০১:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে হিস্পানিকদের পরিচয় নিয়ে নতুন চিত্র, ‘আমেরিকান’ ভাবনায় বিভক্ত জনগোষ্ঠী যুক্তরাজ্যে ভয়াবহ দাবানল, ঘর ছাড়তে বাধ্য শত শত মানুষ ফাইনালের আগে ফাইনাল! বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ফ্রান্স-স্পেন মহারণ হংকংয়ে নারীকে গোপনে ভিডিও ধারণ, পুলিশ কর্মকর্তার প্রায় দুই বছরের কারাদণ্ড বিশ্বকাপ ২০২৬ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের সামনে আর্জেন্টিনা, মেসিকে থামানোই বড় চ্যালেঞ্জ আফগান শহরে পোশাক বিধির কড়াকড়িতে আতঙ্কে নারীরা, ঘরবন্দি জীবন কাটাচ্ছেন অনেকেই বিয়ন্সের ঝলমলে ক্যাপ্রি স্যুটে নতুন ফ্যাশন চমক, জে-জেডের বিশেষ মঞ্চে মাতালেন দর্শক  ডাকোটা জনসন ও আলেকজান্ডার স্কারসগার্ডের নতুন জুটি নিয়ে ভ্যালেন্টিনোর চমক শীত ২০২৬-এর ফ্যাশনে নতুন ধারা, নজর কাড়ছে সাহসী নকশা ও অভিব্যক্তির মিশেল সিসিলির রাজকীয় বিয়েতে লুনা বনাচর্সি বেকারিয়া ও লিওনার্দো বোরমিওলির ভালোবাসার গল্প

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে ফের উত্তেজনা, চীনের দাবির বিরুদ্ধে ১৪ দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবস্থান

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ আবারও আলোচনায় এসেছে। ২০১৬ সালের আন্তর্জাতিক সালিশি রায়ের প্রতি সমর্থন জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ১৪টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন চীনের বিস্তৃত দাবির বিরোধিতা করেছে।

রবিবার প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলো জানায়, বিরোধপূর্ণ জলসীমায় এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয় যা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলে। তারা ২০১৬ সালের রায়কে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে।

২০১৬ সালের রায় নিয়ে নতুন করে অবস্থান

২০১৬ সালের ১২ জুলাই নেদারল্যান্ডসের হেগে গঠিত আন্তর্জাতিক সালিশি ট্রাইব্যুনাল দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দেয়। জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক সনদের আওতায় দেওয়া ওই রায়ে ফিলিপাইনের বেশির ভাগ দাবির পক্ষে সিদ্ধান্ত আসে।

14 Nations, EU renew backing for South China Sea award

বিবৃতিতে দেশগুলো জানায়, ওই রায় চূড়ান্ত ও আইনগতভাবে কার্যকর। একই সঙ্গে তারা জোর দিয়ে বলে, শক্তি প্রয়োগ বা চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার যেকোনো পদক্ষেপের বিরোধিতা করা হবে।

চীনের অবস্থান অপরিবর্তিত

চীন শুরু থেকেই এই রায় প্রত্যাখ্যান করে আসছে। বেইজিংয়ের দাবি, ২০১৬ সালের সিদ্ধান্তের কোনো বৈধতা নেই এবং এটি চীনের ওপর কার্যকর নয়।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ওই রায় গ্রহণ করে না এবং তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে কোনো বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতিও মেনে নেবে না। চীন দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় পুরো অংশের ওপর নিজেদের দাবি বজায় রেখেছে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তায় বাড়ছে নজর

14 Nations Reject China's South China Sea Claims

দক্ষিণ চীন সাগর বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথ। এ অঞ্চলে সামরিক তৎপরতা, জলসীমার দাবি এবং রাজনৈতিক উত্তেজনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দেশের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট জানায়, নতুন করে দেওয়া এই বিবৃতিগুলো প্রমাণ করছে যে দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক চাপ ও আলোচনা আরও বাড়ছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে হিস্পানিকদের পরিচয় নিয়ে নতুন চিত্র, ‘আমেরিকান’ ভাবনায় বিভক্ত জনগোষ্ঠী

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে ফের উত্তেজনা, চীনের দাবির বিরুদ্ধে ১৪ দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবস্থান

১১:২৩:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ আবারও আলোচনায় এসেছে। ২০১৬ সালের আন্তর্জাতিক সালিশি রায়ের প্রতি সমর্থন জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ১৪টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন চীনের বিস্তৃত দাবির বিরোধিতা করেছে।

রবিবার প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলো জানায়, বিরোধপূর্ণ জলসীমায় এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয় যা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলে। তারা ২০১৬ সালের রায়কে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে।

২০১৬ সালের রায় নিয়ে নতুন করে অবস্থান

২০১৬ সালের ১২ জুলাই নেদারল্যান্ডসের হেগে গঠিত আন্তর্জাতিক সালিশি ট্রাইব্যুনাল দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দেয়। জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক সনদের আওতায় দেওয়া ওই রায়ে ফিলিপাইনের বেশির ভাগ দাবির পক্ষে সিদ্ধান্ত আসে।

14 Nations, EU renew backing for South China Sea award

বিবৃতিতে দেশগুলো জানায়, ওই রায় চূড়ান্ত ও আইনগতভাবে কার্যকর। একই সঙ্গে তারা জোর দিয়ে বলে, শক্তি প্রয়োগ বা চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার যেকোনো পদক্ষেপের বিরোধিতা করা হবে।

চীনের অবস্থান অপরিবর্তিত

চীন শুরু থেকেই এই রায় প্রত্যাখ্যান করে আসছে। বেইজিংয়ের দাবি, ২০১৬ সালের সিদ্ধান্তের কোনো বৈধতা নেই এবং এটি চীনের ওপর কার্যকর নয়।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ওই রায় গ্রহণ করে না এবং তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে কোনো বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতিও মেনে নেবে না। চীন দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় পুরো অংশের ওপর নিজেদের দাবি বজায় রেখেছে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তায় বাড়ছে নজর

14 Nations Reject China's South China Sea Claims

দক্ষিণ চীন সাগর বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথ। এ অঞ্চলে সামরিক তৎপরতা, জলসীমার দাবি এবং রাজনৈতিক উত্তেজনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দেশের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট জানায়, নতুন করে দেওয়া এই বিবৃতিগুলো প্রমাণ করছে যে দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক চাপ ও আলোচনা আরও বাড়ছে।