বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে নাটকীয় হারের পর হতাশা লুকাতে পারেননি ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন। ম্যাচের বড় একটি সময় ভালো খেলেও শেষ মুহূর্তে দুই গোল হজম করে ফাইনালের স্বপ্ন ভেঙে যায় ইংল্যান্ডের।
এগিয়ে গিয়েও হার
ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। তবে গোলের পর আক্রমণ চালিয়ে যাওয়ার বদলে দল কিছুটা রক্ষণাত্মক হয়ে পড়ে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে একের পর এক আক্রমণ চালায় আর্জেন্টিনা।
চাপের মুখে প্রথমে সমতা ফেরান এনজো ফার্নান্দেজ। এরপর যোগ করা সময়ে লাউতারো মার্তিনেজ জয়সূচক গোল করলে ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় ইংল্যান্ডের।

কেইনের হতাশা
ম্যাচ শেষে হ্যারি কেইন বলেন, দলের বেশির ভাগ সময়ের পারফরম্যান্স ভালো ছিল। কিন্তু এগিয়ে যাওয়ার পর তারা মূলত ব্যবধান ধরে রাখার চেষ্টায় মনোযোগী হয়ে পড়ে। তার মতে, এমন বড় মঞ্চে শুধু রক্ষণে ভরসা করলে সাফল্য পাওয়া কঠিন।
কেইন আরও বলেন, পুরো দল সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। খেলোয়াড়রা নিজেদের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছেন। কিন্তু প্রতিপক্ষের ধারাবাহিক আক্রমণের সামনে শেষ পর্যন্ত তারা টিকে থাকতে পারেননি।
শেষ মুহূর্তে ছন্দ হারায় ইংল্যান্ড
ইংল্যান্ড অধিনায়কের ভাষ্য, গোল করার পর দলের লক্ষ্য ছিল আরেকটি গোলের জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়া। কিন্তু আর্জেন্টিনা সমতা ফেরানোর পর ম্যাচের গতি বদলে যায়। পরে দ্বিতীয় গোল হজম করার পরও সমতায় ফেরার চেষ্টা ছিল, তবে কাঙ্ক্ষিত ছন্দ আর ফিরে পাওয়া যায়নি।
ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ
এই হতাশাজনক বিদায়ের পরও ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী কেইন। তার বিশ্বাস, টুর্নামেন্টজুড়ে ইংল্যান্ড অনেক ভালো ফুটবল খেলেছে এবং আরেকটি সেমিফাইনালে ওঠাও ইতিবাচক দিক। তবে শিরোপার লড়াইয়ে সফল হতে হলে শেষ ধাপের ঘাটতি দূর করতেই হবে।
তিনি বলেন, খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং সমর্থকদের জন্য এই হার খুবই কষ্টের। তবু দলকে আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসার লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















