মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায় দীর্ঘদিনের পারিবারিক ও জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক নারী ও তার দেড় বছরের শিশুপুত্র নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন ওই নারীর স্বামী। অভিযুক্ত ব্যক্তি ঘটনার পর পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শনিবার রাতের এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে উপজেলার বাচামারা ইউনিয়নের ফকিরপাড়া গ্রামে।
নিহতরা হলেন আমেনা বেগম (২৮) এবং তার দেড় বছরের ছেলে আসওয়াদ। আহত আব্দুস সালাম (৪০) বর্তমানে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
দীর্ঘদিনের বিরোধ থেকে সংঘাত
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আব্দুস সালামের সঙ্গে তার ছোট ভাই ইউসুফ আলীর (৩৫) দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিষয় ও জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ চলছিল।
শনিবার রাত প্রায় ১০টার দিকে পারিবারিক বিষয় নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করলে ইউসুফ আলী ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান মা ও শিশু
হামলার সময় আমেনা বেগম ও তার শিশুপুত্রকে লক্ষ্য করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হলে তারা ঘটনাস্থলেই মারা যান। স্ত্রী ও সন্তানকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে আব্দুস সালামও হামলার শিকার হন এবং গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।
অভিযুক্ত পলাতক
ঘটনার পর অভিযুক্ত ইউসুফ আলী এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্বপন কুমার সরকার জানান, প্রাথমিক তদন্তে পারিবারিক বিরোধের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে।
পারিবারিক বিরোধে হত্যা
মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে জমিজমা ও পারিবারিক বিরোধের জেরে এক নারী ও তার দেড় বছরের শিশুপুত্র নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন স্বামী। অভিযুক্তকে ধরতে অভিযান চলছে।
পারিবারিক বিরোধে হত্যা
মানিকগঞ্জে এক পরিবারের জমিজমা ও পারিবারিক বিরোধ ভয়াবহ পরিণতি ডেকে এনেছে। দৌলতপুরে এক নারী ও তার শিশুপুত্র নিহত হওয়ার ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে। বিস্তারিত পড়ুন।
#মানিকগঞ্জ #দৌলতপুর #হত্যাকাণ্ড #পারিবারিকবিরোধ #জমিজমাবিরোধ #বাংলাদেশ #অপরাধ #সারাক্ষণ_রিপোর্ট
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















