ইরাকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশি প্রবাসী মোহাম্মদ শ্রাবণের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। শুক্রবার ভোরে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহটি গ্রহণ করা হয়। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার বকুলতলা গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ শ্রাবণ গত এক দশক ধরে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে কর্মরত ছিলেন। সাম্প্রতিক আঞ্চলিক সংঘাতের মধ্যে বাগদাদে একটি এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় তিনি নিহত হন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মরদেহ দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া

সরকারি উদ্যোগে নিহত প্রবাসীর মরদেহ দেশে আনার সব ধরনের ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হয়। বাগদাদ থেকে মরদেহ বিমানযোগে তুরস্ক হয়ে ঢাকায় আনা হয়। বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পর মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
শোক প্রকাশ ও আর্থিক সহায়তা
নিহতের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে পরিবারের জন্য পরিবহন ও দাফন-সংক্রান্ত ব্যয় নির্বাহের উদ্দেশ্যে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
এ ছাড়া বিশেষ অনুদান এবং অন্যান্য সহায়তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে, যাতে আকস্মিক এই বিপর্যয়ের মধ্যে পরিবার কিছুটা সহায়তা পায়।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও সংঘাতের কারণে সেখানে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে কাজ করা প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
মোহাম্মদ শ্রাবণের মৃত্যু প্রবাসজীবনের ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তার আরেকটি করুণ উদাহরণ হিসেবে সামনে এসেছে। তার মৃত্যুতে এলাকাজুড়ে শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে এবং স্বজনরা এই ক্ষতি মেনে নিতে হিমশিম খাচ্ছেন।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















