১০:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
সাংবিধানিক পরিবর্তন শুধু আইনের প্রশ্ন নয়, রাষ্ট্রের নৈতিক অঙ্গীকারও ইরান যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনার পরিচয় প্রকাশ, উত্তর ইরাকে ড্রোন নিষ্ক্রিয় করতে গিয়ে প্রাণ হারান সার্জেন্ট সুইন্টন ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩৩৮; জুলাইতেই প্রাণ গেল ২০ জন টানা বৃষ্টিতে মানিকগঞ্জে ২২২ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট, সবজির দামে চার গুণ পর্যন্ত ঊর্ধ্বগতি নাগেশ্বরীতে নদীভাঙনের তাণ্ডব: এক মাসে নদীগর্ভে ৩০০-এর বেশি ঘর, আতঙ্কে শত শত পরিবার বিশ্বকাপ শেষ, এবার ক্লাব ফুটবলে নজর: মেসি-এমবাপ্পে-ইয়ামালদের নতুন মৌসুমে কী অপেক্ষা করছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানত ফেরতে রোডম্যাপ চান গ্রাহকরা, ‘হেয়ারকাট’ বাতিলের গেজেট প্রকাশের দাবি রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে আটক দিল্লি পুলিশের, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের পথে কংগ্রেসের বিক্ষোভ যুক্তরাষ্ট্রের টানা ১০ম দফা হামলা, পাল্টা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র: হরমুজ ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র হুথিদের নতুন ঘোষণা: সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের নায়ক ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদ আর নেই

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নায়ক এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, প্রবীণ রাজনীতিক ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ সোমবার রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা তোফায়েল আহমেদ সোমবার বিকেল ৪টার দিকে স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

তিনি ১৯৭৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়ে ভোলা-১, ভোলা-২ এবং বাকেরগঞ্জ-১ আসন থেকে মোট আটবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এছাড়া তিনি বাণিজ্যমন্ত্রী এবং শিল্পমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

মৃত্যুকালে তিনি তাঁর একমাত্র কন্যা ডা. তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নিকে রেখে গেছেন। তাঁর স্ত্রী আনোয়ারা আহমেদ গত বছরের ২০ নভেম্বর মারা যান।

১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর জন্মগ্রহণকারী তোফায়েল আহমেদ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন এবং বাংলাদেশ লিবারেশন ফ্রন্টের অন্যতম নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলনের সমর্থনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ছাত্রনেতা হিসেবে পূর্ব পাকিস্তানের ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি ছিলেন।

এছাড়া ১৯৭৫ সালের পর তিনি ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, কুমিল্লা, বরিশাল, কুষ্টিয়া ও রাজশাহীর বিভিন্ন কারাগারে প্রায় পাঁচ বছর বন্দি ছিলেন।

একজন প্রবীণ সংসদ সদস্য হিসেবে জাতীয় বিভিন্ন ইস্যুতে সংসদীয় বিতর্কে তাঁর বক্তব্য সংসদ সদস্য ও সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা অর্জন করেছিল।

তিনি ১৯৯৬ সালের জুন থেকে ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০০১ সাল পর্যন্ত শিল্পমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ২০১৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত গৃহায়ন ও গণপূর্ত এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।

২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭০ সালে তোফায়েল আহমেদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিব ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবিধানিক পরিবর্তন শুধু আইনের প্রশ্ন নয়, রাষ্ট্রের নৈতিক অঙ্গীকারও

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের নায়ক ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদ আর নেই

০৫:৪২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নায়ক এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, প্রবীণ রাজনীতিক ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ সোমবার রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা তোফায়েল আহমেদ সোমবার বিকেল ৪টার দিকে স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

তিনি ১৯৭৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়ে ভোলা-১, ভোলা-২ এবং বাকেরগঞ্জ-১ আসন থেকে মোট আটবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এছাড়া তিনি বাণিজ্যমন্ত্রী এবং শিল্পমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

মৃত্যুকালে তিনি তাঁর একমাত্র কন্যা ডা. তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নিকে রেখে গেছেন। তাঁর স্ত্রী আনোয়ারা আহমেদ গত বছরের ২০ নভেম্বর মারা যান।

১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর জন্মগ্রহণকারী তোফায়েল আহমেদ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন এবং বাংলাদেশ লিবারেশন ফ্রন্টের অন্যতম নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলনের সমর্থনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ছাত্রনেতা হিসেবে পূর্ব পাকিস্তানের ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি ছিলেন।

এছাড়া ১৯৭৫ সালের পর তিনি ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, কুমিল্লা, বরিশাল, কুষ্টিয়া ও রাজশাহীর বিভিন্ন কারাগারে প্রায় পাঁচ বছর বন্দি ছিলেন।

একজন প্রবীণ সংসদ সদস্য হিসেবে জাতীয় বিভিন্ন ইস্যুতে সংসদীয় বিতর্কে তাঁর বক্তব্য সংসদ সদস্য ও সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা অর্জন করেছিল।

তিনি ১৯৯৬ সালের জুন থেকে ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০০১ সাল পর্যন্ত শিল্পমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ২০১৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত গৃহায়ন ও গণপূর্ত এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।

২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭০ সালে তোফায়েল আহমেদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিব ছিলেন।