০৫:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি রাশিয়ায় মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান, মস্কোয় গোপন বৈঠক ঘিরে জল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার, তীব্র হচ্ছে বাণিজ্যযুদ্ধ বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, উত্তর আমেরিকায় নতুন কারখানা নিয়ে হোন্ডার সতর্কবার্তা দেশীয় সংগীতের রানী ডলি পার্টন আর নেই, ৮০ বছর বয়সে শেষ হলো কিংবদন্তির পথচলা ডলি পার্টন: কিংবদন্তি গায়িকার সাত দশকের বর্ণিল জীবন ইসলামাবাদে হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে আগুন, ১৪ শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় পারিবারিক বিরোধে বড় ভাইয়ের মারধরে প্রাণ গেল ভাইয়ের বৃহস্পতিবার বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন পাঁচ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা

সরকারের ‘মেরুদণ্ড’ থাকলে মার্কিন চুক্তি পুনর্বিবেচনা করতে হবে: ফজলুর রহমান

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া একটি চুক্তিকে ১৭৫৭ সালের মীর জাফর-রবার্ট ক্লাইভের চুক্তির সঙ্গে তুলনা করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হলে ওই চুক্তি পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন এবং সে জন্য সরকারের ‘মেরুদণ্ড’ থাকা দরকার।

সম্প্রতি ‘মানচিত্র’ নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত ভিডিওতে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে তুলনা

ফজলুর রহমান বলেন, ১৭৫৭ সালের ২৩ জুনের পর রবার্ট ক্লাইভ ও মীর জাফরের মধ্যে যে চুক্তি হয়েছিল, তার প্রভাব বাংলার মানুষের জীবনে গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল। তার দাবি, বর্তমান সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের চুক্তিও একই ধরনের ফল বয়ে আনতে পারে, যদি জনগণ এ বিষয়ে সচেতন না হয় এবং প্রতিকারমূলক পদক্ষেপ না নেয়।

তিনি বলেন, “এটা রবার্ট ক্লাইভের সঙ্গে মীর জাফরের চুক্তির মতোই। আমরা যদি সতর্ক না হই, তাহলে একই ধরনের পরিণতি আসতে পারে।”

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রসঙ্গ

ভিডিওতে দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল নিয়েও মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ অতীতে যেসব অন্যায় ও কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে, বিএনপি যদি একই ধরনের কাজ করে, তাহলে ফলও একই হবে।

ফজলুর রহমানের ভাষ্য, রাজনৈতিক দল বদলালেই পরিস্থিতি বদলে যায় না। ক্ষমতায় গিয়ে যদি একই ধরনের আচরণ করা হয়, তাহলে জনগণের জন্য তার ফলাফলও অভিন্ন হবে।

পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য

পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের প্রশ্নেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। ফজলুর রহমান বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি মনে করেন, পাকিস্তানের সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক হবে না।

তার দাবি, এ ধরনের সম্পর্ক দেশের অগ্রযাত্রাকে পিছিয়ে দিতে পারে এবং জাতিকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিতে পারে। তবে নিজের দল কেন এখনো ইউনূসের ধারাবাহিকতায় পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখছে—সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাননি বলেও জানান।

রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা

ফজলুর রহমানের এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। বিশেষ করে ঐতিহাসিক চুক্তির সঙ্গে বর্তমান আন্তর্জাতিক সম্পর্কের তুলনা এবং পাকিস্তান প্রসঙ্গে তার মন্তব্য নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।

সরকারের মেরুদণ্ড থাকলে মার্কিন চুক্তি পুনর্বিবেচনা

মার্কিন চুক্তি ও পাকিস্তান প্রসঙ্গে এমপি ফজলুর রহমানের বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা।

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি

সরকারের ‘মেরুদণ্ড’ থাকলে মার্কিন চুক্তি পুনর্বিবেচনা করতে হবে: ফজলুর রহমান

০৭:৫৬:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া একটি চুক্তিকে ১৭৫৭ সালের মীর জাফর-রবার্ট ক্লাইভের চুক্তির সঙ্গে তুলনা করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হলে ওই চুক্তি পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন এবং সে জন্য সরকারের ‘মেরুদণ্ড’ থাকা দরকার।

সম্প্রতি ‘মানচিত্র’ নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত ভিডিওতে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে তুলনা

ফজলুর রহমান বলেন, ১৭৫৭ সালের ২৩ জুনের পর রবার্ট ক্লাইভ ও মীর জাফরের মধ্যে যে চুক্তি হয়েছিল, তার প্রভাব বাংলার মানুষের জীবনে গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল। তার দাবি, বর্তমান সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের চুক্তিও একই ধরনের ফল বয়ে আনতে পারে, যদি জনগণ এ বিষয়ে সচেতন না হয় এবং প্রতিকারমূলক পদক্ষেপ না নেয়।

তিনি বলেন, “এটা রবার্ট ক্লাইভের সঙ্গে মীর জাফরের চুক্তির মতোই। আমরা যদি সতর্ক না হই, তাহলে একই ধরনের পরিণতি আসতে পারে।”

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রসঙ্গ

ভিডিওতে দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল নিয়েও মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ অতীতে যেসব অন্যায় ও কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে, বিএনপি যদি একই ধরনের কাজ করে, তাহলে ফলও একই হবে।

ফজলুর রহমানের ভাষ্য, রাজনৈতিক দল বদলালেই পরিস্থিতি বদলে যায় না। ক্ষমতায় গিয়ে যদি একই ধরনের আচরণ করা হয়, তাহলে জনগণের জন্য তার ফলাফলও অভিন্ন হবে।

পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য

পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের প্রশ্নেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। ফজলুর রহমান বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি মনে করেন, পাকিস্তানের সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক হবে না।

তার দাবি, এ ধরনের সম্পর্ক দেশের অগ্রযাত্রাকে পিছিয়ে দিতে পারে এবং জাতিকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিতে পারে। তবে নিজের দল কেন এখনো ইউনূসের ধারাবাহিকতায় পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখছে—সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাননি বলেও জানান।

রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা

ফজলুর রহমানের এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। বিশেষ করে ঐতিহাসিক চুক্তির সঙ্গে বর্তমান আন্তর্জাতিক সম্পর্কের তুলনা এবং পাকিস্তান প্রসঙ্গে তার মন্তব্য নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।

সরকারের মেরুদণ্ড থাকলে মার্কিন চুক্তি পুনর্বিবেচনা

মার্কিন চুক্তি ও পাকিস্তান প্রসঙ্গে এমপি ফজলুর রহমানের বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা।