০১:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে হিস্পানিকদের পরিচয় নিয়ে নতুন চিত্র, ‘আমেরিকান’ ভাবনায় বিভক্ত জনগোষ্ঠী যুক্তরাজ্যে ভয়াবহ দাবানল, ঘর ছাড়তে বাধ্য শত শত মানুষ ফাইনালের আগে ফাইনাল! বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ফ্রান্স-স্পেন মহারণ হংকংয়ে নারীকে গোপনে ভিডিও ধারণ, পুলিশ কর্মকর্তার প্রায় দুই বছরের কারাদণ্ড বিশ্বকাপ ২০২৬ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের সামনে আর্জেন্টিনা, মেসিকে থামানোই বড় চ্যালেঞ্জ আফগান শহরে পোশাক বিধির কড়াকড়িতে আতঙ্কে নারীরা, ঘরবন্দি জীবন কাটাচ্ছেন অনেকেই বিয়ন্সের ঝলমলে ক্যাপ্রি স্যুটে নতুন ফ্যাশন চমক, জে-জেডের বিশেষ মঞ্চে মাতালেন দর্শক  ডাকোটা জনসন ও আলেকজান্ডার স্কারসগার্ডের নতুন জুটি নিয়ে ভ্যালেন্টিনোর চমক শীত ২০২৬-এর ফ্যাশনে নতুন ধারা, নজর কাড়ছে সাহসী নকশা ও অভিব্যক্তির মিশেল সিসিলির রাজকীয় বিয়েতে লুনা বনাচর্সি বেকারিয়া ও লিওনার্দো বোরমিওলির ভালোবাসার গল্প

এখনো পানিবন্দি দেড় লাখের বেশি পরিবার

‘সারা জীবনের সঞ্চয়ে পাকা ঘরটি করেছিলাম, চোখের পলকে ধসে পড়ল’

প্রথম আলো,

১৮ বছর প্রবাসে ছিলেন। প্রবাসজীবনের সঞ্চয় দিয়ে পৈতৃক চার শতক জমিতে নির্মাণ করেছিলেন একটি পাকা ঘর। প্রবাস থেকে ফিরে সেই ঘরে স্ত্রী, দুই সন্তান আর পরিবার নিয়ে ভালোই দিন কাটছিল চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার বাসিন্দা মো. সেলিমের (৫৫)। তবে গত সপ্তাহের টানা বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢল তছনছ করে দিয়েছে সেলিমের সাজানো সংসার। ডলু নদের পানির তীব্র স্রোতে ধসে পড়েছে তাঁর পাকা বসতঘরটি। একই সঙ্গে নদে বিলীন হয়েছে ভিটেমাটিও।

মো. সেলিমের বাড়ি সাতকানিয়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ সামিয়ারপাড়ায়। তাঁর বসতঘরটি ছিল ডলু নদের পাশেই। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে সেটি ধসে পড়ে। এখন বসতঘর ও ভিটা হারিয়ে দিশাহারা সেলিমের পরিবার।

BD Today | 'সারা জীবনের সঞ্চয়ে পাকা ঘরটি করেছিলাম, চোখের পলকে ধসে পড়ল'

মো. সেলিম জানান, ডলু নদের সঙ্গে লাগানো একটি সড়ক, এরপরই ছিল তাঁর বাড়ি। গত বুধবার মধ্যরাতে ডলু নদরে উত্তাল স্রোতে সড়কটি ভেঙে যায়। এরপর পানির স্রোত তাঁর বাড়ির সীমানাপ্রাচীরে আঘাত হানে। দেখতে পেয়ে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। এরপর ঘুম থেকে তাঁর পরিবারের সদস্যদের তুলে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান। পরদিন বৃহস্পতিবার ভিটেমাটিসহ পাকা ঘরটিও ডলু নদে ধসে পড়ে। সেলিম প্রথম আলোকে বলেন, ‘সারা জীবনের সঞ্চয়ে পাকা ঘরটি করেছিলাম, চোখের পলকে তা ধসে পড়ল। এখন কোথায় থাকব, কী করব, কিছুই বুঝতে পারছি না।’

১৫ বছর আগে পাকা ঘরটি নির্মাণ করেন বলে জানান মো. সেলিম। তিনি বলেন, সাত ভাই রয়েছে তাঁর। পৈতৃক ভিটা বলতে ওই চার শতক জমিই পেয়েছিলেন। সেখানেই পাকা ঘরটি নির্মাণ করেন। ১০ বছর আগে প্রবাস থেকে দেশে ফেরেন তিনি।

এখনো পানিবন্দি দেড় লাখের বেশি পরিবার

কালের কণ্ঠ,

বন্যা, পাহাড়ধসে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৩৯ জন।

দেশের সাত জেলায় এক লাখ ৫৫ হাজার ৩১১টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জন মানুষ। সোমবার (১৩ জুলাই) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এখনো পানিবন্দি দেড় লাখের বেশি পরিবার

প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ বন্যাকবলিত হয়েছে।

এ কারণে জেলাগুলোর ৫৯টি উপজেলা প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া উপদ্রুত অঞ্চলগুলোর ৩৩৪টি ইউনিয়ন এবং ১২টি পৌরসভা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, মৃত ৫৪ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজার জেলায়, সেখানে ৩১ জন মারা গেছেন। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ছয়, রাঙামাটিতে তিন ও মৌলভীবাজারে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

সোনার গহনার দাম আরও কমলো

জাগো নিউজ২৪,

দেশের বাজারে সোনার গহনার দাম কমানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনার দাম কমানো হয়েছে ২ হাজার ১৫৮ টাকা। এতে ভ্যাটসহ ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা।

স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম কমায় এই দাম কমানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে এই দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

স্বর্ণের দাম আরও কমলো , ভরি কত? | STAR NEWS

মঙ্গলবার বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গতকাল ১৩ জুলাই ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনার দাম কমানো হয় ২ হাজার ২১৬ টাকা। অর্থাৎ দুই দিনে ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনার দাম কমলো ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা।

এলডিসির চ্যালেঞ্জ আন্তর্জাতিক সংহতি ও বহুপাক্ষিকতার বিশ্বাসযোগ্যতার পরীক্ষা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

ইউএনবি নিউজ,

স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) সামনে থাকা চ্যালেঞ্জ আন্তর্জাতিক সংহতি এবং বহুপাক্ষিকতার (মাল্টিলেটারালিজম) বিশ্বাসযোগ্যতার জন্য একটি পরীক্ষা বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

সোমবার (১৩ জুলাই) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের হলরুমে অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ইকোসক) উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) গ্রুপের পক্ষে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এলডিসির চ্যালেঞ্জ আন্তর্জাতিক সংহতি ও বহুপাক্ষিকতার বিশ্বাসযোগ্যতার পরীক্ষা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

এ সময় জরুরি পদক্ষেপের জন্য পাঁচ দফা অগ্রাধিকার উপস্থাপন করে তিনি বলেন, ‘এলডিসি গ্রুপ সব অংশীদারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে, যাতে মধ্যমেয়াদি পর্যালোচনাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে (টার্নিং পয়েন্টে) পরিণত হয়। এর ফলে উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার হবে, আস্থা পুনর্গঠন ও কাউকে পেছনে না রেখে টেকসই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে।’

এলডিসি গ্রুপ টেকসই উন্নয়নের জন্য ২০৩০ এজেন্ডা এবং দোহা কর্মসূচির (দোহা প্রোগ্রাম অব অ্যাকশন-ডিপিওএ) প্রতি তাদের অবিচল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। এই দুটি কাঠামো এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর টেকসই, সহনশীল উন্নয়ন এবং সুষ্ঠু উত্তরণের পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করছে।

অধ্যাপক তিতুমীর বলেন, আমরা যখন ২০৩০ সালের চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে এগোচ্ছি, তখন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের অগ্রগতি উদ্বেগজনকভাবে পিছিয়ে রয়েছে। স্বল্পোন্নত দেশগুলোর ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও সংকটপূর্ণ।’

 

 

 

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে হিস্পানিকদের পরিচয় নিয়ে নতুন চিত্র, ‘আমেরিকান’ ভাবনায় বিভক্ত জনগোষ্ঠী

এখনো পানিবন্দি দেড় লাখের বেশি পরিবার

১১:০৬:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

‘সারা জীবনের সঞ্চয়ে পাকা ঘরটি করেছিলাম, চোখের পলকে ধসে পড়ল’

প্রথম আলো,

১৮ বছর প্রবাসে ছিলেন। প্রবাসজীবনের সঞ্চয় দিয়ে পৈতৃক চার শতক জমিতে নির্মাণ করেছিলেন একটি পাকা ঘর। প্রবাস থেকে ফিরে সেই ঘরে স্ত্রী, দুই সন্তান আর পরিবার নিয়ে ভালোই দিন কাটছিল চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার বাসিন্দা মো. সেলিমের (৫৫)। তবে গত সপ্তাহের টানা বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢল তছনছ করে দিয়েছে সেলিমের সাজানো সংসার। ডলু নদের পানির তীব্র স্রোতে ধসে পড়েছে তাঁর পাকা বসতঘরটি। একই সঙ্গে নদে বিলীন হয়েছে ভিটেমাটিও।

মো. সেলিমের বাড়ি সাতকানিয়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ সামিয়ারপাড়ায়। তাঁর বসতঘরটি ছিল ডলু নদের পাশেই। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে সেটি ধসে পড়ে। এখন বসতঘর ও ভিটা হারিয়ে দিশাহারা সেলিমের পরিবার।

BD Today | 'সারা জীবনের সঞ্চয়ে পাকা ঘরটি করেছিলাম, চোখের পলকে ধসে পড়ল'

মো. সেলিম জানান, ডলু নদের সঙ্গে লাগানো একটি সড়ক, এরপরই ছিল তাঁর বাড়ি। গত বুধবার মধ্যরাতে ডলু নদরে উত্তাল স্রোতে সড়কটি ভেঙে যায়। এরপর পানির স্রোত তাঁর বাড়ির সীমানাপ্রাচীরে আঘাত হানে। দেখতে পেয়ে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। এরপর ঘুম থেকে তাঁর পরিবারের সদস্যদের তুলে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান। পরদিন বৃহস্পতিবার ভিটেমাটিসহ পাকা ঘরটিও ডলু নদে ধসে পড়ে। সেলিম প্রথম আলোকে বলেন, ‘সারা জীবনের সঞ্চয়ে পাকা ঘরটি করেছিলাম, চোখের পলকে তা ধসে পড়ল। এখন কোথায় থাকব, কী করব, কিছুই বুঝতে পারছি না।’

১৫ বছর আগে পাকা ঘরটি নির্মাণ করেন বলে জানান মো. সেলিম। তিনি বলেন, সাত ভাই রয়েছে তাঁর। পৈতৃক ভিটা বলতে ওই চার শতক জমিই পেয়েছিলেন। সেখানেই পাকা ঘরটি নির্মাণ করেন। ১০ বছর আগে প্রবাস থেকে দেশে ফেরেন তিনি।

এখনো পানিবন্দি দেড় লাখের বেশি পরিবার

কালের কণ্ঠ,

বন্যা, পাহাড়ধসে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৩৯ জন।

দেশের সাত জেলায় এক লাখ ৫৫ হাজার ৩১১টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জন মানুষ। সোমবার (১৩ জুলাই) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এখনো পানিবন্দি দেড় লাখের বেশি পরিবার

প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ বন্যাকবলিত হয়েছে।

এ কারণে জেলাগুলোর ৫৯টি উপজেলা প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া উপদ্রুত অঞ্চলগুলোর ৩৩৪টি ইউনিয়ন এবং ১২টি পৌরসভা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, মৃত ৫৪ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজার জেলায়, সেখানে ৩১ জন মারা গেছেন। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ছয়, রাঙামাটিতে তিন ও মৌলভীবাজারে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

সোনার গহনার দাম আরও কমলো

জাগো নিউজ২৪,

দেশের বাজারে সোনার গহনার দাম কমানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনার দাম কমানো হয়েছে ২ হাজার ১৫৮ টাকা। এতে ভ্যাটসহ ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা।

স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম কমায় এই দাম কমানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে এই দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

স্বর্ণের দাম আরও কমলো , ভরি কত? | STAR NEWS

মঙ্গলবার বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গতকাল ১৩ জুলাই ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনার দাম কমানো হয় ২ হাজার ২১৬ টাকা। অর্থাৎ দুই দিনে ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনার দাম কমলো ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা।

এলডিসির চ্যালেঞ্জ আন্তর্জাতিক সংহতি ও বহুপাক্ষিকতার বিশ্বাসযোগ্যতার পরীক্ষা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

ইউএনবি নিউজ,

স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) সামনে থাকা চ্যালেঞ্জ আন্তর্জাতিক সংহতি এবং বহুপাক্ষিকতার (মাল্টিলেটারালিজম) বিশ্বাসযোগ্যতার জন্য একটি পরীক্ষা বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

সোমবার (১৩ জুলাই) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের হলরুমে অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ইকোসক) উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) গ্রুপের পক্ষে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এলডিসির চ্যালেঞ্জ আন্তর্জাতিক সংহতি ও বহুপাক্ষিকতার বিশ্বাসযোগ্যতার পরীক্ষা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

এ সময় জরুরি পদক্ষেপের জন্য পাঁচ দফা অগ্রাধিকার উপস্থাপন করে তিনি বলেন, ‘এলডিসি গ্রুপ সব অংশীদারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে, যাতে মধ্যমেয়াদি পর্যালোচনাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে (টার্নিং পয়েন্টে) পরিণত হয়। এর ফলে উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার হবে, আস্থা পুনর্গঠন ও কাউকে পেছনে না রেখে টেকসই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে।’

এলডিসি গ্রুপ টেকসই উন্নয়নের জন্য ২০৩০ এজেন্ডা এবং দোহা কর্মসূচির (দোহা প্রোগ্রাম অব অ্যাকশন-ডিপিওএ) প্রতি তাদের অবিচল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। এই দুটি কাঠামো এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর টেকসই, সহনশীল উন্নয়ন এবং সুষ্ঠু উত্তরণের পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করছে।

অধ্যাপক তিতুমীর বলেন, আমরা যখন ২০৩০ সালের চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে এগোচ্ছি, তখন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের অগ্রগতি উদ্বেগজনকভাবে পিছিয়ে রয়েছে। স্বল্পোন্নত দেশগুলোর ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও সংকটপূর্ণ।’