০৯:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
ব্রিটিশ রাজনীতির নেতৃত্ব সংকট: জনপ্রিয়তার লড়াই নয়, বাস্তবতার পরীক্ষা লন্ডনে টমি রবিনসন ঘিরে উত্তেজনা, ফিলিস্তিনপন্থী পাল্টা বিক্ষোভে কড়া নিরাপত্তা জাকার্তার ‘সামতামা ভিলেজ’: বর্জ্য আলাদা করেই কমছে ল্যান্ডফিলে চাপ জ্বালানি সংকটে নতুন সতর্কবার্তা, জীবাশ্ম জ্বালানির বদলে নবায়নযোগ্য শক্তিতে জোর দেওয়ার আহ্বান ছেলের হামলায় কুমিল্লায় প্রাণ গেল বাবার সিলেটে রবিবার দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকবে না, জরুরি মেরামতে ভোগান্তির শঙ্কা কুয়াকাটার সৈকতে বিরল অলিভ রিডলি কচ্ছপ উদ্ধার, বাড়ছে উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য রক্ষার দাবি ইসরায়েলের নতুন হামলায় আবারও উত্তপ্ত দক্ষিণ লেবানন কুড়িগ্রামে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু, আহত আরও দুইজন পাকিস্তানকে কড়া বার্তা ভারতীয় সেনাপ্রধানের, “ভূগোলের অংশ থাকবে নাকি ইতিহাসে পরিণত হবে”

সরকারের ‘মেরুদণ্ড’ থাকলে মার্কিন চুক্তি পুনর্বিবেচনা করতে হবে: ফজলুর রহমান

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া একটি চুক্তিকে ১৭৫৭ সালের মীর জাফর-রবার্ট ক্লাইভের চুক্তির সঙ্গে তুলনা করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হলে ওই চুক্তি পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন এবং সে জন্য সরকারের ‘মেরুদণ্ড’ থাকা দরকার।

সম্প্রতি ‘মানচিত্র’ নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত ভিডিওতে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে তুলনা

ফজলুর রহমান বলেন, ১৭৫৭ সালের ২৩ জুনের পর রবার্ট ক্লাইভ ও মীর জাফরের মধ্যে যে চুক্তি হয়েছিল, তার প্রভাব বাংলার মানুষের জীবনে গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল। তার দাবি, বর্তমান সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের চুক্তিও একই ধরনের ফল বয়ে আনতে পারে, যদি জনগণ এ বিষয়ে সচেতন না হয় এবং প্রতিকারমূলক পদক্ষেপ না নেয়।

তিনি বলেন, “এটা রবার্ট ক্লাইভের সঙ্গে মীর জাফরের চুক্তির মতোই। আমরা যদি সতর্ক না হই, তাহলে একই ধরনের পরিণতি আসতে পারে।”

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রসঙ্গ

ভিডিওতে দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল নিয়েও মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ অতীতে যেসব অন্যায় ও কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে, বিএনপি যদি একই ধরনের কাজ করে, তাহলে ফলও একই হবে।

ফজলুর রহমানের ভাষ্য, রাজনৈতিক দল বদলালেই পরিস্থিতি বদলে যায় না। ক্ষমতায় গিয়ে যদি একই ধরনের আচরণ করা হয়, তাহলে জনগণের জন্য তার ফলাফলও অভিন্ন হবে।

পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য

পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের প্রশ্নেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। ফজলুর রহমান বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি মনে করেন, পাকিস্তানের সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক হবে না।

তার দাবি, এ ধরনের সম্পর্ক দেশের অগ্রযাত্রাকে পিছিয়ে দিতে পারে এবং জাতিকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিতে পারে। তবে নিজের দল কেন এখনো ইউনূসের ধারাবাহিকতায় পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখছে—সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাননি বলেও জানান।

রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা

ফজলুর রহমানের এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। বিশেষ করে ঐতিহাসিক চুক্তির সঙ্গে বর্তমান আন্তর্জাতিক সম্পর্কের তুলনা এবং পাকিস্তান প্রসঙ্গে তার মন্তব্য নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।

সরকারের মেরুদণ্ড থাকলে মার্কিন চুক্তি পুনর্বিবেচনা

মার্কিন চুক্তি ও পাকিস্তান প্রসঙ্গে এমপি ফজলুর রহমানের বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রিটিশ রাজনীতির নেতৃত্ব সংকট: জনপ্রিয়তার লড়াই নয়, বাস্তবতার পরীক্ষা

সরকারের ‘মেরুদণ্ড’ থাকলে মার্কিন চুক্তি পুনর্বিবেচনা করতে হবে: ফজলুর রহমান

০৭:৫৬:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া একটি চুক্তিকে ১৭৫৭ সালের মীর জাফর-রবার্ট ক্লাইভের চুক্তির সঙ্গে তুলনা করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হলে ওই চুক্তি পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন এবং সে জন্য সরকারের ‘মেরুদণ্ড’ থাকা দরকার।

সম্প্রতি ‘মানচিত্র’ নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত ভিডিওতে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে তুলনা

ফজলুর রহমান বলেন, ১৭৫৭ সালের ২৩ জুনের পর রবার্ট ক্লাইভ ও মীর জাফরের মধ্যে যে চুক্তি হয়েছিল, তার প্রভাব বাংলার মানুষের জীবনে গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল। তার দাবি, বর্তমান সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের চুক্তিও একই ধরনের ফল বয়ে আনতে পারে, যদি জনগণ এ বিষয়ে সচেতন না হয় এবং প্রতিকারমূলক পদক্ষেপ না নেয়।

তিনি বলেন, “এটা রবার্ট ক্লাইভের সঙ্গে মীর জাফরের চুক্তির মতোই। আমরা যদি সতর্ক না হই, তাহলে একই ধরনের পরিণতি আসতে পারে।”

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রসঙ্গ

ভিডিওতে দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল নিয়েও মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ অতীতে যেসব অন্যায় ও কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে, বিএনপি যদি একই ধরনের কাজ করে, তাহলে ফলও একই হবে।

ফজলুর রহমানের ভাষ্য, রাজনৈতিক দল বদলালেই পরিস্থিতি বদলে যায় না। ক্ষমতায় গিয়ে যদি একই ধরনের আচরণ করা হয়, তাহলে জনগণের জন্য তার ফলাফলও অভিন্ন হবে।

পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য

পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের প্রশ্নেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। ফজলুর রহমান বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি মনে করেন, পাকিস্তানের সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক হবে না।

তার দাবি, এ ধরনের সম্পর্ক দেশের অগ্রযাত্রাকে পিছিয়ে দিতে পারে এবং জাতিকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিতে পারে। তবে নিজের দল কেন এখনো ইউনূসের ধারাবাহিকতায় পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখছে—সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাননি বলেও জানান।

রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা

ফজলুর রহমানের এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। বিশেষ করে ঐতিহাসিক চুক্তির সঙ্গে বর্তমান আন্তর্জাতিক সম্পর্কের তুলনা এবং পাকিস্তান প্রসঙ্গে তার মন্তব্য নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।

সরকারের মেরুদণ্ড থাকলে মার্কিন চুক্তি পুনর্বিবেচনা

মার্কিন চুক্তি ও পাকিস্তান প্রসঙ্গে এমপি ফজলুর রহমানের বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা।