০১:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
সিনেমা হলকে নতুনভাবে সাজাচ্ছে সাংহাই মেলনের বৈশ্বিক কে-পপ তালিকায় আলোচনায় রাইজ ও বয় নেক্সট ডোর হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্টকে অপসারণে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ, রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে ট্রাম্পের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের রায়, যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থীদের ফেরানোর পথ খুলল রাশিয়ার যুব ফুটবল দলের ফেরার ইঙ্গিত, নতুন টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের পথ খুলছে ফিফা ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক পদ বাতিল, বেতন-ভাতা ফেরতের নির্দেশ সিরাজগঞ্জে যমুনার স্রোতে ভেসে প্রাণ গেল দুই মাদ্রাসাছাত্রের খেলাপি ঋণের চাপে ‘মোট শকে’ ব্যাংকিং খাত, সংসদে রেজা কিবরিয়ার কঠোর সমালোচনা ৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার মেধাতালিকা ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশের নির্দেশ হাইকোর্টের চুয়াডাঙ্গায় বাড়ির গ্রিলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু

ইপিজেড শ্রমিকদের জন্য স্থায়ী দুর্ঘটনা সুরক্ষা কর্মসূচি ২০২৭ সালের মধ্যে চালুর অঙ্গীকার

বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ২০২৭ সালের মধ্যে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) শ্রমিকদের জন্য একটি স্থায়ী, স্বয়ংসম্পূর্ণ ও টেকসই কর্মসংস্থানজনিত দুর্ঘটনা সুরক্ষা কর্মসূচি চালুর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। ইতালির তুরিনে আইএলওর আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের কর্মশালায় গৃহীত যৌথ ঘোষণায় এই প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়।

শ্রমিক সুরক্ষায় নতুন মাইলফলক

কর্মশালার মূল লক্ষ্য ছিল ইপিজেড শ্রমিকদের জন্য স্থায়ী কর্মসংস্থানজনিত দুর্ঘটনা সুরক্ষা কর্মসূচি (ইআইএস-বেপজা) গড়ে তোলার রূপরেখা চূড়ান্ত করা। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন। কর্মশালায় আইএলওর অ্যাকচুয়ারিয়াল ও কারিগরি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন এবং জার্মান উন্নয়ন সংস্থা জিআইজেড সার্বিক সহায়তা প্রদান করে।

বর্তমান পাইলট প্রকল্পের অগ্রগতি

২০২৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বেপজা, আইএলও ও জিআইজেডের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতার মাধ্যমে ইপিজেডে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের জন্য এই পাইলট কর্মসূচি চালু হয়। আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ক্রেতাদের অর্থায়নে পরিচালিত এই উদ্যোগের আওতায় কর্মস্থল বা কর্মস্থলে যাতায়াতের সময় দুর্ঘটনায় মৃত্যু কিংবা স্থায়ী অক্ষমতার শিকার শ্রমিক ও তাদের নির্ভরশীলদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

২০২৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে সুবিধা বিতরণ শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত ৪৮ জন উপকারভোগী এই কর্মসূচির আওতায় আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন।

স্থায়ী ব্যবস্থার রোডম্যাপ চূড়ান্ত

তুরিনের কর্মশালায় পাইলট প্রকল্পের বাস্তবায়ন অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক কাঠামো, অর্থায়ন ব্যবস্থা, আইনগত ভিত্তি এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিচালন পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা ইআইএস-বেপজাকে স্থায়ী সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় রূপান্তরের জন্য একটি রোডম্যাপও চূড়ান্ত করেন।

প্রস্তাবিত ব্যবস্থার আওতায় শ্রমিকরা চাকরির প্রথম দিন থেকেই সুরক্ষা সুবিধার অন্তর্ভুক্ত হবেন। কর্মক্ষেত্রে মৃত্যু বা স্থায়ী অক্ষমতার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী দ্রুত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

বেপজা ও আইএলওর যৌথ সংস্কার পরিকল্পনা

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই উদ্যোগটি বেপজা ও আইএলওর মধ্যে স্বাক্ষরিত “শ্রম সংস্কার বিষয়ক দুই বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা (২০২৫-২০২৭)” বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

কর্মশালায় বক্তব্য দিতে গিয়ে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, শিল্পোন্নয়ন তখনই অর্থবহ হয় যখন তা শ্রমিকদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সামাজিক সুরক্ষার সঙ্গে সমন্বিত হয়। তিনি বলেন, ইআইএস-বেপজা সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এবং এমন একটি শিল্প পরিবেশ গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য, যেখানে উৎপাদনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ সমান গুরুত্ব পাবে।

পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাবনা

ইতালি সফরের সময় বেপজা প্রতিনিধি দল সুইজারল্যান্ডের সিয়নে অবস্থিত পেশাগত বীমা ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান সুভার প্রধান কার্যালয়ও পরিদর্শন করে। সেখানে আন্তর্জাতিক মানের একটি আধুনিক পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রস্তাবিত কেন্দ্রটি কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় আহত শ্রমিকদের উন্নত চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবা প্রদান করবে এবং তাদের কর্মক্ষমতা পুনরুদ্ধারে সহায়তা করবে। এর মাধ্যমে ইপিজেডে সামাজিক সুরক্ষা ও পেশাগত স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ইউরোপীয় বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ

সফরকালে বেপজা প্রতিনিধি দল ইতালি, জার্মানি, স্পেন ও সুইজারল্যান্ডের ব্যবসায়ী নেতা, চেম্বার প্রতিনিধিসহ সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করে। এসব আলোচনায় বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ, আধুনিক অবকাঠামো, দক্ষ ব্যবস্থাপনা, আন্তর্জাতিক শ্রমমান অনুসরণ এবং সরকারের বিভিন্ন বিনিয়োগ সুবিধা তুলে ধরা হয়।

বৈঠকে অংশ নেওয়া বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ খতিয়ে দেখার এবং বিদ্যমান কার্যক্রম সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ইপিজেড শ্রমিকদের জন্য ২০২৭ সালের মধ্যে স্থায়ী দুর্ঘটনা সুরক্ষা কর্মসূচি চালুর লক্ষ্যে বেপজা, আইএলও ও অংশীজনদের নতুন অঙ্গীকার।

#বেপজা #আইএলও #ইপিজেড #শ্রমিকসুরক্ষা #বাংলাদেশঅর্থনীতি #রপ্তানিখাত #সামাজিকসুরক্ষা #বিনিয়োগ #শ্রমসংস্কার #বাংলাদেশ

জনপ্রিয় সংবাদ

সিনেমা হলকে নতুনভাবে সাজাচ্ছে সাংহাই

ইপিজেড শ্রমিকদের জন্য স্থায়ী দুর্ঘটনা সুরক্ষা কর্মসূচি ২০২৭ সালের মধ্যে চালুর অঙ্গীকার

০৮:১২:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ২০২৭ সালের মধ্যে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) শ্রমিকদের জন্য একটি স্থায়ী, স্বয়ংসম্পূর্ণ ও টেকসই কর্মসংস্থানজনিত দুর্ঘটনা সুরক্ষা কর্মসূচি চালুর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। ইতালির তুরিনে আইএলওর আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের কর্মশালায় গৃহীত যৌথ ঘোষণায় এই প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়।

শ্রমিক সুরক্ষায় নতুন মাইলফলক

কর্মশালার মূল লক্ষ্য ছিল ইপিজেড শ্রমিকদের জন্য স্থায়ী কর্মসংস্থানজনিত দুর্ঘটনা সুরক্ষা কর্মসূচি (ইআইএস-বেপজা) গড়ে তোলার রূপরেখা চূড়ান্ত করা। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন। কর্মশালায় আইএলওর অ্যাকচুয়ারিয়াল ও কারিগরি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন এবং জার্মান উন্নয়ন সংস্থা জিআইজেড সার্বিক সহায়তা প্রদান করে।

বর্তমান পাইলট প্রকল্পের অগ্রগতি

২০২৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বেপজা, আইএলও ও জিআইজেডের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতার মাধ্যমে ইপিজেডে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের জন্য এই পাইলট কর্মসূচি চালু হয়। আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ক্রেতাদের অর্থায়নে পরিচালিত এই উদ্যোগের আওতায় কর্মস্থল বা কর্মস্থলে যাতায়াতের সময় দুর্ঘটনায় মৃত্যু কিংবা স্থায়ী অক্ষমতার শিকার শ্রমিক ও তাদের নির্ভরশীলদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

২০২৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে সুবিধা বিতরণ শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত ৪৮ জন উপকারভোগী এই কর্মসূচির আওতায় আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন।

স্থায়ী ব্যবস্থার রোডম্যাপ চূড়ান্ত

তুরিনের কর্মশালায় পাইলট প্রকল্পের বাস্তবায়ন অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক কাঠামো, অর্থায়ন ব্যবস্থা, আইনগত ভিত্তি এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিচালন পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা ইআইএস-বেপজাকে স্থায়ী সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় রূপান্তরের জন্য একটি রোডম্যাপও চূড়ান্ত করেন।

প্রস্তাবিত ব্যবস্থার আওতায় শ্রমিকরা চাকরির প্রথম দিন থেকেই সুরক্ষা সুবিধার অন্তর্ভুক্ত হবেন। কর্মক্ষেত্রে মৃত্যু বা স্থায়ী অক্ষমতার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী দ্রুত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

বেপজা ও আইএলওর যৌথ সংস্কার পরিকল্পনা

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই উদ্যোগটি বেপজা ও আইএলওর মধ্যে স্বাক্ষরিত “শ্রম সংস্কার বিষয়ক দুই বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা (২০২৫-২০২৭)” বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

কর্মশালায় বক্তব্য দিতে গিয়ে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, শিল্পোন্নয়ন তখনই অর্থবহ হয় যখন তা শ্রমিকদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সামাজিক সুরক্ষার সঙ্গে সমন্বিত হয়। তিনি বলেন, ইআইএস-বেপজা সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এবং এমন একটি শিল্প পরিবেশ গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য, যেখানে উৎপাদনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ সমান গুরুত্ব পাবে।

পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাবনা

ইতালি সফরের সময় বেপজা প্রতিনিধি দল সুইজারল্যান্ডের সিয়নে অবস্থিত পেশাগত বীমা ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান সুভার প্রধান কার্যালয়ও পরিদর্শন করে। সেখানে আন্তর্জাতিক মানের একটি আধুনিক পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রস্তাবিত কেন্দ্রটি কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় আহত শ্রমিকদের উন্নত চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবা প্রদান করবে এবং তাদের কর্মক্ষমতা পুনরুদ্ধারে সহায়তা করবে। এর মাধ্যমে ইপিজেডে সামাজিক সুরক্ষা ও পেশাগত স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ইউরোপীয় বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ

সফরকালে বেপজা প্রতিনিধি দল ইতালি, জার্মানি, স্পেন ও সুইজারল্যান্ডের ব্যবসায়ী নেতা, চেম্বার প্রতিনিধিসহ সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করে। এসব আলোচনায় বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ, আধুনিক অবকাঠামো, দক্ষ ব্যবস্থাপনা, আন্তর্জাতিক শ্রমমান অনুসরণ এবং সরকারের বিভিন্ন বিনিয়োগ সুবিধা তুলে ধরা হয়।

বৈঠকে অংশ নেওয়া বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ খতিয়ে দেখার এবং বিদ্যমান কার্যক্রম সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ইপিজেড শ্রমিকদের জন্য ২০২৭ সালের মধ্যে স্থায়ী দুর্ঘটনা সুরক্ষা কর্মসূচি চালুর লক্ষ্যে বেপজা, আইএলও ও অংশীজনদের নতুন অঙ্গীকার।

#বেপজা #আইএলও #ইপিজেড #শ্রমিকসুরক্ষা #বাংলাদেশঅর্থনীতি #রপ্তানিখাত #সামাজিকসুরক্ষা #বিনিয়োগ #শ্রমসংস্কার #বাংলাদেশ