০৮:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬
স্ট্রোক: প্রতিরোধ, দ্রুত চিকিৎসা ও দীর্ঘ পুনর্বাসনের এক অবিচ্ছিন্ন লড়াই চার শতাব্দী পর ফিরল প্রকৃতির হারানো সন্তান, গ্লেন অ্যাফ্রিকে জন্ম নিল বুনো বিভারের নতুন প্রজন্ম ‘সবাইকে হত্যা করতে হবে’— প্রতিশোধের নামে সহিংসতার পক্ষে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর উসকানি, আতঙ্কে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিরা এমঅ্যান্ডএসে খোলা-অংশের অন্তর্বাস বিক্রি ঘিরে বিতর্ক: ‘চমক’ নাকি বদলে যাওয়া বাজারের বাস্তবতা? প্রতিশোধের নামে হত্যার আহ্বান, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতির বাসিন্দার বিস্ফোরক মন্তব্যে নতুন বিতর্ক ট্রাম্পের নতুন নিশানায় ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’: ইরানের গোপন পারমাণবিক ঘাঁটি নিয়ে কেন বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা? ট্রাম্পের অভিযোগ ভেঙে পড়ল, আদালতে সরকারের স্বীকারোক্তি: ভাঙচুর নয়, তড়িঘড়ি মেরামতের ভুলেই ক্ষতিগ্রস্ত লিংকন রিফ্লেক্টিং পুল গোলাপি ডোরাকাটা রহস্যের অবসান: ৪০ বছরের অনুসন্ধানে মিলল সমুদ্রের নতুন শৈবাল প্রজাতি মৃত্যুর দিকে ছুটে চলা জীবনে থামার সময় কি এখনও আসেনি? প্যাক্স সিলিকা: কর্মসংস্থান নাকি নতুন নির্ভরতা? ফিলিপাইনের সামনে সুযোগের পাশাপাশি বড় ঝুঁকির সতর্কবার্তা

হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা, জাহাজ চলাচল লক্ষ্য করে পাঠানো দুই ইরানি ড্রোন ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হুমকি তৈরি করছিল এমন দুটি ইরানি ড্রোন তারা ধ্বংস করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ড্রোন দুটি হরমুজ প্রণালির আকাশসীমায় সক্রিয় ছিল এবং সেগুলো আন্তর্জাতিক নৌপথে চলাচলকারী জাহাজের নিরাপত্তার জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকি তৈরি করছিল। পরিস্থিতি মূল্যায়নের পর মার্কিন বাহিনী প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ড্রোন দুটি ভূপাতিত করে।

কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ দিয়ে প্রতিদিন বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল ও জ্বালানি পণ্য পরিবহন করা হয়। ফলে হরমুজ প্রণালিতে যেকোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি আন্তর্জাতিক বাজার ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ছে

মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে অঞ্চলে ড্রোন ও অন্যান্য সামরিক কার্যক্রম বৃদ্ধি পাওয়ায় নৌ-নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। তাদের দাবি, ধ্বংস করা ড্রোন দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণ বা লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণের কাজে ব্যবহৃত হতে পারত।

যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে উপসাগরীয় অঞ্চলে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলে আসছে। এ ঘটনার পরও তারা ওই অঞ্চলে তাদের নজরদারি ও নিরাপত্তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব

ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী হরমুজ প্রণালি বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ করিডর। মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর রপ্তানির বড় অংশ এই পথ ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। তাই হরমুজ প্রণালিতে যেকোনো নিরাপত্তা ঘটনা আন্তর্জাতিকভাবে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

এ ঘটনার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ইরানের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে অঞ্চলটিতে সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ট্রোক: প্রতিরোধ, দ্রুত চিকিৎসা ও দীর্ঘ পুনর্বাসনের এক অবিচ্ছিন্ন লড়াই

হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা, জাহাজ চলাচল লক্ষ্য করে পাঠানো দুই ইরানি ড্রোন ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

০১:৪৭:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হুমকি তৈরি করছিল এমন দুটি ইরানি ড্রোন তারা ধ্বংস করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ড্রোন দুটি হরমুজ প্রণালির আকাশসীমায় সক্রিয় ছিল এবং সেগুলো আন্তর্জাতিক নৌপথে চলাচলকারী জাহাজের নিরাপত্তার জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকি তৈরি করছিল। পরিস্থিতি মূল্যায়নের পর মার্কিন বাহিনী প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ড্রোন দুটি ভূপাতিত করে।

কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ দিয়ে প্রতিদিন বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল ও জ্বালানি পণ্য পরিবহন করা হয়। ফলে হরমুজ প্রণালিতে যেকোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি আন্তর্জাতিক বাজার ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ছে

মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে অঞ্চলে ড্রোন ও অন্যান্য সামরিক কার্যক্রম বৃদ্ধি পাওয়ায় নৌ-নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। তাদের দাবি, ধ্বংস করা ড্রোন দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণ বা লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণের কাজে ব্যবহৃত হতে পারত।

যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে উপসাগরীয় অঞ্চলে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলে আসছে। এ ঘটনার পরও তারা ওই অঞ্চলে তাদের নজরদারি ও নিরাপত্তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব

ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী হরমুজ প্রণালি বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ করিডর। মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর রপ্তানির বড় অংশ এই পথ ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। তাই হরমুজ প্রণালিতে যেকোনো নিরাপত্তা ঘটনা আন্তর্জাতিকভাবে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

এ ঘটনার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ইরানের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে অঞ্চলটিতে সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।