১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জলবায়ু ন্যায়ের সংকটে নেপাল: এলডিসি উত্তরণ ও অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার নতুন পথ জলবায়ু অর্থায়নের বড় অঙ্কে গ্রামীণ নারীর হিসাব কোথায়? নেপালের আবহাওয়া বিপর্যয়: ‘স্বাভাবিক’ বৃষ্টির হিসাব কেন ভয়ংকর বিভ্রান্তি তৈরি করছে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা, এআই সতর্কতা ও নিষেধাজ্ঞা—আলোচনায় সাত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পুরোনো দিনের রেশ মুছে আবারও ফ্যাশনের কেন্দ্রে রেশমি স্কার্ফ গ্রীষ্মজুড়ে নজর কেড়েছে রঙিন গ্রাফিক টি-শার্ট, বদলে গেছে ফ্যাশনের ধারা টোকিওর বসন্ত ২০২৭: ইয়োশিওকুবোর পোশাকে নতুন জাপানি নান্দনিকতার ছোঁয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত সফর নিয়ে কী ঘটেছিল, প্রকাশ করলে অবাক হবেন: তামিম আওয়ামী লীগকে সংসদ নির্বাচন থেকে ‘মাইনাস’ করার অভিযোগ আইপিইউতে ‘স্বাস্থ্যকর’ ভাবা জাইলিটলেই হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি? গবেষণায় মিলল উদ্বেগজনক তথ্য

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে ফের উত্তেজনা, চীনের দাবির বিরুদ্ধে ১৪ দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবস্থান

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ আবারও আলোচনায় এসেছে। ২০১৬ সালের আন্তর্জাতিক সালিশি রায়ের প্রতি সমর্থন জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ১৪টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন চীনের বিস্তৃত দাবির বিরোধিতা করেছে।

রবিবার প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলো জানায়, বিরোধপূর্ণ জলসীমায় এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয় যা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলে। তারা ২০১৬ সালের রায়কে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে।

২০১৬ সালের রায় নিয়ে নতুন করে অবস্থান

২০১৬ সালের ১২ জুলাই নেদারল্যান্ডসের হেগে গঠিত আন্তর্জাতিক সালিশি ট্রাইব্যুনাল দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দেয়। জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক সনদের আওতায় দেওয়া ওই রায়ে ফিলিপাইনের বেশির ভাগ দাবির পক্ষে সিদ্ধান্ত আসে।

14 Nations, EU renew backing for South China Sea award

বিবৃতিতে দেশগুলো জানায়, ওই রায় চূড়ান্ত ও আইনগতভাবে কার্যকর। একই সঙ্গে তারা জোর দিয়ে বলে, শক্তি প্রয়োগ বা চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার যেকোনো পদক্ষেপের বিরোধিতা করা হবে।

চীনের অবস্থান অপরিবর্তিত

চীন শুরু থেকেই এই রায় প্রত্যাখ্যান করে আসছে। বেইজিংয়ের দাবি, ২০১৬ সালের সিদ্ধান্তের কোনো বৈধতা নেই এবং এটি চীনের ওপর কার্যকর নয়।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ওই রায় গ্রহণ করে না এবং তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে কোনো বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতিও মেনে নেবে না। চীন দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় পুরো অংশের ওপর নিজেদের দাবি বজায় রেখেছে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তায় বাড়ছে নজর

14 Nations Reject China's South China Sea Claims

দক্ষিণ চীন সাগর বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথ। এ অঞ্চলে সামরিক তৎপরতা, জলসীমার দাবি এবং রাজনৈতিক উত্তেজনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দেশের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট জানায়, নতুন করে দেওয়া এই বিবৃতিগুলো প্রমাণ করছে যে দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক চাপ ও আলোচনা আরও বাড়ছে।

 

জলবায়ু ন্যায়ের সংকটে নেপাল: এলডিসি উত্তরণ ও অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার নতুন পথ

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে ফের উত্তেজনা, চীনের দাবির বিরুদ্ধে ১৪ দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবস্থান

১১:২৩:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ আবারও আলোচনায় এসেছে। ২০১৬ সালের আন্তর্জাতিক সালিশি রায়ের প্রতি সমর্থন জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ১৪টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন চীনের বিস্তৃত দাবির বিরোধিতা করেছে।

রবিবার প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলো জানায়, বিরোধপূর্ণ জলসীমায় এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয় যা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলে। তারা ২০১৬ সালের রায়কে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে।

২০১৬ সালের রায় নিয়ে নতুন করে অবস্থান

২০১৬ সালের ১২ জুলাই নেদারল্যান্ডসের হেগে গঠিত আন্তর্জাতিক সালিশি ট্রাইব্যুনাল দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দেয়। জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক সনদের আওতায় দেওয়া ওই রায়ে ফিলিপাইনের বেশির ভাগ দাবির পক্ষে সিদ্ধান্ত আসে।

14 Nations, EU renew backing for South China Sea award

বিবৃতিতে দেশগুলো জানায়, ওই রায় চূড়ান্ত ও আইনগতভাবে কার্যকর। একই সঙ্গে তারা জোর দিয়ে বলে, শক্তি প্রয়োগ বা চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার যেকোনো পদক্ষেপের বিরোধিতা করা হবে।

চীনের অবস্থান অপরিবর্তিত

চীন শুরু থেকেই এই রায় প্রত্যাখ্যান করে আসছে। বেইজিংয়ের দাবি, ২০১৬ সালের সিদ্ধান্তের কোনো বৈধতা নেই এবং এটি চীনের ওপর কার্যকর নয়।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ওই রায় গ্রহণ করে না এবং তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে কোনো বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতিও মেনে নেবে না। চীন দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় পুরো অংশের ওপর নিজেদের দাবি বজায় রেখেছে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তায় বাড়ছে নজর

14 Nations Reject China's South China Sea Claims

দক্ষিণ চীন সাগর বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথ। এ অঞ্চলে সামরিক তৎপরতা, জলসীমার দাবি এবং রাজনৈতিক উত্তেজনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দেশের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট জানায়, নতুন করে দেওয়া এই বিবৃতিগুলো প্রমাণ করছে যে দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক চাপ ও আলোচনা আরও বাড়ছে।