০৮:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬
এশিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ খনিজে বড় বিনিয়োগ: সরবরাহ চেইন গড়ে তুলতে এডিবির নতুন তহবিল ব্লন্ডির জন্মকথা: নিউইয়র্কের ভাঙাচোরা শহরেই গড়ে ওঠা এক সঙ্গীত বিপ্লব রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে রেকর্ড উৎপাদন, এপ্রিলে ৭৬০ মিলিয়ন ইউনিট ছাড়িয়ে জাতীয় গ্রিডে বড় অবদান সহজ হচ্ছে না ‘আল্ট্রাপ্রসেসড’ খাবারের সংজ্ঞা, দুশ্চিন্তায় যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্যশিল্প পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা ও বেলুচ বিদ্রোহে ঝুঁকিতে আমেরিকার বিলিয়ন ডলারের খনি প্রকল্প সন্ত্রাসীদের ২৭ হামলার মাঝেও চলছে পাকিস্তানের জাফফার এক্সপ্রেস দিল্লির বিবেক বিহারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৯ জনের মৃত্যু, বহু মানুষ উদ্ধার নরম-তুলতুলে স্কোনের গোপন রেসিপি: ৩০ বছরের পরীক্ষায় পাওয়া ‘পারফেক্ট’ স্বাদ খুলনায় বাড়ির ভেতর ঝুলন্ত অবস্থায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ থাকার পর মিলল লাশ ঢাকাসহ চার বিভাগে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, দেশজুড়ে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

রংপুরে হাম-সদৃশ উপসর্গে শিশুমৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ৪৯ রোগী

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাম-সদৃশ উপসর্গে চিকিৎসাধীন এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে রংপুর বিভাগজুড়ে নতুন করে আরও ৪৯ জন রোগী শনাক্ত হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে স্বাস্থ্য বিভাগে।

শনিবার রাত ৮টার দিকে হাসপাতালের শিশু আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২২ মাস বয়সী শিশু জাকির মারা যায়। হাসপাতালের শিশু বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. এএনএম তানভীর চৌধুরী রোববার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

শিশুটির বাড়ি কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায়। তার বাবা সবুজ মিয়া। হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত ৩০ এপ্রিল রাতে হাম-সদৃশ উপসর্গ নিয়ে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

রোগীর উপসর্গ ও চিকিৎসা পরিস্থিতি
হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, জাকিরকে ভর্তি করার সময় তার মধ্যে হাম-সদৃশ লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। এরপর তাকে শিশুদের জন্য নির্ধারিত আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অবস্থার অবনতি ঘটলে শনিবার রাতে তার মৃত্যু হয়।

বিভাগজুড়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা
এদিকে, রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগজুড়ে হাম-সদৃশ উপসর্গে নতুন করে ৪৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এতে করে সাম্প্রতিক সময়ে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।

নতুন শনাক্ত রোগীদের মধ্যে ৩০ জন দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। বাকি ১৯ জন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

স্বাস্থ্য বিভাগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে এবং আক্রান্তদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

রংপুরে হাম-সদৃশ উপসর্গে শিশুমৃত্যু, নতুন করে ৪৯ রোগী শনাক্ত—স্বাস্থ্য বিভাগে উদ্বেগ বাড়ছে

জনপ্রিয় সংবাদ

এশিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ খনিজে বড় বিনিয়োগ: সরবরাহ চেইন গড়ে তুলতে এডিবির নতুন তহবিল

রংপুরে হাম-সদৃশ উপসর্গে শিশুমৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ৪৯ রোগী

০৬:৪৩:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাম-সদৃশ উপসর্গে চিকিৎসাধীন এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে রংপুর বিভাগজুড়ে নতুন করে আরও ৪৯ জন রোগী শনাক্ত হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে স্বাস্থ্য বিভাগে।

শনিবার রাত ৮টার দিকে হাসপাতালের শিশু আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২২ মাস বয়সী শিশু জাকির মারা যায়। হাসপাতালের শিশু বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. এএনএম তানভীর চৌধুরী রোববার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

শিশুটির বাড়ি কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায়। তার বাবা সবুজ মিয়া। হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত ৩০ এপ্রিল রাতে হাম-সদৃশ উপসর্গ নিয়ে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

রোগীর উপসর্গ ও চিকিৎসা পরিস্থিতি
হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, জাকিরকে ভর্তি করার সময় তার মধ্যে হাম-সদৃশ লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। এরপর তাকে শিশুদের জন্য নির্ধারিত আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অবস্থার অবনতি ঘটলে শনিবার রাতে তার মৃত্যু হয়।

বিভাগজুড়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা
এদিকে, রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগজুড়ে হাম-সদৃশ উপসর্গে নতুন করে ৪৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এতে করে সাম্প্রতিক সময়ে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।

নতুন শনাক্ত রোগীদের মধ্যে ৩০ জন দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। বাকি ১৯ জন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

স্বাস্থ্য বিভাগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে এবং আক্রান্তদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

রংপুরে হাম-সদৃশ উপসর্গে শিশুমৃত্যু, নতুন করে ৪৯ রোগী শনাক্ত—স্বাস্থ্য বিভাগে উদ্বেগ বাড়ছে