০৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
ইন্দোনেশিয়ায় এলপিজির বদলে সিএনজি পরিকল্পনা, প্রয়োজন হতে পারে শত কোটি ডলারের বিনিয়োগ জ্বালানি সংকট ও মিয়ানমার ইস্যুতে উত্তপ্ত আসিয়ান সম্মেলন ঈদ কেনাকাটায় রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে দোকান-শপিংমল চীনের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তিতে দোষী দুই কর্মকর্তা, যুক্তরাজ্যে প্রথম বড় রায় রাশিয়ার যুদ্ধের জন্য লোক পাঠানোর অভিযোগে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞায় বাংলাদেশি ট্রাভেল এজেন্সি ইরানের তেল রপ্তানি ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ, কিন্তু সমুদ্রপথে এখনও চলছে গোপন বেচাকেনা ভারত-ভিয়েতনাম সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়, প্রতিরক্ষা ও বিরল খনিজ সহযোগিতায় ১৩ চুক্তি গ্রেট নিকোবর প্রকল্পে গ্রামসভা বিতর্ক, ৫০ শতাংশ কোরাম ছাড়াই বনভূমি হস্তান্তরে অনুমোদনের অভিযোগ বিদ্যুৎ কিনতে দুই এনডব্লিউপিজিসিএল কেন্দ্রের সংশোধিত ট্যারিফ অনুমোদন বিপিএলে দুর্নীতির অভিযোগে খেলোয়াড়-ম্যানেজারদের সাময়িক নিষেধাজ্ঞা

বিপিএলে দুর্নীতির অভিযোগে খেলোয়াড়-ম্যানেজারদের সাময়িক নিষেধাজ্ঞা

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসরে দুর্নীতির অভিযোগে কয়েকজন খেলোয়াড়, দলীয় কর্মকর্তা এবং এক ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকের বিরুদ্ধে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বোর্ডের দুর্নীতি দমন ইউনিটের তদন্তে ম্যাচ নিয়ে বাজি, দুর্নীতির প্রস্তাব এবং তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠে এসেছে।

বিসিবির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দলীয় ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমান এবং ফ্র্যাঞ্চাইজির সহ-মালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদের বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে অসহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা দুর্নীতি দমন কর্মকর্তার চাহিদা অনুযায়ী তথ্য সরবরাহ করেননি এবং তদন্ত বিলম্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের তথ্য গোপন বা মুছে ফেলার চেষ্টা করেছেন।

একই ঘটনায় ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার এবং দলীয় ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আনা হয়েছে। বিসিবির দাবি, তারা ম্যাচের ফলাফল ও অগ্রগতি ঘিরে বাজিতে জড়িত ছিলেন।

তদন্তে গুরুত্ব বাড়ছে

বিসিবি জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য ১৪ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তারা নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে পারবেন।

ক্রিকেট বোর্ডের দুর্নীতি দমন ইউনিট দীর্ঘদিন ধরেই বিপিএলে অনিয়ম ও অবৈধ বেটিং চক্রের অভিযোগ নিয়ে কাজ করছে। এবারের তদন্তে কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরাসরি তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠে আসায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক বেটিং চক্রের অভিযোগ

একইসঙ্গে বিসিবি সামিনুর লাবলুর নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পৃথক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। বোর্ডের দাবি, বিপিএলের নবম, দশম এবং একাদশ আসরজুড়ে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তদন্তে আন্তর্জাতিক বেটিং নেটওয়ার্কের সঙ্গে তার যোগাযোগ এবং দুর্নীতিমূলক কার্যক্রম সহজ করতে ভূমিকার অভিযোগও উঠে এসেছে। বিসিবি জানিয়েছে, সামিনুর লাবলুর তার জবাব দেওয়ার অধিকার পরিত্যাগ করেছেন এবং নিষেধাজ্ঞার আদেশ মেনে নিয়েছেন।

বিপিএলের ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্ন

বিপিএলে দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে ম্যাচ ফিক্সিং, অবৈধ বেটিং এবং খেলোয়াড়দের সঙ্গে সন্দেহজনক যোগাযোগের অভিযোগ উঠেছে। তবে এবারের ঘটনায় দলীয় কর্মকর্তা ও ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক পর্যায়ের ব্যক্তিদের নাম আসায় প্রতিযোগিতাটির স্বচ্ছতা ও পরিচালনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

বিসিবি বলছে, ক্রিকেটের সততা রক্ষায় তারা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সাময়িক ব্যবস্থা বহাল থাকবে।

বিপিএল দুর্নীতি তদন্ত

বিপিএলে দুর্নীতির অভিযোগে কয়েকজন খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাকে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বিসিবি, তদন্তে উঠেছে বেটিং ও তথ্য গোপনের অভিযোগ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইন্দোনেশিয়ায় এলপিজির বদলে সিএনজি পরিকল্পনা, প্রয়োজন হতে পারে শত কোটি ডলারের বিনিয়োগ

বিপিএলে দুর্নীতির অভিযোগে খেলোয়াড়-ম্যানেজারদের সাময়িক নিষেধাজ্ঞা

০৮:১৯:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসরে দুর্নীতির অভিযোগে কয়েকজন খেলোয়াড়, দলীয় কর্মকর্তা এবং এক ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকের বিরুদ্ধে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বোর্ডের দুর্নীতি দমন ইউনিটের তদন্তে ম্যাচ নিয়ে বাজি, দুর্নীতির প্রস্তাব এবং তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠে এসেছে।

বিসিবির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দলীয় ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমান এবং ফ্র্যাঞ্চাইজির সহ-মালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদের বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে অসহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা দুর্নীতি দমন কর্মকর্তার চাহিদা অনুযায়ী তথ্য সরবরাহ করেননি এবং তদন্ত বিলম্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের তথ্য গোপন বা মুছে ফেলার চেষ্টা করেছেন।

একই ঘটনায় ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার এবং দলীয় ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আনা হয়েছে। বিসিবির দাবি, তারা ম্যাচের ফলাফল ও অগ্রগতি ঘিরে বাজিতে জড়িত ছিলেন।

তদন্তে গুরুত্ব বাড়ছে

বিসিবি জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য ১৪ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তারা নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে পারবেন।

ক্রিকেট বোর্ডের দুর্নীতি দমন ইউনিট দীর্ঘদিন ধরেই বিপিএলে অনিয়ম ও অবৈধ বেটিং চক্রের অভিযোগ নিয়ে কাজ করছে। এবারের তদন্তে কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরাসরি তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠে আসায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক বেটিং চক্রের অভিযোগ

একইসঙ্গে বিসিবি সামিনুর লাবলুর নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পৃথক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। বোর্ডের দাবি, বিপিএলের নবম, দশম এবং একাদশ আসরজুড়ে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তদন্তে আন্তর্জাতিক বেটিং নেটওয়ার্কের সঙ্গে তার যোগাযোগ এবং দুর্নীতিমূলক কার্যক্রম সহজ করতে ভূমিকার অভিযোগও উঠে এসেছে। বিসিবি জানিয়েছে, সামিনুর লাবলুর তার জবাব দেওয়ার অধিকার পরিত্যাগ করেছেন এবং নিষেধাজ্ঞার আদেশ মেনে নিয়েছেন।

বিপিএলের ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্ন

বিপিএলে দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে ম্যাচ ফিক্সিং, অবৈধ বেটিং এবং খেলোয়াড়দের সঙ্গে সন্দেহজনক যোগাযোগের অভিযোগ উঠেছে। তবে এবারের ঘটনায় দলীয় কর্মকর্তা ও ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক পর্যায়ের ব্যক্তিদের নাম আসায় প্রতিযোগিতাটির স্বচ্ছতা ও পরিচালনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

বিসিবি বলছে, ক্রিকেটের সততা রক্ষায় তারা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সাময়িক ব্যবস্থা বহাল থাকবে।

বিপিএল দুর্নীতি তদন্ত

বিপিএলে দুর্নীতির অভিযোগে কয়েকজন খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাকে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বিসিবি, তদন্তে উঠেছে বেটিং ও তথ্য গোপনের অভিযোগ।