০৪:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়াতে হলে কৌশলগত আমদানির পথও খুলতে হবে যুদ্ধের ভাষার আড়ালে কূটনীতির শেষ দরজা টিকটক শপে চারুকলা: শিল্পবাজার বদলের শুরু, নাকি ব্যর্থ এক পরীক্ষা? নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ভারত এগিয়ে, কিন্তু বিদ্যুৎ গ্রিডে বাড়ছে চাপ প্রজ্ঞাপন জারি: জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাস-মিনিবাসের ভাড়া কিলোমিটারে ১৭ পয়সা বৃদ্ধি ২০ তলা থেকে সাইকেলসহ নানা জিনিস ছুড়ে দিলেন ব্যক্তি, ৬ ঘণ্টার পুলিশি অভিযানে আটক চাঁদের আলোয় সায়েন্স সেন্টারে এক রাতের নাচ-গান, সিঙ্গাপুরে ‘মুনবিটস: আফটারডার্ক’ একা থাকা ৭২ বছরের বৃদ্ধের মৃত্যু, দরজার নিচ দিয়ে রক্ত গড়িয়ে আসতেই মিলল মরদেহ টোকিওর কাছে টাইফুন দুজুয়ানের আঘাত, নিহত ৯, নিখোঁজ ৪ এল নিনোর তাপে ভারতে ফেব্রুয়ারির মধ্যে ১৫ হাজার ৮০০ মৃত্যুর শঙ্কা

জোহর নির্বাচনে আমানত হারাতে না দেওয়াই লক্ষ্য, বললেন রাফিজি

মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্য নির্বাচনের আগে নতুন রাজনৈতিক দল বেরসামা তাদের প্রার্থীদের জন্য একটি বাস্তবসম্মত লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। দলটির লক্ষ্য হলো আসন্ন নির্বাচনে কোনো প্রার্থী যেন ভোটের ন্যূনতম সীমা পূরণে ব্যর্থ হয়ে নির্বাচনী আমানত না হারান।

দলের বর্তমান নেতৃত্বের অন্যতম মুখ ও সাবেক অর্থনীতিমন্ত্রী রাফিজি রামলি বলেছেন, দলটির নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব নেওয়ার পর খুব অল্প সময় পেরিয়েছে। মাত্র তিন সপ্তাহ আগে নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব গ্রহণ করায় বড় ধরনের সাফল্যের প্রত্যাশা না করে সংগঠনকে শক্তিশালী করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।

রাফিজির মতে, এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রার্থীদের আমানত ধরে রাখতে পারাই দলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি বলেন, নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জনগণের কাছে নিজেদের পরিচিত করা এবং সমর্থন তৈরি করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

নতুন দলের সামনে কঠিন পরীক্ষা

জোহর নির্বাচনকে বেরসামার জন্য প্রথম বড় রাজনৈতিক পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন নেতৃত্বের অধীনে দলটি নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে এবং ভোটারদের আস্থা অর্জনে কাজ করছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন দলগুলোর জন্য প্রথম নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল অর্জন করা কঠিন হয়ে থাকে। তবে ভোটের মাধ্যমে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়া এবং ভবিষ্যতের জন্য ভিত্তি তৈরি করা অনেক সময় বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

সংগঠন শক্তিশালী করার চেষ্টা

দলটির নেতারা মনে করছেন, নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, মাঠপর্যায়ে সংগঠন গড়ে তোলা এবং দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক উপস্থিতি নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সে কারণে তারা ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে সমর্থন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।

জোহর নির্বাচন তাই শুধু আসন জয়ের লড়াই নয়, বরং বেরসামার রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা যাচাইয়েরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে উঠেছে। নতুন নেতৃত্বের অধীনে দলটি কতটা জনসমর্থন পায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়াতে হলে কৌশলগত আমদানির পথও খুলতে হবে

জোহর নির্বাচনে আমানত হারাতে না দেওয়াই লক্ষ্য, বললেন রাফিজি

০৩:২১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্য নির্বাচনের আগে নতুন রাজনৈতিক দল বেরসামা তাদের প্রার্থীদের জন্য একটি বাস্তবসম্মত লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। দলটির লক্ষ্য হলো আসন্ন নির্বাচনে কোনো প্রার্থী যেন ভোটের ন্যূনতম সীমা পূরণে ব্যর্থ হয়ে নির্বাচনী আমানত না হারান।

দলের বর্তমান নেতৃত্বের অন্যতম মুখ ও সাবেক অর্থনীতিমন্ত্রী রাফিজি রামলি বলেছেন, দলটির নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব নেওয়ার পর খুব অল্প সময় পেরিয়েছে। মাত্র তিন সপ্তাহ আগে নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব গ্রহণ করায় বড় ধরনের সাফল্যের প্রত্যাশা না করে সংগঠনকে শক্তিশালী করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।

রাফিজির মতে, এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রার্থীদের আমানত ধরে রাখতে পারাই দলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি বলেন, নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জনগণের কাছে নিজেদের পরিচিত করা এবং সমর্থন তৈরি করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

নতুন দলের সামনে কঠিন পরীক্ষা

জোহর নির্বাচনকে বেরসামার জন্য প্রথম বড় রাজনৈতিক পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন নেতৃত্বের অধীনে দলটি নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে এবং ভোটারদের আস্থা অর্জনে কাজ করছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন দলগুলোর জন্য প্রথম নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল অর্জন করা কঠিন হয়ে থাকে। তবে ভোটের মাধ্যমে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়া এবং ভবিষ্যতের জন্য ভিত্তি তৈরি করা অনেক সময় বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

সংগঠন শক্তিশালী করার চেষ্টা

দলটির নেতারা মনে করছেন, নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, মাঠপর্যায়ে সংগঠন গড়ে তোলা এবং দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক উপস্থিতি নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সে কারণে তারা ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে সমর্থন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।

জোহর নির্বাচন তাই শুধু আসন জয়ের লড়াই নয়, বরং বেরসামার রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা যাচাইয়েরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে উঠেছে। নতুন নেতৃত্বের অধীনে দলটি কতটা জনসমর্থন পায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।