থীরা সন্ধ্যার পরই পড়তে পারছেন না। রাজশাহীতে তাপমাত্রা ৩৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পার করেছে, তবু বারবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে।
কেন এই সংকট
সরকারের হিসাবে দেশের ১৪৩টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে ৭২টি গ্যাস, কয়লা বা ফার্নেস অয়েলের অভাবে পুরোদমে চলতে পারছে না। ভারতের আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিটও বন্ধ রয়েছে। চট্টগ্রামের এসএস পাওয়ার এবং পটুয়াখালীর আরএনপিএল কয়লার অভাবে কম উৎপাদন করছে। রাষ্ট্রীয় মন্ত্রী আনিন্দ ইসলাম অমিত জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে শহরেও লোডশেডিং বাড়ানো হচ্ছে, যাতে গ্রামের কৃষকরা সেচে বিদ্যুৎ পান।