পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে টানা আট দিন আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। আগামী ২৫ মে সোমবার থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত দুই দেশের ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। তবে ছুটি শেষে আগামী ২ জুন থেকে আবারও স্বাভাবিকভাবে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম শুরু হবে।
যৌথ বৈঠকে সিদ্ধান্ত
বুড়িমারী সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফারুক হোসেন জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর যৌথ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশের বুড়িমারী স্থলবন্দর এবং ভারতের চ্যাংড়াবান্ধা স্থলবন্দরের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
তিনি বলেন, ঈদুল আজহার ছুটির সময়সূচি চূড়ান্ত করতেই উভয় দেশের ব্যবসায়ী নেতারা আলোচনায় বসেন। সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্ধারিত সময় পর্যন্ত সব ধরনের আমদানি ও রফতানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক
যদিও বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে, তবুও পাসপোর্টধারী যাত্রীদের চলাচল স্বাভাবিক থাকবে বলে জানিয়েছে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ।
বুড়িমারী ইমিগ্রেশনের উপপরিদর্শক সাইফুর রহমান বলেন, ঈদের ছুটির মধ্যেও পাসপোর্টধারী যাত্রীরা নিয়মিতভাবে সীমান্ত পারাপার করতে পারবেন। এ কারণে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম চালু থাকবে এবং যাত্রীসেবায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না।
সীমান্ত বাণিজ্যে সাময়িক প্রভাব
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বুড়িমারী স্থলবন্দর উত্তরাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র। ভারত থেকে বিভিন্ন পণ্য আমদানি এবং বাংলাদেশি পণ্য রফতানিতে এই বন্দর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে আট দিনের এই ছুটিতে সীমান্ত বাণিজ্যে সাময়িক প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
তবে প্রতিবছরের মতো এবারও ঈদ উপলক্ষে নির্ধারিত সময়ের জন্য বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধ রাখা হচ্ছে। ছুটি শেষে দ্রুত কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















