১১:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬
রাজধানীতে সিএনজি সংকট: পাম্পে গ্যাসের চাপ কমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে চালকরা, দুর্ভোগে যাত্রীরা বিমানের ওয়েবসাইটে ‘অনটাইম’, বাস্তবে ২২ ঘণ্টা বিলম্ব: সিলেট-জেদ্দা ফ্লাইটে ৮ শতাধিক যাত্রীর দুর্ভোগ বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিক বৃদ্ধির অভিযোগ, বিষয়টি আমলে নেওয়ার আহ্বান আজহারির ঢাকা ক্লাবের ১৪০ বছরের ঐতিহ্যবাহী মেইন লাউঞ্জ ঝুঁকিতে, জরুরি প্রকৌশল মূল্যায়নের তাগিদ ৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই, সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় ডিএমপি ব্যাংক এশিয়ার অনুমোদিত মূলধন দ্বিগুণ, বেড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা প্রতিবন্ধী সেবার অধিকার সংকুচিত হওয়ার শঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে সিদ্ধান্ত বদলের আহ্বান খেলনা গাড়ির চাকার হুইলচেয়ারে নতুন জীবন পেল আহত বিড়ালছানা জেলাটো কাবেরীর পানি নিয়ে আবারও সুপ্রিম কোর্টে তামিলনাড়ু, কর্ণাটকের বিরুদ্ধে আদেশ অমান্যের অভিযোগ এয়ার ইন্ডিয়ার উড়োজাহাজ মাঝআকাশে ৩০০ ফুট নিচে নেমে গেল কেন? বর্ষার আকাশে টার্বুলেন্সের ঝুঁকি ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্র ও জ্বালানি বাজারের চাপের মধ্যেও ওপেক ছাড়ার সিদ্ধান্তে অটল আমিরাত

সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, ওপেক এবং ওপেক প্লাস জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত পুরোপুরি দেশটির নিজস্ব কৌশলগত ও অর্থনৈতিক স্বার্থের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে। দেশটির জ্বালানি ও অবকাঠামো মন্ত্রী সুহাইল বিন মোহাম্মদ আল মাজরুই বলেছেন, এটি ছিল দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় পরিকল্পনার অংশ এবং ভবিষ্যৎ জ্বালানি সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আল মাজরুই বলেন, আমিরাতের জাতীয় উৎপাদন নীতি ও ভবিষ্যৎ জ্বালানি সক্ষমতা নিয়ে বিস্তৃত পর্যালোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীল সরবরাহকারী হিসেবে নিজেদের অবস্থান বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় স্বার্থকেই অগ্রাধিকার

আমিরাতের মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, ওপেক ছাড়ার সিদ্ধান্তের পেছনে কোনো রাজনৈতিক কারণ নেই। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে মতবিরোধ বা বিভক্তির ধারণাও তিনি নাকচ করে দেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের সার্বভৌম সিদ্ধান্ত সবসময় জাতীয় স্বার্থকে কেন্দ্র করেই নেওয়া হয় এবং বিভিন্ন জল্পনা বা বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

UAE says OPEC, OPEC+ exit was sovereign strategic decision, not political  move | Reuters

জ্বালানি খাতে নতুন কৌশল

আল মাজরুই আরও বলেন, আমিরাতের জ্বালানি খাত এখন বড় ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো, নতুন বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনার কারণে দেশটি নিজেদের অবস্থান নতুনভাবে নির্ধারণ করছে।

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিও আমিরাত ধরে রাখতে চায়। বৈশ্বিক অর্থনীতি ও ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যাওয়ায় দেশটি নিজেদের জ্বালানি কৌশল নতুন বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছে।

বিশ্ববাজারে বাড়ছে নজর

এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বর্তমানে তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো উৎপাদন কৌশল, বিনিয়োগ পরিকল্পনা এবং বাজারে অবস্থান পুনর্মূল্যায়ন করছে। এর পেছনে রয়েছে বিশ্বব্যাপী জ্বালানির চাহিদার পরিবর্তন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকে পড়ার প্রবণতা।

বিশ্লেষকদের মতে, আমিরাতের এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে বৈশ্বিক জ্বালানি জোটগুলোর কাঠামো ও তেলবাজারের ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে সিএনজি সংকট: পাম্পে গ্যাসের চাপ কমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে চালকরা, দুর্ভোগে যাত্রীরা

যুক্তরাষ্ট্র ও জ্বালানি বাজারের চাপের মধ্যেও ওপেক ছাড়ার সিদ্ধান্তে অটল আমিরাত

০৬:১৯:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, ওপেক এবং ওপেক প্লাস জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত পুরোপুরি দেশটির নিজস্ব কৌশলগত ও অর্থনৈতিক স্বার্থের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে। দেশটির জ্বালানি ও অবকাঠামো মন্ত্রী সুহাইল বিন মোহাম্মদ আল মাজরুই বলেছেন, এটি ছিল দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় পরিকল্পনার অংশ এবং ভবিষ্যৎ জ্বালানি সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আল মাজরুই বলেন, আমিরাতের জাতীয় উৎপাদন নীতি ও ভবিষ্যৎ জ্বালানি সক্ষমতা নিয়ে বিস্তৃত পর্যালোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীল সরবরাহকারী হিসেবে নিজেদের অবস্থান বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় স্বার্থকেই অগ্রাধিকার

আমিরাতের মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, ওপেক ছাড়ার সিদ্ধান্তের পেছনে কোনো রাজনৈতিক কারণ নেই। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে মতবিরোধ বা বিভক্তির ধারণাও তিনি নাকচ করে দেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের সার্বভৌম সিদ্ধান্ত সবসময় জাতীয় স্বার্থকে কেন্দ্র করেই নেওয়া হয় এবং বিভিন্ন জল্পনা বা বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

UAE says OPEC, OPEC+ exit was sovereign strategic decision, not political  move | Reuters

জ্বালানি খাতে নতুন কৌশল

আল মাজরুই আরও বলেন, আমিরাতের জ্বালানি খাত এখন বড় ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো, নতুন বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনার কারণে দেশটি নিজেদের অবস্থান নতুনভাবে নির্ধারণ করছে।

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিও আমিরাত ধরে রাখতে চায়। বৈশ্বিক অর্থনীতি ও ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যাওয়ায় দেশটি নিজেদের জ্বালানি কৌশল নতুন বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছে।

বিশ্ববাজারে বাড়ছে নজর

এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বর্তমানে তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো উৎপাদন কৌশল, বিনিয়োগ পরিকল্পনা এবং বাজারে অবস্থান পুনর্মূল্যায়ন করছে। এর পেছনে রয়েছে বিশ্বব্যাপী জ্বালানির চাহিদার পরিবর্তন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকে পড়ার প্রবণতা।

বিশ্লেষকদের মতে, আমিরাতের এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে বৈশ্বিক জ্বালানি জোটগুলোর কাঠামো ও তেলবাজারের ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে।