০৫:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের নায়ক ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদ আর নেই শহর শুধু ঘুমানোর জায়গা নয়: মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে কেন্দ্র করেই নগর পরিকল্পনা হওয়া উচিত মালয়েশিয়ায় ১৬ বছরের নিচে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ, বাধ্যতামূলক হচ্ছে বয়স যাচাই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ, শপথ নিলেন ৩৫ নতুন মন্ত্রী কোরিয়ার অর্থনৈতিক সাফল্যের আড়ালে বাড়ছে বৈষম্যের নতুন রেখা পাকিস্তানে কৌশলগত তেল মজুতের পরিকল্পনা, ইরান সংকটে জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্যোগ পাকিস্তানের ব্যাংক জাতীয়করণের অন্যতম কারণ ছিল বাংলাদেশ সৃষ্টির ফলে সম্পদের উৎস হারানো কুয়েতে ইরানের হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা, পাল্টা জবাব তেহরানের চট্টগ্রামের হোটেলে রহস্যজনক মৃত্যু, কক্ষে মিলল দম্পতির মরদেহ

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের নায়ক ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদ আর নেই

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নায়ক এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, প্রবীণ রাজনীতিক ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ সোমবার রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা তোফায়েল আহমেদ সোমবার বিকেল ৪টার দিকে স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

তিনি ১৯৭৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়ে ভোলা-১, ভোলা-২ এবং বাকেরগঞ্জ-১ আসন থেকে মোট আটবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এছাড়া তিনি বাণিজ্যমন্ত্রী এবং শিল্পমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

মৃত্যুকালে তিনি তাঁর একমাত্র কন্যা ডা. তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নিকে রেখে গেছেন। তাঁর স্ত্রী আনোয়ারা আহমেদ গত বছরের ২০ নভেম্বর মারা যান।

১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর জন্মগ্রহণকারী তোফায়েল আহমেদ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন এবং বাংলাদেশ লিবারেশন ফ্রন্টের অন্যতম নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলনের সমর্থনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ছাত্রনেতা হিসেবে পূর্ব পাকিস্তানের ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি ছিলেন।

এছাড়া ১৯৭৫ সালের পর তিনি ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, কুমিল্লা, বরিশাল, কুষ্টিয়া ও রাজশাহীর বিভিন্ন কারাগারে প্রায় পাঁচ বছর বন্দি ছিলেন।

একজন প্রবীণ সংসদ সদস্য হিসেবে জাতীয় বিভিন্ন ইস্যুতে সংসদীয় বিতর্কে তাঁর বক্তব্য সংসদ সদস্য ও সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা অর্জন করেছিল।

তিনি ১৯৯৬ সালের জুন থেকে ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০০১ সাল পর্যন্ত শিল্পমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ২০১৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত গৃহায়ন ও গণপূর্ত এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।

২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭০ সালে তোফায়েল আহমেদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিব ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের নায়ক ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদ আর নেই

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের নায়ক ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদ আর নেই

০৫:৪২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নায়ক এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, প্রবীণ রাজনীতিক ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ সোমবার রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা তোফায়েল আহমেদ সোমবার বিকেল ৪টার দিকে স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

তিনি ১৯৭৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়ে ভোলা-১, ভোলা-২ এবং বাকেরগঞ্জ-১ আসন থেকে মোট আটবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এছাড়া তিনি বাণিজ্যমন্ত্রী এবং শিল্পমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

মৃত্যুকালে তিনি তাঁর একমাত্র কন্যা ডা. তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নিকে রেখে গেছেন। তাঁর স্ত্রী আনোয়ারা আহমেদ গত বছরের ২০ নভেম্বর মারা যান।

১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর জন্মগ্রহণকারী তোফায়েল আহমেদ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন এবং বাংলাদেশ লিবারেশন ফ্রন্টের অন্যতম নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলনের সমর্থনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ছাত্রনেতা হিসেবে পূর্ব পাকিস্তানের ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি ছিলেন।

এছাড়া ১৯৭৫ সালের পর তিনি ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, কুমিল্লা, বরিশাল, কুষ্টিয়া ও রাজশাহীর বিভিন্ন কারাগারে প্রায় পাঁচ বছর বন্দি ছিলেন।

একজন প্রবীণ সংসদ সদস্য হিসেবে জাতীয় বিভিন্ন ইস্যুতে সংসদীয় বিতর্কে তাঁর বক্তব্য সংসদ সদস্য ও সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা অর্জন করেছিল।

তিনি ১৯৯৬ সালের জুন থেকে ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০০১ সাল পর্যন্ত শিল্পমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ২০১৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত গৃহায়ন ও গণপূর্ত এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।

২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭০ সালে তোফায়েল আহমেদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিব ছিলেন।