০৯:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্টকে অপসারণে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ, রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে ট্রাম্পের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের রায়, যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থীদের ফেরানোর পথ খুলল রাশিয়ার যুব ফুটবল দলের ফেরার ইঙ্গিত, নতুন টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের পথ খুলছে ফিফা ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক পদ বাতিল, বেতন-ভাতা ফেরতের নির্দেশ সিরাজগঞ্জে যমুনার স্রোতে ভেসে প্রাণ গেল দুই মাদ্রাসাছাত্রের খেলাপি ঋণের চাপে ‘মোট শকে’ ব্যাংকিং খাত, সংসদে রেজা কিবরিয়ার কঠোর সমালোচনা ৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার মেধাতালিকা ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশের নির্দেশ হাইকোর্টের চুয়াডাঙ্গায় বাড়ির গ্রিলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু খাগড়াছড়িতে অস্ত্র-গুলিসহ আটক ৩ ইউপিডিএফ কর্মী তালেবান বিধিনিষেধে কর্মসংস্থান সংকুচিত, ব্যবসার পথে আফগান নারীরা

খেলাপি ঋণের চাপে ‘মোট শকে’ ব্যাংকিং খাত, সংসদে রেজা কিবরিয়ার কঠোর সমালোচনা

দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের সংজ্ঞা শিথিল করার সমালোচনা করে বিএনপির সংসদ সদস্য রেজা কিবরিয়া বলেছেন, বিপুল পরিমাণ খেলাপি ঋণের কারণে বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা এখন “মোট শক”-এর মধ্যে রয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

হবিগঞ্জ-১ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, আগে কোনো ঋণের সুদ ৯০ দিন পরিশোধ না হলে সেটিকে খেলাপি ঋণ হিসেবে গণ্য করা হতো। কিন্তু বর্তমানে এক বছর সুদ পরিশোধ না করলেও সেটি খেলাপি হিসেবে বিবেচিত হয় না। তাঁর মতে, এই পরিবর্তিত সংজ্ঞা প্রকৃত পরিস্থিতিকে আড়াল করছে।

ব্যাংকিং খাতের সংকট কতটা গভীর?

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দেশে কাজ করার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে রেজা কিবরিয়া বলেন, তিনি যেসব দেশে কাজ করেছেন, সেখানে খেলাপি ঋণের হার ৬ শতাংশের বেশি হলে সেটিকে উদ্বেগজনক ধরা হয়। কিন্তু বাংলাদেশে বর্তমান সংজ্ঞার আওতায়ও খেলাপি ঋণের হার ৬১ শতাংশে পৌঁছেছে বলে তিনি দাবি করেন।

তার ভাষায়, “এই পরিস্থিতি প্রমাণ করে যে ব্যাংকিং ব্যবস্থা গভীর সংকটের মধ্যে রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, আমানত ও ঋণের সুদের হারের মধ্যে বড় ব্যবধান ব্যাংকিং খাতের দক্ষতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রায় ৫ শতাংশ সুদে আমানত সংগ্রহ করা হলেও সৎ ব্যবসায়ীদের ১৪ থেকে ১৬ শতাংশ সুদে ঋণ নিতে হচ্ছে।

সৎ উদ্যোক্তারা বঞ্চিত

রেজা কিবরিয়ার মতে, একটি কার্যকর ব্যাংকিং ব্যবস্থায় আমানত ও ঋণের সুদের হারের পার্থক্য সাধারণত ৪ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে থাকা উচিত। কিন্তু বাংলাদেশে এই ব্যবধান অনেক বেশি হওয়ায় সৎ ও উৎপাদনমুখী উদ্যোক্তারা প্রয়োজনীয় অর্থায়ন পাচ্ছেন না।

তিনি বলেন, অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যেন সহজে ঋণ পেতে পারেন। বর্তমানে সেই সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে।

ব্যাংকে খেলাপি ঋণ বেড়ে ২ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়ালো | Barta Bazar

বিশ্ব অর্থনীতি ও বাজেট বাস্তবতা

অর্থনীতিবিদ হিসেবে দীর্ঘ ৪৫ বছরের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে রেজা কিবরিয়া বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ধারাবাহিকভাবে কমানো হচ্ছে। এমন বাস্তবতায় অর্থমন্ত্রীকে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেই বাজেট প্রস্তুত করতে হয়েছে।

তিনি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় সামষ্টিক অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ঋণ ব্যবস্থাপনা ও মূল্যস্ফীতি নিয়ে সতর্কতা

সংসদে বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মোট ঋণের পরিমাণ এখনও জিডিপির প্রায় ৪০ শতাংশের মধ্যে রয়েছে, যা নিয়ন্ত্রণযোগ্য। তবে বাণিজ্যিক বৈদেশিক ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার বিরুদ্ধে সতর্ক করেন তিনি।

তার মতে, দীর্ঘমেয়াদি ও কম সুদের কারণে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাগুলোর ঋণ বাংলাদেশের জন্য বেশি উপযোগী। এসব ঋণের সুদের হার সাধারণত শূন্য দশমিক ৫ থেকে ১ শতাংশের মধ্যে থাকে।

মূল্যস্ফীতিকে দেশের অর্থনীতির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি নীতিনির্ধারণ থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি—সব ক্ষেত্রেই প্রভাব ফেলছে। তাই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

আয় বৈষম্য ও রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে প্রশ্ন

আয় বৈষম্য কমাতে অতীতের সরকারগুলো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন রেজা কিবরিয়া। তিনি বলেন, নিম্ন আয়ের মানুষের হাতে অতিরিক্ত অর্থ গেলে তা দ্রুত অর্থনীতিতে ফিরে আসে এবং চাহিদা বাড়ায়। বিপরীতে ধনী ব্যক্তিদের অতিরিক্ত আয় একইভাবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অবদান রাখে না।

তিনি আরও বলেন, শুধু বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট ও শপিংমল নির্মাণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা সম্ভব নয়।

বাজেট ঘাটতি নিয়ে তিনি বলেন, জিডিপির ৪ থেকে ৫ শতাংশ ঘাটতি নিজেই বড় সমস্যা নয়। তবে অবাস্তব রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার ভিত্তিতে বাজেট প্রণয়ন উদ্বেগের বিষয়। গত ১৫ বছরে রাজস্ব আদায় কখনোই লক্ষ্যমাত্রার ৮০ থেকে ৮৪ শতাংশের বেশি হয়নি, এমনকি কোনো কোনো বছরে তা ৭০ শতাংশে নেমে এসেছে।

জনব্যয়ের মানোন্নয়নের আহ্বান

রেজা কিবরিয়া বলেন, রাজস্ব ঘাটতি পূরণে সরকারকে দেশীয় ব্যাংক, বেসরকারি উৎস ও বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভর করতে হয়। এর মধ্যে বিদেশি অর্থায়ন ঝুঁকিপূর্ণ, আর দেশীয় উৎস থেকে অতিরিক্ত ঋণ মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়াতে পারে।

তিনি সরকারের প্রতি জনব্যয়ের গুণগত মান উন্নত করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

খেলাপি ঋণের সংকট ও বাজেট বাস্তবতা নিয়ে সংসদে রেজা কিবরিয়ার উদ্বেগ, ব্যাংকিং খাতের দক্ষতা ও অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্টকে অপসারণে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ, রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে

খেলাপি ঋণের চাপে ‘মোট শকে’ ব্যাংকিং খাত, সংসদে রেজা কিবরিয়ার কঠোর সমালোচনা

০৯:০২:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের সংজ্ঞা শিথিল করার সমালোচনা করে বিএনপির সংসদ সদস্য রেজা কিবরিয়া বলেছেন, বিপুল পরিমাণ খেলাপি ঋণের কারণে বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা এখন “মোট শক”-এর মধ্যে রয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

হবিগঞ্জ-১ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, আগে কোনো ঋণের সুদ ৯০ দিন পরিশোধ না হলে সেটিকে খেলাপি ঋণ হিসেবে গণ্য করা হতো। কিন্তু বর্তমানে এক বছর সুদ পরিশোধ না করলেও সেটি খেলাপি হিসেবে বিবেচিত হয় না। তাঁর মতে, এই পরিবর্তিত সংজ্ঞা প্রকৃত পরিস্থিতিকে আড়াল করছে।

ব্যাংকিং খাতের সংকট কতটা গভীর?

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দেশে কাজ করার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে রেজা কিবরিয়া বলেন, তিনি যেসব দেশে কাজ করেছেন, সেখানে খেলাপি ঋণের হার ৬ শতাংশের বেশি হলে সেটিকে উদ্বেগজনক ধরা হয়। কিন্তু বাংলাদেশে বর্তমান সংজ্ঞার আওতায়ও খেলাপি ঋণের হার ৬১ শতাংশে পৌঁছেছে বলে তিনি দাবি করেন।

তার ভাষায়, “এই পরিস্থিতি প্রমাণ করে যে ব্যাংকিং ব্যবস্থা গভীর সংকটের মধ্যে রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, আমানত ও ঋণের সুদের হারের মধ্যে বড় ব্যবধান ব্যাংকিং খাতের দক্ষতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রায় ৫ শতাংশ সুদে আমানত সংগ্রহ করা হলেও সৎ ব্যবসায়ীদের ১৪ থেকে ১৬ শতাংশ সুদে ঋণ নিতে হচ্ছে।

সৎ উদ্যোক্তারা বঞ্চিত

রেজা কিবরিয়ার মতে, একটি কার্যকর ব্যাংকিং ব্যবস্থায় আমানত ও ঋণের সুদের হারের পার্থক্য সাধারণত ৪ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে থাকা উচিত। কিন্তু বাংলাদেশে এই ব্যবধান অনেক বেশি হওয়ায় সৎ ও উৎপাদনমুখী উদ্যোক্তারা প্রয়োজনীয় অর্থায়ন পাচ্ছেন না।

তিনি বলেন, অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যেন সহজে ঋণ পেতে পারেন। বর্তমানে সেই সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে।

ব্যাংকে খেলাপি ঋণ বেড়ে ২ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়ালো | Barta Bazar

বিশ্ব অর্থনীতি ও বাজেট বাস্তবতা

অর্থনীতিবিদ হিসেবে দীর্ঘ ৪৫ বছরের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে রেজা কিবরিয়া বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ধারাবাহিকভাবে কমানো হচ্ছে। এমন বাস্তবতায় অর্থমন্ত্রীকে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেই বাজেট প্রস্তুত করতে হয়েছে।

তিনি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় সামষ্টিক অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ঋণ ব্যবস্থাপনা ও মূল্যস্ফীতি নিয়ে সতর্কতা

সংসদে বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মোট ঋণের পরিমাণ এখনও জিডিপির প্রায় ৪০ শতাংশের মধ্যে রয়েছে, যা নিয়ন্ত্রণযোগ্য। তবে বাণিজ্যিক বৈদেশিক ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার বিরুদ্ধে সতর্ক করেন তিনি।

তার মতে, দীর্ঘমেয়াদি ও কম সুদের কারণে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাগুলোর ঋণ বাংলাদেশের জন্য বেশি উপযোগী। এসব ঋণের সুদের হার সাধারণত শূন্য দশমিক ৫ থেকে ১ শতাংশের মধ্যে থাকে।

মূল্যস্ফীতিকে দেশের অর্থনীতির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি নীতিনির্ধারণ থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি—সব ক্ষেত্রেই প্রভাব ফেলছে। তাই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

আয় বৈষম্য ও রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে প্রশ্ন

আয় বৈষম্য কমাতে অতীতের সরকারগুলো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন রেজা কিবরিয়া। তিনি বলেন, নিম্ন আয়ের মানুষের হাতে অতিরিক্ত অর্থ গেলে তা দ্রুত অর্থনীতিতে ফিরে আসে এবং চাহিদা বাড়ায়। বিপরীতে ধনী ব্যক্তিদের অতিরিক্ত আয় একইভাবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অবদান রাখে না।

তিনি আরও বলেন, শুধু বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট ও শপিংমল নির্মাণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা সম্ভব নয়।

বাজেট ঘাটতি নিয়ে তিনি বলেন, জিডিপির ৪ থেকে ৫ শতাংশ ঘাটতি নিজেই বড় সমস্যা নয়। তবে অবাস্তব রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার ভিত্তিতে বাজেট প্রণয়ন উদ্বেগের বিষয়। গত ১৫ বছরে রাজস্ব আদায় কখনোই লক্ষ্যমাত্রার ৮০ থেকে ৮৪ শতাংশের বেশি হয়নি, এমনকি কোনো কোনো বছরে তা ৭০ শতাংশে নেমে এসেছে।

জনব্যয়ের মানোন্নয়নের আহ্বান

রেজা কিবরিয়া বলেন, রাজস্ব ঘাটতি পূরণে সরকারকে দেশীয় ব্যাংক, বেসরকারি উৎস ও বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভর করতে হয়। এর মধ্যে বিদেশি অর্থায়ন ঝুঁকিপূর্ণ, আর দেশীয় উৎস থেকে অতিরিক্ত ঋণ মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়াতে পারে।

তিনি সরকারের প্রতি জনব্যয়ের গুণগত মান উন্নত করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

খেলাপি ঋণের সংকট ও বাজেট বাস্তবতা নিয়ে সংসদে রেজা কিবরিয়ার উদ্বেগ, ব্যাংকিং খাতের দক্ষতা ও অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য।