আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের জানাজায় হাজার হাজার মানুষ অংশ নিয়েছেন।
মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটায় ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে মাঠে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এর আগে ভোলায় বিক্ষোভ করেছে ছাত্রদল ও যুবদলের বেশ কিছু নেতা-কর্মী।
ওই বিদ্যালয়ের মাঠে জানাজা না পড়ানো এবং আওয়ামী লীগের নেতারা যাতে জানাজায় অংশ না নেন সে দাবি করেছিল ওই নেতা-কর্মীরা।
তবে, বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা এসে ছাত্রদল ও যুবদলের কর্মীদের সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান।
স্থানীয় সাংবাদিকরা জানান, জানাজায় কয়েক হাজার মানুষ অংশ নিয়েছেন।
এই জানাজায় আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মী, বিএনপির নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশ নিয়েছেন।
এর আগে, দুপুর পৌনে বারোটায় ঢাকা থেকে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ হেলিকপ্টারে করে ভোলায় নিয়ে যাওয়া হয়।
পরে সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ভোলা সরকারি স্কুলের মাঠে নিয়ে যাওয়া হয় তার মরদেহ।
দুপুরে জানাজা শেষে সদর উপজেলার কোড়ালিয়া গ্রামে বাবা-মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হবে।
সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটায় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ৮১ বছর বয়সী তোফায়েল আহমেদ।
ষাটের দশকের ছাত্ররাজনীতির সেই উত্তাল সময়ে আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তোফায়েল আহমেদ হয়ে উঠেছিলেন উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান নেতা।
এরপর মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মি. আহমেদ স্বাধীন বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের একজন প্রভাবশালী নেতা হিসেবে দাপটের সঙ্গে রাজনীতিতে ছিলেন।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 

















