১০:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬
শুধু অনুদান নয়, টেকসই সংগীতশিল্প গড়তে বদলাতে হবে পুরো অর্থনৈতিক কাঠামো স্ট্রোক: প্রতিরোধ, দ্রুত চিকিৎসা ও দীর্ঘ পুনর্বাসনের এক অবিচ্ছিন্ন লড়াই চার শতাব্দী পর ফিরল প্রকৃতির হারানো সন্তান, গ্লেন অ্যাফ্রিকে জন্ম নিল বুনো বিভারের নতুন প্রজন্ম ‘সবাইকে হত্যা করতে হবে’— প্রতিশোধের নামে সহিংসতার পক্ষে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর উসকানি, আতঙ্কে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিরা এমঅ্যান্ডএসে খোলা-অংশের অন্তর্বাস বিক্রি ঘিরে বিতর্ক: ‘চমক’ নাকি বদলে যাওয়া বাজারের বাস্তবতা? প্রতিশোধের নামে হত্যার আহ্বান, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতির বাসিন্দার বিস্ফোরক মন্তব্যে নতুন বিতর্ক ট্রাম্পের নতুন নিশানায় ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’: ইরানের গোপন পারমাণবিক ঘাঁটি নিয়ে কেন বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা? ট্রাম্পের অভিযোগ ভেঙে পড়ল, আদালতে সরকারের স্বীকারোক্তি: ভাঙচুর নয়, তড়িঘড়ি মেরামতের ভুলেই ক্ষতিগ্রস্ত লিংকন রিফ্লেক্টিং পুল গোলাপি ডোরাকাটা রহস্যের অবসান: ৪০ বছরের অনুসন্ধানে মিলল সমুদ্রের নতুন শৈবাল প্রজাতি মৃত্যুর দিকে ছুটে চলা জীবনে থামার সময় কি এখনও আসেনি?

ভারতে দলিত শ্রমিককে উল্টো করে কূপে ঝুলিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ, হত্যাচেষ্টার মামলা

ভারতের হরিয়ানা রাজ্যে এক দলিত শ্রমিককে মোটর পাম্প চুরির সন্দেহে নির্মমভাবে মারধর এবং কূপে উল্টো করে ঝুলিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ হত্যাচেষ্টা, অবৈধভাবে আটকে রাখা এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে মামলা করেছে।

পথে যাওয়ার সময় হামলা

৩২ বছর বয়সী বারু নামে ওই ব্যক্তি একটি গ্রামে বসবাস করেন এবং পেশায় লোহার গেট ও দরজা তৈরির কাজ করেন। তার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১ জুন দুপুরে তিনি এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে যাওয়ার পথে অসুস্থ বোধ করলে একটি কৃষিজমির পাশে থামেন।

সেখানে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে ঘিরে ধরে মোটর পাম্প চুরির অভিযোগ তোলেন। বারুর দাবি, তিনি অভিযোগ অস্বীকার করলেও অভিযুক্তরা তার কথা শোনেননি এবং তাকে বেধড়ক মারধর শুরু করেন।

স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা

অভিযোগে বলা হয়েছে, হামলাকারীরা লাঠি, ঘুষি ও লাথি দিয়ে তাকে মারধর করে। এরপর তাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে একটি কূপে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখা হয়। এ সময় জোরপূর্বক চুরির কথা স্বীকার করানোর চেষ্টা করা হয়।

বারুর আরও অভিযোগ, নির্যাতনের পুরো ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়। পাশাপাশি বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

আতঙ্কে অভিযোগ করতে পারেননি

ঘটনার পর প্রাণভয়ে তিনি সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ বা অন্য কাউকে কিছু জানাননি। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কয়েক দিন পর তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি পুলিশের কাছে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেন।

তার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তদন্তে পুলিশ

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

হরিয়ানার এই ঘটনা আবারও দলিত সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সহিংসতা এবং সামাজিক বৈষম্যের প্রশ্নকে সামনে নিয়ে এসেছে। মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিয়ে কাজ করা মহলে ঘটনাটি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শুধু অনুদান নয়, টেকসই সংগীতশিল্প গড়তে বদলাতে হবে পুরো অর্থনৈতিক কাঠামো

ভারতে দলিত শ্রমিককে উল্টো করে কূপে ঝুলিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ, হত্যাচেষ্টার মামলা

০৮:১১:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

ভারতের হরিয়ানা রাজ্যে এক দলিত শ্রমিককে মোটর পাম্প চুরির সন্দেহে নির্মমভাবে মারধর এবং কূপে উল্টো করে ঝুলিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ হত্যাচেষ্টা, অবৈধভাবে আটকে রাখা এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে মামলা করেছে।

পথে যাওয়ার সময় হামলা

৩২ বছর বয়সী বারু নামে ওই ব্যক্তি একটি গ্রামে বসবাস করেন এবং পেশায় লোহার গেট ও দরজা তৈরির কাজ করেন। তার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১ জুন দুপুরে তিনি এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে যাওয়ার পথে অসুস্থ বোধ করলে একটি কৃষিজমির পাশে থামেন।

সেখানে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে ঘিরে ধরে মোটর পাম্প চুরির অভিযোগ তোলেন। বারুর দাবি, তিনি অভিযোগ অস্বীকার করলেও অভিযুক্তরা তার কথা শোনেননি এবং তাকে বেধড়ক মারধর শুরু করেন।

স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা

অভিযোগে বলা হয়েছে, হামলাকারীরা লাঠি, ঘুষি ও লাথি দিয়ে তাকে মারধর করে। এরপর তাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে একটি কূপে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখা হয়। এ সময় জোরপূর্বক চুরির কথা স্বীকার করানোর চেষ্টা করা হয়।

বারুর আরও অভিযোগ, নির্যাতনের পুরো ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়। পাশাপাশি বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

আতঙ্কে অভিযোগ করতে পারেননি

ঘটনার পর প্রাণভয়ে তিনি সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ বা অন্য কাউকে কিছু জানাননি। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কয়েক দিন পর তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি পুলিশের কাছে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেন।

তার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তদন্তে পুলিশ

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

হরিয়ানার এই ঘটনা আবারও দলিত সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সহিংসতা এবং সামাজিক বৈষম্যের প্রশ্নকে সামনে নিয়ে এসেছে। মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিয়ে কাজ করা মহলে ঘটনাটি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।