১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬
চার শতাব্দী পর ফিরল প্রকৃতির হারানো সন্তান, গ্লেন অ্যাফ্রিকে জন্ম নিল বুনো বিভারের নতুন প্রজন্ম ‘সবাইকে হত্যা করতে হবে’— প্রতিশোধের নামে সহিংসতার পক্ষে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর উসকানি, আতঙ্কে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিরা এমঅ্যান্ডএসে খোলা-অংশের অন্তর্বাস বিক্রি ঘিরে বিতর্ক: ‘চমক’ নাকি বদলে যাওয়া বাজারের বাস্তবতা? প্রতিশোধের নামে হত্যার আহ্বান, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতির বাসিন্দার বিস্ফোরক মন্তব্যে নতুন বিতর্ক ট্রাম্পের নতুন নিশানায় ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’: ইরানের গোপন পারমাণবিক ঘাঁটি নিয়ে কেন বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা? ট্রাম্পের অভিযোগ ভেঙে পড়ল, আদালতে সরকারের স্বীকারোক্তি: ভাঙচুর নয়, তড়িঘড়ি মেরামতের ভুলেই ক্ষতিগ্রস্ত লিংকন রিফ্লেক্টিং পুল গোলাপি ডোরাকাটা রহস্যের অবসান: ৪০ বছরের অনুসন্ধানে মিলল সমুদ্রের নতুন শৈবাল প্রজাতি মৃত্যুর দিকে ছুটে চলা জীবনে থামার সময় কি এখনও আসেনি? প্যাক্স সিলিকা: কর্মসংস্থান নাকি নতুন নির্ভরতা? ফিলিপাইনের সামনে সুযোগের পাশাপাশি বড় ঝুঁকির সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গরের ঢাকা সফর শেষ, বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার

সমুদ্রে উদ্ধার অভিযানে নতুন যুগ, মার্কিন বাহিনীর সদস্যদের বাঁচাল চালকবিহীন নৌযান

মধ্যপ্রাচ্যে গুলি করে ভূপাতিত করা একটি সামরিক হেলিকপ্টারের দুই ক্রুকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করেছে একটি চালকবিহীন নৌযান। এই ঘটনাকে সমুদ্রে উদ্ধার অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ এটি প্রথমবারের মতো মার্কিন বাহিনীর কোনো স্বয়ংক্রিয় নৌযান মানুষের জীবন রক্ষার কাজে সফলভাবে ব্যবহৃত হলো।

উদ্ধার অভিযানে ব্যবহৃত নৌযানটির নাম ‘করসেয়ার’। প্রায় ২৪ ফুট দীর্ঘ এই নৌযান সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত হতে পারে। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠে চলাচলকারী এমন এক ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর যান, যা মানুষের উপস্থিতি ছাড়াই নির্ধারিত কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম।

নৌযুদ্ধের নতুন বাস্তবতা

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সমুদ্রভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বেড়েছে। এর অংশ হিসেবে ২০২১ সালে বিশেষ একটি ইউনিট গঠন করা হয়, যার মূল লক্ষ্য ছিল চালকবিহীন সামুদ্রিক ব্যবস্থার উন্নয়ন ও ব্যবহার বৃদ্ধি। মধ্যপ্রাচ্যে সম্প্রতি করসেয়ার মোতায়েনের মাধ্যমে এই উদ্যোগ নতুন মাত্রা পায়।

What is the sea drone that rescued US helicopter crew? | The Business  Standard

বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক নৌযুদ্ধে শুধু যুদ্ধজাহাজ নয়, স্বয়ংক্রিয় নৌযানও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এগুলো নজরদারি, তথ্য সংগ্রহ, শত্রুপক্ষের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং উদ্ধার অভিযানে কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

পানির ওপরে ও নিচে প্রযুক্তির বিস্তার

শুধু সমুদ্রপৃষ্ঠেই নয়, পানির নিচেও বিভিন্ন ধরনের চালকবিহীন যান ব্যবহৃত হচ্ছে। এসব প্রযুক্তি সামরিক বাহিনীকে পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেয়। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মানবজীবনের ঝুঁকি কমাতে এসব ব্যবস্থার গুরুত্ব বাড়ছে।

কম খরচে বেশি সক্ষমতা

স্বয়ংক্রিয় নৌযানের অন্যতম বড় সুবিধা হলো তুলনামূলক কম খরচে বিস্তৃত এলাকায় নজরদারি ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করা। ভবিষ্যতে শত শত এমন নৌযান মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে। যদিও প্রযুক্তিটি এখনও উন্নয়নের পর্যায়ে রয়েছে এবং বিভিন্ন কারিগরি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে, তবুও এর সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী সামরিক বিশ্লেষকেরা।

US Navy uses drone boat to rescue Apache pilots who crashed near Strait of  Hormuz

যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকারিতার প্রমাণ

বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতে চালকবিহীন নৌযানের কার্যকারিতা ইতোমধ্যে আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে সামুদ্রিক অভিযানে এসব প্রযুক্তি যুদ্ধজাহাজের বিকল্প নয়, বরং শক্তিশালী সহায়ক হিসেবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করছে। সাম্প্রতিক উদ্ধার অভিযান সেই সম্ভাবনাকেই আরও জোরালোভাবে সামনে নিয়ে এসেছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

চার শতাব্দী পর ফিরল প্রকৃতির হারানো সন্তান, গ্লেন অ্যাফ্রিকে জন্ম নিল বুনো বিভারের নতুন প্রজন্ম

সমুদ্রে উদ্ধার অভিযানে নতুন যুগ, মার্কিন বাহিনীর সদস্যদের বাঁচাল চালকবিহীন নৌযান

১২:০২:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে গুলি করে ভূপাতিত করা একটি সামরিক হেলিকপ্টারের দুই ক্রুকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করেছে একটি চালকবিহীন নৌযান। এই ঘটনাকে সমুদ্রে উদ্ধার অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ এটি প্রথমবারের মতো মার্কিন বাহিনীর কোনো স্বয়ংক্রিয় নৌযান মানুষের জীবন রক্ষার কাজে সফলভাবে ব্যবহৃত হলো।

উদ্ধার অভিযানে ব্যবহৃত নৌযানটির নাম ‘করসেয়ার’। প্রায় ২৪ ফুট দীর্ঘ এই নৌযান সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত হতে পারে। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠে চলাচলকারী এমন এক ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর যান, যা মানুষের উপস্থিতি ছাড়াই নির্ধারিত কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম।

নৌযুদ্ধের নতুন বাস্তবতা

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সমুদ্রভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বেড়েছে। এর অংশ হিসেবে ২০২১ সালে বিশেষ একটি ইউনিট গঠন করা হয়, যার মূল লক্ষ্য ছিল চালকবিহীন সামুদ্রিক ব্যবস্থার উন্নয়ন ও ব্যবহার বৃদ্ধি। মধ্যপ্রাচ্যে সম্প্রতি করসেয়ার মোতায়েনের মাধ্যমে এই উদ্যোগ নতুন মাত্রা পায়।

What is the sea drone that rescued US helicopter crew? | The Business  Standard

বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক নৌযুদ্ধে শুধু যুদ্ধজাহাজ নয়, স্বয়ংক্রিয় নৌযানও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এগুলো নজরদারি, তথ্য সংগ্রহ, শত্রুপক্ষের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং উদ্ধার অভিযানে কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

পানির ওপরে ও নিচে প্রযুক্তির বিস্তার

শুধু সমুদ্রপৃষ্ঠেই নয়, পানির নিচেও বিভিন্ন ধরনের চালকবিহীন যান ব্যবহৃত হচ্ছে। এসব প্রযুক্তি সামরিক বাহিনীকে পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেয়। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মানবজীবনের ঝুঁকি কমাতে এসব ব্যবস্থার গুরুত্ব বাড়ছে।

কম খরচে বেশি সক্ষমতা

স্বয়ংক্রিয় নৌযানের অন্যতম বড় সুবিধা হলো তুলনামূলক কম খরচে বিস্তৃত এলাকায় নজরদারি ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করা। ভবিষ্যতে শত শত এমন নৌযান মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে। যদিও প্রযুক্তিটি এখনও উন্নয়নের পর্যায়ে রয়েছে এবং বিভিন্ন কারিগরি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে, তবুও এর সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী সামরিক বিশ্লেষকেরা।

US Navy uses drone boat to rescue Apache pilots who crashed near Strait of  Hormuz

যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকারিতার প্রমাণ

বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতে চালকবিহীন নৌযানের কার্যকারিতা ইতোমধ্যে আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে সামুদ্রিক অভিযানে এসব প্রযুক্তি যুদ্ধজাহাজের বিকল্প নয়, বরং শক্তিশালী সহায়ক হিসেবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করছে। সাম্প্রতিক উদ্ধার অভিযান সেই সম্ভাবনাকেই আরও জোরালোভাবে সামনে নিয়ে এসেছে।