০৯:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে লেবানন যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর: মার্চ থেকে ২,৫০৯ জন নিহত, ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত ২০০৩-এর পর প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তিনটি বিমানবাহী রণতরী, উত্তেজনা তীব্র টানা ১১তম বছরে রেকর্ড: বৈশ্বিক সামরিক ব্যয় ২০২৫ সালে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার ২১ বছর পর গাজা ও পশ্চিম তীরে স্থানীয় নির্বাচন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নতুন পথে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এআই মামলা শুরু: মাস্ক বনাম অ্যালটম্যান আদালতে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনারে হামলার আসামি আদালতে, ট্রাম্প প্রশাসনকে টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল হরমুজ প্রণালী আর আগের মতো থাকবে না: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ঘোষণা মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনা ভেঙে পড়েছে, আরাঘচি পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে সেন্ট পিটার্সবার্গে চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী গুলিতে নিহত

বাড়াপুকুরিয়া কয়লা খনিতে ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ মজুদ, আগুন ও ধস নামার ঝুঁকিতে দিনাজপুর

দিনাজপুরের বাড়াপুকুরিয়া কয়লা খনির মজুদ ইয়ার্ডে কয়লার স্তূপ এখন ডিজাইন করা ধারণক্ষমতার দ্বিগুণেরও বেশি। অথচ কয়লা সরানো যাচ্ছে না, কারণ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নিজেদের সংকটের কারণে আপাতত বাড়তি কয়লা নিতে পারছে না। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, এই অবস্থা চলতে থাকলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে আগুন লাগার ঝুঁকি তৈরি হবে, স্তূপ ধসে পড়তে পারে এবং কয়লার মান দ্রুত নষ্ট হয়ে যাবে।
**মজুদ কেন বাড়ছে**
বাড়াপুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র নিজেই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে পূর্ণ ক্ষমতায় চলছে না। পাশাপাশি অন্য যেসব কয়লাচালিত কেন্দ্র বাড়াপুকুরিয়ার কয়লা নেয়, সেগুলোর অনেকগুলোও সমস্যায় পড়েছে। ফলে খনি থেকে উত্তোলন চললেও কয়লা সঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছে না। মজুদ ইয়ার্ডে চাপ তৈরি হয়েছে।
**কী ধরনের বিপদ আসতে পারে**
কয়লা একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাতাসের অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে নিজে নিজে জ্বলে উঠতে পারে, বিশেষ করে গরমের মৌসুমে এই ঝুঁকি বেড়ে যায়। বাড়াপুকুরিয়ায় একবার এই ধরনের আগুন লাগলে তা নেভানো কঠিন হবে এবং বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। স্তূপ ধসের ঘটনায় খনি শ্রমিক ও আশেপাশের বাসিন্দাদের জীবনহানির আশঙ্কাও রয়েছে। এই মুহূর্তে বাড়াপুকুরিয়া কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে।

হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে

বাড়াপুকুরিয়া কয়লা খনিতে ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ মজুদ, আগুন ও ধস নামার ঝুঁকিতে দিনাজপুর

০৭:১৯:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
দিনাজপুরের বাড়াপুকুরিয়া কয়লা খনির মজুদ ইয়ার্ডে কয়লার স্তূপ এখন ডিজাইন করা ধারণক্ষমতার দ্বিগুণেরও বেশি। অথচ কয়লা সরানো যাচ্ছে না, কারণ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নিজেদের সংকটের কারণে আপাতত বাড়তি কয়লা নিতে পারছে না। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, এই অবস্থা চলতে থাকলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে আগুন লাগার ঝুঁকি তৈরি হবে, স্তূপ ধসে পড়তে পারে এবং কয়লার মান দ্রুত নষ্ট হয়ে যাবে।
**মজুদ কেন বাড়ছে**
বাড়াপুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র নিজেই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে পূর্ণ ক্ষমতায় চলছে না। পাশাপাশি অন্য যেসব কয়লাচালিত কেন্দ্র বাড়াপুকুরিয়ার কয়লা নেয়, সেগুলোর অনেকগুলোও সমস্যায় পড়েছে। ফলে খনি থেকে উত্তোলন চললেও কয়লা সঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছে না। মজুদ ইয়ার্ডে চাপ তৈরি হয়েছে।
**কী ধরনের বিপদ আসতে পারে**
কয়লা একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাতাসের অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে নিজে নিজে জ্বলে উঠতে পারে, বিশেষ করে গরমের মৌসুমে এই ঝুঁকি বেড়ে যায়। বাড়াপুকুরিয়ায় একবার এই ধরনের আগুন লাগলে তা নেভানো কঠিন হবে এবং বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। স্তূপ ধসের ঘটনায় খনি শ্রমিক ও আশেপাশের বাসিন্দাদের জীবনহানির আশঙ্কাও রয়েছে। এই মুহূর্তে বাড়াপুকুরিয়া কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে।