০৮:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬
স্ট্রোক: প্রতিরোধ, দ্রুত চিকিৎসা ও দীর্ঘ পুনর্বাসনের এক অবিচ্ছিন্ন লড়াই চার শতাব্দী পর ফিরল প্রকৃতির হারানো সন্তান, গ্লেন অ্যাফ্রিকে জন্ম নিল বুনো বিভারের নতুন প্রজন্ম ‘সবাইকে হত্যা করতে হবে’— প্রতিশোধের নামে সহিংসতার পক্ষে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর উসকানি, আতঙ্কে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিরা এমঅ্যান্ডএসে খোলা-অংশের অন্তর্বাস বিক্রি ঘিরে বিতর্ক: ‘চমক’ নাকি বদলে যাওয়া বাজারের বাস্তবতা? প্রতিশোধের নামে হত্যার আহ্বান, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতির বাসিন্দার বিস্ফোরক মন্তব্যে নতুন বিতর্ক ট্রাম্পের নতুন নিশানায় ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’: ইরানের গোপন পারমাণবিক ঘাঁটি নিয়ে কেন বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা? ট্রাম্পের অভিযোগ ভেঙে পড়ল, আদালতে সরকারের স্বীকারোক্তি: ভাঙচুর নয়, তড়িঘড়ি মেরামতের ভুলেই ক্ষতিগ্রস্ত লিংকন রিফ্লেক্টিং পুল গোলাপি ডোরাকাটা রহস্যের অবসান: ৪০ বছরের অনুসন্ধানে মিলল সমুদ্রের নতুন শৈবাল প্রজাতি মৃত্যুর দিকে ছুটে চলা জীবনে থামার সময় কি এখনও আসেনি? প্যাক্স সিলিকা: কর্মসংস্থান নাকি নতুন নির্ভরতা? ফিলিপাইনের সামনে সুযোগের পাশাপাশি বড় ঝুঁকির সতর্কবার্তা

জোহর নির্বাচনে আমানত হারাতে না দেওয়াই লক্ষ্য, বললেন রাফিজি

মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্য নির্বাচনের আগে নতুন রাজনৈতিক দল বেরসামা তাদের প্রার্থীদের জন্য একটি বাস্তবসম্মত লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। দলটির লক্ষ্য হলো আসন্ন নির্বাচনে কোনো প্রার্থী যেন ভোটের ন্যূনতম সীমা পূরণে ব্যর্থ হয়ে নির্বাচনী আমানত না হারান।

দলের বর্তমান নেতৃত্বের অন্যতম মুখ ও সাবেক অর্থনীতিমন্ত্রী রাফিজি রামলি বলেছেন, দলটির নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব নেওয়ার পর খুব অল্প সময় পেরিয়েছে। মাত্র তিন সপ্তাহ আগে নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব গ্রহণ করায় বড় ধরনের সাফল্যের প্রত্যাশা না করে সংগঠনকে শক্তিশালী করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।

রাফিজির মতে, এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রার্থীদের আমানত ধরে রাখতে পারাই দলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি বলেন, নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জনগণের কাছে নিজেদের পরিচিত করা এবং সমর্থন তৈরি করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

নতুন দলের সামনে কঠিন পরীক্ষা

জোহর নির্বাচনকে বেরসামার জন্য প্রথম বড় রাজনৈতিক পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন নেতৃত্বের অধীনে দলটি নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে এবং ভোটারদের আস্থা অর্জনে কাজ করছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন দলগুলোর জন্য প্রথম নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল অর্জন করা কঠিন হয়ে থাকে। তবে ভোটের মাধ্যমে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়া এবং ভবিষ্যতের জন্য ভিত্তি তৈরি করা অনেক সময় বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

সংগঠন শক্তিশালী করার চেষ্টা

দলটির নেতারা মনে করছেন, নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, মাঠপর্যায়ে সংগঠন গড়ে তোলা এবং দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক উপস্থিতি নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সে কারণে তারা ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে সমর্থন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।

জোহর নির্বাচন তাই শুধু আসন জয়ের লড়াই নয়, বরং বেরসামার রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা যাচাইয়েরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে উঠেছে। নতুন নেতৃত্বের অধীনে দলটি কতটা জনসমর্থন পায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ট্রোক: প্রতিরোধ, দ্রুত চিকিৎসা ও দীর্ঘ পুনর্বাসনের এক অবিচ্ছিন্ন লড়াই

জোহর নির্বাচনে আমানত হারাতে না দেওয়াই লক্ষ্য, বললেন রাফিজি

০৩:২১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্য নির্বাচনের আগে নতুন রাজনৈতিক দল বেরসামা তাদের প্রার্থীদের জন্য একটি বাস্তবসম্মত লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। দলটির লক্ষ্য হলো আসন্ন নির্বাচনে কোনো প্রার্থী যেন ভোটের ন্যূনতম সীমা পূরণে ব্যর্থ হয়ে নির্বাচনী আমানত না হারান।

দলের বর্তমান নেতৃত্বের অন্যতম মুখ ও সাবেক অর্থনীতিমন্ত্রী রাফিজি রামলি বলেছেন, দলটির নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব নেওয়ার পর খুব অল্প সময় পেরিয়েছে। মাত্র তিন সপ্তাহ আগে নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব গ্রহণ করায় বড় ধরনের সাফল্যের প্রত্যাশা না করে সংগঠনকে শক্তিশালী করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।

রাফিজির মতে, এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রার্থীদের আমানত ধরে রাখতে পারাই দলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি বলেন, নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জনগণের কাছে নিজেদের পরিচিত করা এবং সমর্থন তৈরি করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

নতুন দলের সামনে কঠিন পরীক্ষা

জোহর নির্বাচনকে বেরসামার জন্য প্রথম বড় রাজনৈতিক পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন নেতৃত্বের অধীনে দলটি নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে এবং ভোটারদের আস্থা অর্জনে কাজ করছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন দলগুলোর জন্য প্রথম নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল অর্জন করা কঠিন হয়ে থাকে। তবে ভোটের মাধ্যমে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়া এবং ভবিষ্যতের জন্য ভিত্তি তৈরি করা অনেক সময় বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

সংগঠন শক্তিশালী করার চেষ্টা

দলটির নেতারা মনে করছেন, নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, মাঠপর্যায়ে সংগঠন গড়ে তোলা এবং দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক উপস্থিতি নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সে কারণে তারা ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে সমর্থন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।

জোহর নির্বাচন তাই শুধু আসন জয়ের লড়াই নয়, বরং বেরসামার রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা যাচাইয়েরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে উঠেছে। নতুন নেতৃত্বের অধীনে দলটি কতটা জনসমর্থন পায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।