পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের দায়ের করা ১০ বিলিয়ন রুপির মানহানি মামলাকে ঘিরে আবারও আলোচনায় এসেছে দেশটির রাজনীতি। এই মামলায় পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পুনর্বিবেচনা আবেদনের ওপর বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করবে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট।
বুধবার প্রকাশিত আদালতের কার্যতালিকা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় সংরক্ষিত এই রায় ঘোষণা করা হবে। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও আইন মহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
কী নিয়ে এই মামলা

শেহবাজ শরিফের করা মানহানি মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে লাহোরের একটি বিচারিক আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ইমরান খান শেহবাজ শরিফের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা অভিযোগ এনেছিলেন, যা তার সুনাম ক্ষুণ্ন করেছে।
এর আগে মামলার শুনানির এক পর্যায়ে ইমরান খানের আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার বাতিল করা হয়। পরে এই সিদ্ধান্ত বহাল রাখে লাহোর হাইকোর্ট।
পুনর্বিবেচনা আবেদন কেন
লাহোর হাইকোর্টের সেই আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে পুনর্বিবেচনা আবেদন করেন ইমরান খান। তিনি আদালতের কাছে তার আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার পুনর্বহালের আবেদন জানান।
তিন সদস্যের একটি বেঞ্চ এ বিষয়ে শুনানি গ্রহণ করে। বেঞ্চের নেতৃত্বে ছিলেন বিচারপতি আয়েশা এ মালিক। অন্য সদস্য ছিলেন বিচারপতি হাশিম খান কাকার এবং বিচারপতি ইশতিয়াক ইব্রাহিম।

গত ৮ এপ্রিল শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণা না করে তা সংরক্ষণ করে রাখে।
রাজনৈতিক গুরুত্ব
ইমরান খান ও শেহবাজ শরিফ পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতার দুই গুরুত্বপূর্ণ নাম। ফলে এই মামলার আইনি ফলাফল শুধু আদালতকক্ষেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
এখন সবার নজর বৃহস্পতিবারের রায়ের দিকে, যেখানে সুপ্রিম কোর্ট ইমরান খানের পুনর্বিবেচনা আবেদন গ্রহণ করবে নাকি আগের সিদ্ধান্ত বহাল রাখবে, তা স্পষ্ট হয়ে যাবে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















