০৬:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, আটক চার টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করল অস্ট্রেলিয়া ধানমন্ডিতে গৃহকর্মী শিশুর মৃত্যু, প্রকৌশলী দম্পতি রিমান্ডে নারী বীরদের অজানা ইতিহাস: ড্রাগনের বিরুদ্ধে লড়াই করা কিংবদন্তি যোদ্ধাদের গল্প আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ: কীভাবে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভেতরেই জন্ম নিয়েছিল বিদ্রোহের বীজ ডায়াপার বদলানো থেকে সন্তান লালনপালন, আধুনিক বাবাদের বদলে যাওয়া গল্প মুম্বাইয়ে আগেভাগেই দেখানো হলো সুপারগার্ল সিনেমার ফুটেজ, উচ্ছ্বসিত ভক্তরা বোরকা নিয়ে মন্তব্যে বিতর্কে বলিউড পরিচালক ইমতিয়াজ আলী আগস্টে মুক্তি পাচ্ছে যশ অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা টক্সিক যুক্তরাজ্যে উপনির্বাচনে বার্নহামের জয়, স্টারমারকে পদত্যাগের চাপ লেবার পার্টিতে

তাপপ্রবাহে পুড়ছে বাংলাদেশ, গ্রামে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং, চাহিদার চেয়ে উৎপাদন ২২৪৯ মেগাওয়াট কম

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ থেকে শুরু হওয়া জ্বালানি সংকটের আঁচ এখন সরাসরি বাংলাদেশের গ্রামে গ্রামে পৌঁছেছে। তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন চাহিদার ধারেকাছেও নেই। সন্ধ্যা ৮টায় সারাদেশে চাহিদা ছিল ১৬,২৩৭ মেগাওয়াট, আর উৎপাদন হয়েছে মাত্র ১৩,৯৮৮ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২,২৪৯ মেগাওয়াটে। গ্রামীণ বিদ্যুৎ বোর্ডের আওতায় মানুষ দিনে পাঁচ থেকে দশ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং সহ্য করছেন।
কোথায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ
নোয়াখালী, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, খুলনা, কুমিল্লার মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। খুলনার বাটিয়াঘাটায় চিংড়িচাষি প্রসাদ রায় বলেন, “একঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকলেই চিংড়ি মরে। জেনারেটর চালানো সম্ভব না।” ময়মনসিংহের এক শিক্ষক জানান, এসএসসি পরীক্ষার্থীরা সন্ধ্যার পরই পড়তে পারছেন না। রাজশাহীতে তাপমাত্রা ৩৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পার করেছে, তবু বারবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে।
কেন এই সংকট
সরকারের হিসাবে দেশের ১৪৩টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে ৭২টি গ্যাস, কয়লা বা ফার্নেস অয়েলের অভাবে পুরোদমে চলতে পারছে না। ভারতের আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিটও বন্ধ রয়েছে। চট্টগ্রামের এসএস পাওয়ার এবং পটুয়াখালীর আরএনপিএল কয়লার অভাবে কম উৎপাদন করছে। রাষ্ট্রীয় মন্ত্রী আনিন্দ ইসলাম অমিত জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে শহরেও লোডশেডিং বাড়ানো হচ্ছে, যাতে গ্রামের কৃষকরা সেচে বিদ্যুৎ পান।
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, আটক চার

তাপপ্রবাহে পুড়ছে বাংলাদেশ, গ্রামে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং, চাহিদার চেয়ে উৎপাদন ২২৪৯ মেগাওয়াট কম

০৭:১২:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ থেকে শুরু হওয়া জ্বালানি সংকটের আঁচ এখন সরাসরি বাংলাদেশের গ্রামে গ্রামে পৌঁছেছে। তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন চাহিদার ধারেকাছেও নেই। সন্ধ্যা ৮টায় সারাদেশে চাহিদা ছিল ১৬,২৩৭ মেগাওয়াট, আর উৎপাদন হয়েছে মাত্র ১৩,৯৮৮ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২,২৪৯ মেগাওয়াটে। গ্রামীণ বিদ্যুৎ বোর্ডের আওতায় মানুষ দিনে পাঁচ থেকে দশ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং সহ্য করছেন।
কোথায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ
নোয়াখালী, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, খুলনা, কুমিল্লার মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। খুলনার বাটিয়াঘাটায় চিংড়িচাষি প্রসাদ রায় বলেন, “একঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকলেই চিংড়ি মরে। জেনারেটর চালানো সম্ভব না।” ময়মনসিংহের এক শিক্ষক জানান, এসএসসি পরীক্ষার্থীরা সন্ধ্যার পরই পড়তে পারছেন না। রাজশাহীতে তাপমাত্রা ৩৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পার করেছে, তবু বারবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে।
কেন এই সংকট
সরকারের হিসাবে দেশের ১৪৩টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে ৭২টি গ্যাস, কয়লা বা ফার্নেস অয়েলের অভাবে পুরোদমে চলতে পারছে না। ভারতের আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিটও বন্ধ রয়েছে। চট্টগ্রামের এসএস পাওয়ার এবং পটুয়াখালীর আরএনপিএল কয়লার অভাবে কম উৎপাদন করছে। রাষ্ট্রীয় মন্ত্রী আনিন্দ ইসলাম অমিত জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে শহরেও লোডশেডিং বাড়ানো হচ্ছে, যাতে গ্রামের কৃষকরা সেচে বিদ্যুৎ পান।