নিউইয়র্কে বড় আকারের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক তথ্যকেন্দ্র স্থাপনের অনুমতি এক বছরের জন্য স্থগিত করার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি মনে করছেন, এই সিদ্ধান্তের কারণে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।
নতুন সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ভবিষ্যতের কর্মসংস্থানের অন্যতম বড় চালিকাশক্তি হতে পারে তথ্যকেন্দ্র। তিনি দাবি করেন, এসব স্থাপনা বিপুল বিনিয়োগ, নতুন চাকরি এবং রাজস্ব আয়ের সুযোগ তৈরি করে।
ট্রাম্প নিউইয়র্ককে দ্রুত এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। তার বক্তব্য, বিনিয়োগকারীরা অন্য রাজ্যে চলে যেতে পারেন, যেখানে এমন প্রকল্পের জন্য তুলনামূলকভাবে বেশি সুবিধা পাওয়া যায়।
নিউইয়র্কের উদ্বেগ কোথায়
নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল জানিয়েছেন, বড় আকারের তথ্যকেন্দ্রের বিদ্যুৎ ব্যবহার, পানির চাহিদা এবং পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে পর্যালোচনার জন্য এই বিরতি নেওয়া হয়েছে।

রাজ্য কর্তৃপক্ষ এই সময়ের মধ্যে এমন একটি নীতিমালা তৈরির কাজ করবে, যাতে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবরাহ ও পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়গুলোও বিবেচনায় থাকে।
প্রযুক্তি খাতে নতুন বিতর্ক
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বজুড়ে তথ্যকেন্দ্র নির্মাণ বেড়েছে। তবে এসব স্থাপনার জন্য বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ ও পানি প্রয়োজন হওয়ায় বিভিন্ন অঞ্চলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
নিউইয়র্কের এই সিদ্ধান্ত প্রযুক্তি বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং পরিবেশ রক্ষার মধ্যে ভারসাম্য নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তথ্যকেন্দ্র নিয়ে নিউইয়র্কের সিদ্ধান্ত, ট্রাম্পের আপত্তি ও প্রযুক্তি বিনিয়োগের নতুন বিতর্ক
নিউইয়র্কে তথ্যকেন্দ্র স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়ে ট্রাম্পের আপত্তি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ নিয়ে বাড়ছে আলোচনা।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















