০৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬
চীনের ক্ষমতার কেন্দ্রে বিজ্ঞানীদের উত্থান, প্রযুক্তি প্রতিযোগিতায় বদলে যাচ্ছে নেতৃত্বের চেহারা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ কবে শুরু হবে, খেলার সময়, কোন দেশে কোন খেলা সহ অন্যান্য প্রশ্ন শিশু রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত চীনের প্রযুক্তি উত্থানের আড়ালে পিছিয়ে পড়ছে ছোট শহরগুলো জাপানে যৌনবাণিজ্য নিয়ে নতুন বিতর্ক, পর্যটকদের উপস্থিতিতে বাড়ছে নজরদারির চাপ দক্ষিণ কোরিয়ার জাহাজশিল্পে বিদেশি শ্রমিকের ভরসা, কিন্তু বাড়ছে স্থানীয়দের উদ্বেগ রাজশাহীতে নারী ধর্ষণের অভিযোগে বিএনপির ৫ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ১ লুইস এনরিকে: চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মহাতারকাদের কাতারে, তবু পিএসজি অধ্যায় নিয়ে রয়ে গেছে বিতর্ক বোটক্স থেকে লেজার: সেলুনে ঝুঁকিপূর্ণ সৌন্দর্য চিকিৎসা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ টিউনার: পিয়ানো সুর থেকে সিন্দুক ভাঙা, এক ব্যতিক্রমী অপরাধ-রোমাঞ্চের গল্প

জোহর নির্বাচনে আমানত হারাতে না দেওয়াই লক্ষ্য, বললেন রাফিজি

মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্য নির্বাচনের আগে নতুন রাজনৈতিক দল বেরসামা তাদের প্রার্থীদের জন্য একটি বাস্তবসম্মত লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। দলটির লক্ষ্য হলো আসন্ন নির্বাচনে কোনো প্রার্থী যেন ভোটের ন্যূনতম সীমা পূরণে ব্যর্থ হয়ে নির্বাচনী আমানত না হারান।

দলের বর্তমান নেতৃত্বের অন্যতম মুখ ও সাবেক অর্থনীতিমন্ত্রী রাফিজি রামলি বলেছেন, দলটির নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব নেওয়ার পর খুব অল্প সময় পেরিয়েছে। মাত্র তিন সপ্তাহ আগে নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব গ্রহণ করায় বড় ধরনের সাফল্যের প্রত্যাশা না করে সংগঠনকে শক্তিশালী করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।

রাফিজির মতে, এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রার্থীদের আমানত ধরে রাখতে পারাই দলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি বলেন, নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জনগণের কাছে নিজেদের পরিচিত করা এবং সমর্থন তৈরি করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

নতুন দলের সামনে কঠিন পরীক্ষা

জোহর নির্বাচনকে বেরসামার জন্য প্রথম বড় রাজনৈতিক পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন নেতৃত্বের অধীনে দলটি নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে এবং ভোটারদের আস্থা অর্জনে কাজ করছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন দলগুলোর জন্য প্রথম নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল অর্জন করা কঠিন হয়ে থাকে। তবে ভোটের মাধ্যমে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়া এবং ভবিষ্যতের জন্য ভিত্তি তৈরি করা অনেক সময় বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

সংগঠন শক্তিশালী করার চেষ্টা

দলটির নেতারা মনে করছেন, নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, মাঠপর্যায়ে সংগঠন গড়ে তোলা এবং দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক উপস্থিতি নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সে কারণে তারা ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে সমর্থন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।

জোহর নির্বাচন তাই শুধু আসন জয়ের লড়াই নয়, বরং বেরসামার রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা যাচাইয়েরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে উঠেছে। নতুন নেতৃত্বের অধীনে দলটি কতটা জনসমর্থন পায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের ক্ষমতার কেন্দ্রে বিজ্ঞানীদের উত্থান, প্রযুক্তি প্রতিযোগিতায় বদলে যাচ্ছে নেতৃত্বের চেহারা

জোহর নির্বাচনে আমানত হারাতে না দেওয়াই লক্ষ্য, বললেন রাফিজি

০৩:২১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্য নির্বাচনের আগে নতুন রাজনৈতিক দল বেরসামা তাদের প্রার্থীদের জন্য একটি বাস্তবসম্মত লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। দলটির লক্ষ্য হলো আসন্ন নির্বাচনে কোনো প্রার্থী যেন ভোটের ন্যূনতম সীমা পূরণে ব্যর্থ হয়ে নির্বাচনী আমানত না হারান।

দলের বর্তমান নেতৃত্বের অন্যতম মুখ ও সাবেক অর্থনীতিমন্ত্রী রাফিজি রামলি বলেছেন, দলটির নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব নেওয়ার পর খুব অল্প সময় পেরিয়েছে। মাত্র তিন সপ্তাহ আগে নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব গ্রহণ করায় বড় ধরনের সাফল্যের প্রত্যাশা না করে সংগঠনকে শক্তিশালী করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।

রাফিজির মতে, এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রার্থীদের আমানত ধরে রাখতে পারাই দলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি বলেন, নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জনগণের কাছে নিজেদের পরিচিত করা এবং সমর্থন তৈরি করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

নতুন দলের সামনে কঠিন পরীক্ষা

জোহর নির্বাচনকে বেরসামার জন্য প্রথম বড় রাজনৈতিক পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন নেতৃত্বের অধীনে দলটি নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে এবং ভোটারদের আস্থা অর্জনে কাজ করছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন দলগুলোর জন্য প্রথম নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল অর্জন করা কঠিন হয়ে থাকে। তবে ভোটের মাধ্যমে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়া এবং ভবিষ্যতের জন্য ভিত্তি তৈরি করা অনেক সময় বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

সংগঠন শক্তিশালী করার চেষ্টা

দলটির নেতারা মনে করছেন, নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, মাঠপর্যায়ে সংগঠন গড়ে তোলা এবং দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক উপস্থিতি নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সে কারণে তারা ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে সমর্থন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।

জোহর নির্বাচন তাই শুধু আসন জয়ের লড়াই নয়, বরং বেরসামার রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা যাচাইয়েরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে উঠেছে। নতুন নেতৃত্বের অধীনে দলটি কতটা জনসমর্থন পায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।