সমকালের একটি শিরোনাম “টিকা নেওয়ার বয়সের আগেই হামে আক্রান্ত শিশুরা, মারা যাচ্ছে তারাই বেশি”
কুষ্টিয়া থেকে দুই মাসের শিশু সন্তান হোসাইনের হামের উপসর্গ নিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (রামেক) ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে ছোটাছুটি করছিলেন হেলাল উদ্দীন। কখনো বাচ্চা সামলাচ্ছেন, কখনো ছুটছেন ওষুধ কিনতে আবার কখনো ডাকতে যাচ্ছেন ডাক্তার-নার্সদের। তার চোখে মুখে অসহায়ত্ব। বলছিলেন, ‘সরকার নিয়ম করেছে ৬ মাসে হামের টিকা দেওয়ার। কিন্তু আমার বাচ্চা দুই মাসেই হামে আক্রান্ত। অধিকাংশ বাচ্চাদেরই এক-দুই মাস বয়সেই হাম হচ্ছে। এতে অনেকেই মারা যাচ্ছে। আমার মনে হয়- জন্মের পরপরই শিশুদের হামের টিকা দেওয়া দরকার।’
হেলালের কথার সূত্র ধরে সমকাল হাম আক্রান্তদের কিছু তথ্য সংগ্রহ করে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় থেকে। এতে দেখা যায়, রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ে হাম উপসর্গ ও আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ৭৯ জনের মৃত্যুর তথ্য রয়েছে। তবে তাদের মধ্যে ১৩ মে পর্যন্ত মাত্র ২৪ জন মৃত শিশুর পরিচয়সহ একটি তালিকা সংরক্ষণ করা হয়েছে। মৃত অন্য শিশুদের কোন তথ্য নেই কার্যালয়টিতে। এই মৃত ২৪ জন শিশুর মধ্যে ১৩ জনের বয়স ৬ মাসের কম, ৬ থেকে ৯ মাস বয়সী মৃত শিশুর সংখ্যা ৫ জন। ৯ মাস বয়সের উপরে শিশুর সংখ্যা ৬ জন। অর্থ্যাৎ আক্রান্ত মৃতদের মধ্যে ৬ মাসের নিচের শিশুদের মৃত্যুর হার প্রায় ৫৪ শতাংশ।
একই সময়ের হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসা ১ হাজার ৫৩৯ জন শিশুর একটি তালিকা এসেছে সমকাল প্রতিবেদকের হাতে। এই তালিকায় দেখা যায়, হাম উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত ১৫৩৯ জনের মধ্যে ২৯২ জন শিশু ৬ মাসের কম বয়সী।
এই তালিকাটি হাতে পাওয়ার আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডা. একেএম শাহাব উদ্দীন বলছিলেন, মৃত ও আক্রান্ত শিশুদের অধিকাংশেরই টিকা পাওয়ার বয়স ৬ মাস হয়নি। আগে টিকার পাওয়ার বয়স ছিল ৯ মাস। হাম মহামারি আকারে ছড়ালে তা কমিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় আনা হয় ৬ মাসে।
আজকের পত্রিকার একটি শিরোনাম”বিসিবির এইচপিতে থাকছে না ক্রিকেটারদের বয়সের সীমা”
হাইপারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটকে সাধারণত জাতীয় দলে খেলোয়াড় সরবরাহের বড় পাইপলাইন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এইচপি খেলোয়াড়দের বয়সের একটা সীমাবদ্ধতা ছিল এত দিন। সাধারণত অনূর্ধ্ব-২৩ দলের খেলোয়াড় নিয়েই গড়া হতো এইচপি দল। এইচপির কার্যক্রম শুরু ঘরোয়া মৌসুমের শেষ দিকে। চলে নতুন মৌসুম শুরুর আগপর্যন্ত (মে থেকে সেপ্টেম্বর)। এইচপির কাঠামোয় বেশ কিছু পরিবর্তন আনতে চাইছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
এখন থেকে এইচপিতে কোনো বয়সের সীমা থাকছে না। অনূর্ধ্ব-২৩ বয়সী ক্রিকেটাররা যেমন থাকবেন, জাতীয় দলের বাইরে চলে যাওয়া খেলোয়াড়েরাও থাকবেন। জাতীয় দলের বাইরে চলে যাওয়া, চোটে পড়ে পুনর্বাসনপ্রক্রিয়ায় থাকা, ছন্দ ফিরে পেয়েছেন কিন্তু জাতীয় দলে জায়গা পাচ্ছেন না—এ ধরনের ক্রিকেটারদের নিয়ে ২০২১ সালে বাংলাদেশ টাইগার্স নামে একটি আলাদা দল করেছিল বিসিবি। এখন থেকে এইচপি আর টাইগার্সের খেলোয়াড়েরা থাকবেন একই দলে। বছরজুড়েই এইচপির কার্যক্রম রাখবে বিসিবি।
এইচপির প্রধান কোচ হিসেবে জুন থেকে কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন বর্তমান জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ সালাহ উদ্দীন। বর্তমান বাংলাদেশ দল চলছে তিন সংস্করণে তিন অধিনায়কের নেতৃত্বে। তিন অধিনায়কের ড্রেসিংরুমে খেলোয়াড়দের একবিন্দুতে মিলিয়ে রাখার কাজটা দারুণভাবে করে যাচ্ছিলেন সালাহ উদ্দীন। যেহেতু জাতীয় দলের বেশির ভাগ খেলোয়াড়ই তাঁকে শৈশব থেকে ‘গুরু’ মানেন।
বর্তমান বিসিবিপ্রধান তামিম ইকবাল সালাহ উদ্দীনকে এইচপিপ্রধান করেছেন মূলত তাঁর ‘এক্সিলেন্সি সেন্টার’ তৈরির লক্ষ্য পূরণে। এইচপিতে যুক্ত হতে যাচ্ছেন সাবেক বাঁহাতি স্পিনার আবদুর রাজ্জাক। থাকবেন সোহেল ইসলাম, রাজিন সালেহ, তালহা জুবায়েরের মতো স্থানীয় কোচরাও। তবে এইচপির মতো ‘পাইপলাইনে’ বয়সের সীমা উঠিয়ে দেওয়ার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। এখানে তুলনামূলক অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের বেশি সুযোগ দেওয়া হলে সেটি উঠতি ক্রিকেটারদের বিকাশে বাধা তৈরির আশঙ্কা থেকেই যায়।
নতুন এই যাত্রায় শুরুতে জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলকে পাচ্ছে এইচপি ইউনিট। তিনটি ৫০ ওভার ও দুটি চার দিনের টেস্ট ম্যাচ খেলতে আগামী ৩ জুন বাংলাদেশে আসবে জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দল। ৮ ও ১০ জুন প্রথম দুটি ওয়ানডে হবে বগুড়ায়। ১৩ জুন শেষ ওয়ানডে হবে রাজশাহীতে। দুটি চার দিনের টেস্ট ম্যাচ হবে সিলেটে। প্রথম চার দিনের ম্যাচ শুরু হবে ১৭ জুন।
এদিকে বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহকে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ‘মেন্টর’ করার খবর ছড়ালেও বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি বিসিবি।
বণিকবার্তার একটি শিরোনাম “ঢাকায় আট কোম্পানিকে ৬৯০ এসি বাস নামানোর অনুমতি”
যাত্রীদের জন্য আধুনিক, নিরাপদ ও আরামদায়ক যাতায়াত নিশ্চিত করতে এসব এসি বাস চলাচলের অনুমতি (রুট পারমিট) দেয়ার কথা জানিয়েছেন কমিটির সদস্যরা। অন্যদিকে পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাসের রুট পারমিট দেয়ার আগে যাত্রী চাহিদা নিরূপণসহ স্টপেজ নির্ধারণ এবং কত সময় অন্তর বাস চলাচল করবে, তা সুনির্দিষ্টভাবে পরিকল্পনা করা জরুরি।
ঢাকায় গণপরিবহনের রুট পারমিট প্রদান, নতুন রুট নির্ধারণ এবং পরিবহন কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ করা হয় ঢাকা মেট্রো যাত্রী ও পণ্য পরিবহন কমিটির মাধ্যমে। পদাধিকারবলে এ কমিটির প্রধান ঢাকা মহানগর পুলিশপ্রধান (ডিএমপি কমিশনার)। এ কমিটির সর্বশেষ সভায় ৬৯০টি এসি বাসের রুট পারমিটের আবেদন মঞ্জুর করা হয়। এর মধ্যে ২০০টি এসি বাস চালানোর অনুমতি পেয়েছে শাপলা পরিবহন, যেগুলো চন্দ্রা থেকে ধোলাইখাল রুটে চলাচল করবে। এছাড়া চিত্রা পরিবহন লিমিটেড ১২০টি, টাইম বার্ড এক্সপ্রেস ১০০টি এবং স্প্রিন্ট শ্যাটল প্রাইভেট লিমিটেড দুটি ভিন্ন রুটে মোট ১০০টি বাস নামানোর অনুমোদন লাভ করেছে। অন্যান্য কোম্পানির মধ্যে ইকবাল এন্টারপ্রাইজ ও নিউ ঢাকা পরিবহন ৫০টি করে এবং ট্রাস্ট ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসেস ৪০টি ও ঢাকা ট্রান্সপোর্ট লাইন ৩০টি এসি বাসের পারমিট পেয়েছে।
কমিটি সূত্রে জানা গেছে, ইকবাল এন্টারপ্রাইজ উত্তরার পঞ্চবটী থেকে কেরানীগঞ্জ রুটে, নিউ ঢাকা পরিবহন সাইনবোর্ড থেকে গাজীপুর শিববাড়ি রুটে, ট্রাস্ট ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসেস সিএমএইচ (ঢাকা সেনানিবাস) থেকে জলসিঁড়ি অফিস পর্যন্ত দুটি ভিন্ন ভায়া রুটে, টাইম বার্ড এক্সপ্রেস সাভার থেকে কালিগঞ্জ বাজার রুটে, শাপলা পরিবহন চন্দ্রা থেকে ধোলাইখাল রুটে, স্প্রিন্ট শ্যাটল বাড়ইপাড়া থেকে চিটাগং রোড এবং বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল থেকে পঞ্চবটী রুটে, চিত্রা পরিবহন সাভারের নন্দনপার্ক থেকে মদনপুর রুটে এবং ঢাকা ট্রান্সপোর্ট লাইন কমলাপুর থেকে নারায়ণগঞ্জের বন্দর রুটে তাদের বাসগুলো পরিচালনা করবে।
মানবজমিনের একটি শিরোন “গভীর রাতে সরকারি চাল জব্দ, ট্রাকসহ আটক ২”
নেত্রকোনার মদনে সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে বের হওয়ার পরই প্রায় ২০ টন সরকারি চালবোঝাই একটি ট্রাক জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় ট্রাকের চালক ও হেলপারকে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে মদন-নেত্রকোণা সড়কের সাম্য ফিলিং স্টেশনের সামনে অভিযান চালিয়ে ট্রাকটি আটক করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন মদন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাওলিন নাহার।
সারাক্ষণ ডেস্ক 



















