যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বাংলাদেশি পিএইচডি গবেষক জামিল লিমনের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার পথেও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ। ট্যাম্পা থেকে দুবাই হয়ে ঢাকায় মরদেহ আনার সাধারণ পথটি এই মুহূর্তে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। বাংলাদেশ দূতাবাস পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে বিকল্প রুটের খোঁজ করছে। ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মর্তুজা জানান, ঘটনাটি “অত্যন্ত হৃদয়বিদারক”।
**একটি ঘটনায় দুটি সংকটের ছায়া**
জামিলের পরিবার একদিকে পুত্রহারার শোক বহন করছেন, অন্যদিকে যুদ্ধের কারণে মরদেহও ঘরে নিয়ে আসতে পারছেন না। জামিলের ভাই জুবায়ের আহমেদ জানান, জামিল এই গ্রীষ্মেই বাড়ি ফেরার কথা বলেছিলেন। “তিনি খুব সহজ মানুষ ছিলেন, সবসময় হাসতেন,” বলেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে ইরান যুদ্ধের প্রত্যক্ষ মানবিক ক্ষতির আরেকটি মর্মস্পর্শী উদাহরণ সামনে এল।
**দূতাবাস কী করছে**
বাংলাদেশ দূতাবাস ইউএসএফ কর্তৃপক্ষ এবং হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ অফিসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। মরদেহ আনার বিকল্প রুট হিসেবে ইউরোপ হয়ে আনার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিবার চাইছেন যত দ্রুত সম্ভব জামিলকে মাটি দিতে পারবেন।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















