০৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

বিশ্বকাপের পরাজয়ের যন্ত্রণা নয়, অনুভূতিহীনতাই জীবনের সবচেয়ে বড় হার

বিশ্বকাপের মতো বড় কোনো টুর্নামেন্ট শেষ হলে মানুষের মনে সাধারণত দুটি অনুভূতি একসঙ্গে কাজ করে—অর্জনের গর্ব এবং অপূর্ণতার কষ্ট। একটি দল জেতে, আর অসংখ্য সমর্থক হার মানে বাস্তবতার কাছে। কিন্তু খেলাধুলার প্রকৃত মূল্য কি কেবল ট্রফি জয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ? নাকি আরও গভীরে, মানুষের অনুভব করার ক্ষমতার মধ্যেই এর সবচেয়ে বড় তাৎপর্য লুকিয়ে আছে?

ইংল্যান্ডের আরেকটি বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়েছে হতাশায়। কিন্তু এই হতাশা কেবল একটি ম্যাচের ফল নয়; এটি বহু প্রজন্ম ধরে গড়ে ওঠা স্মৃতি, প্রত্যাশা, আশা এবং বারবার ভেঙে পড়ার ইতিহাসের অংশ। মারাদোনার ‘হ্যান্ড অব গড’, গাজ্জার কান্না, বেকহ্যামের লাল কার্ড, ল্যাম্পার্ডের অস্বীকৃত গোল কিংবা টাইব্রেকারের অভিশাপ—এসব ঘটনা ইংল্যান্ডের ফুটবল ইতিহাসে কেবল পরিসংখ্যান নয়, বরং সমষ্টিগত আবেগের স্থায়ী চিহ্ন।

খেলাধুলার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, এটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে সামাজিক স্মৃতিতে রূপ দেয়। মানুষ অনেক সময় মনে রাখতে পারে না কোনো নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার মুহূর্তে সে কোথায় ছিল, কিন্তু একটি বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শেষ বাঁশি বাজার সময়ের দৃশ্য, ঘরের পরিবেশ কিংবা পাশে বসে থাকা মানুষের মুখ সে বহু বছর পরও মনে রাখতে পারে। কারণ এসব মুহূর্ত শুধু খেলার নয়; এগুলো পরিবার, বন্ধুত্ব এবং একসঙ্গে আবেগ ভাগ করে নেওয়ার স্মৃতি।

এই বিশ্বকাপও তেমন অনেক স্মৃতি রেখে গেল। ভোররাতে পরিবারের সঙ্গে বসে ম্যাচ দেখা, প্রতিটি গোলের পর ঘরজুড়ে উল্লাস, অচেনা মানুষের সঙ্গে একই আনন্দে শামিল হওয়া কিংবা স্টেডিয়ামে সমর্থকদের সম্মিলিত কণ্ঠ—এসব অভিজ্ঞতার মূল্য কোনো শিরোপা দিয়ে মাপা যায় না। একটি সফল টুর্নামেন্ট শেষ পর্যন্ত মানুষের জীবনের অংশ হয়ে যায়, কারণ এটি আমাদের এমন কিছু অনুভূতি দেয়, যা দৈনন্দিন জীবনে খুব কমই পাওয়া যায়।

তবু পরাজয়ের মুহূর্তে বিশ্লেষণ এড়ানো যায় না। ইংল্যান্ডের এই হারের মধ্যেও একটি পরিচিত চিত্র দেখা গেছে। শুরুতে সাহসী ফুটবল খেলে এগিয়ে যাওয়ার পর দলটি ধীরে ধীরে নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দ হারিয়েছে। প্রতিপক্ষকে চাপে রাখার বদলে নিজেদের রক্ষণাত্মক মানসিকতার ভেতর গুটিয়ে নিয়েছে। অনেক বড় দলের মতো তারাও এমন এক মানসিক ফাঁদে আটকে গেছে, যেখানে জয়ের চেষ্টা করার পরিবর্তে হার এড়ানোই প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়। আর সেখান থেকেই প্রতিপক্ষ ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নেয়।

এ ধরনের পরাজয় সমর্থকদের হতাশ করে, কারণ তারা জানে দলটির আরও ভালো করার সামর্থ্য ছিল। কিন্তু এই কষ্টের মধ্যেও এমন কিছু থাকে, যা মানুষকে আবার পরের টুর্নামেন্টের অপেক্ষায় রাখে। কারণ সমর্থক হওয়া মানেই যুক্তির বাইরে গিয়ে বিশ্বাস করা, আবারও স্বপ্ন দেখা এবং আবারও ভেঙে পড়ার ঝুঁকি নেওয়া।

BBC World Service - The Thought Show, Italy's Football Failure, Russia's  Blogger for President

অনেকেই এমন আবেগকে তুচ্ছ করে বলেন, “এ তো শুধু একটা খেলা।” কথাটি আংশিক সত্য। ফুটবল কোনো যুদ্ধ নয়, রাষ্ট্রের ভাগ্য নির্ধারণ করে না, মানুষের মৌলিক সমস্যারও সমাধান করে না। কিন্তু খেলাধুলা মানুষের জীবনে অন্য এক ধরনের প্রয়োজন পূরণ করে। এটি এমন এক ক্ষেত্র, যেখানে মানুষ বিনা সংকোচে আনন্দ, ভয়, উদ্বেগ, গর্ব কিংবা বেদনা অনুভব করতে পারে। আধুনিক জীবনের যান্ত্রিকতা যেখানে অনুভূতিকে প্রায়ই চাপা দিতে শেখায়, সেখানে খেলাধুলা মানুষকে আবার অনুভব করার সুযোগ করে দেয়।

জীবনের গভীর সত্যগুলোর একটি হলো—আনন্দ এবং বেদনা পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়; তারা একই অভিজ্ঞতার দুই দিক। যে মানুষ কোনো কিছুর জন্য গভীরভাবে আশা করতে পারে না, সে প্রকৃত আনন্দও পায় না। আবার যে হারার কষ্ট এড়িয়ে চলতে চায়, সে জয়ের উচ্ছ্বাস থেকেও নিজেকে বঞ্চিত করে। তাই ব্যর্থতার সম্ভাবনাই আসলে সাফল্যের অনুভূতিকে মূল্যবান করে তোলে।

একটি শিশু যখন নিজের প্রিয় দল হারার পর কান্না চেপে রাখতে পারে না, তখন সেটিকে দুর্বলতা হিসেবে দেখা উচিত নয়। বরং সেটিই প্রমাণ করে যে সে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে একটি অভিজ্ঞতার মধ্যে যুক্ত করতে পেরেছে। এই সংবেদনশীলতাই পরবর্তীকালে তাকে শিল্প, সাহিত্য, সংগীত কিংবা মানুষের সম্পর্কের গভীরতাও উপলব্ধি করতে সাহায্য করবে। অনুভব করার ক্ষমতা এক জায়গায় তৈরি হয় না; এটি জীবনের সব ক্ষেত্রেই ছড়িয়ে পড়ে।

এই কারণেই খেলাধুলার পরাজয়কে কেবল হতাশা হিসেবে দেখা ভুল। এগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে আমরা এখনও আশা করি, এখনও স্বপ্ন দেখি, এখনও কোনো কিছুর জন্য হৃদয় উজাড় করে দিতে পারি।

শেষ পর্যন্ত জীবনের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি পরাজয় নয়। সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হলো এমন এক অবস্থায় পৌঁছে যাওয়া, যেখানে কোনো জয় আর উচ্ছ্বাস জাগায় না, কোনো হার আর কষ্ট দেয় না, কোনো মুহূর্তই হৃদয়ে দাগ কাটে না।

যতদিন মানুষ জয়ের আনন্দে হাসতে পারে এবং হারের বেদনায় নীরব হয়ে যেতে পারে, ততদিন তার জীবনের স্পন্দন অটুট থাকে। কারণ অনুভূতির গভীরতাই মানুষকে সত্যিকার অর্থে জীবন্ত করে তোলে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

বিশ্বকাপের পরাজয়ের যন্ত্রণা নয়, অনুভূতিহীনতাই জীবনের সবচেয়ে বড় হার

০৯:০৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের মতো বড় কোনো টুর্নামেন্ট শেষ হলে মানুষের মনে সাধারণত দুটি অনুভূতি একসঙ্গে কাজ করে—অর্জনের গর্ব এবং অপূর্ণতার কষ্ট। একটি দল জেতে, আর অসংখ্য সমর্থক হার মানে বাস্তবতার কাছে। কিন্তু খেলাধুলার প্রকৃত মূল্য কি কেবল ট্রফি জয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ? নাকি আরও গভীরে, মানুষের অনুভব করার ক্ষমতার মধ্যেই এর সবচেয়ে বড় তাৎপর্য লুকিয়ে আছে?

ইংল্যান্ডের আরেকটি বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়েছে হতাশায়। কিন্তু এই হতাশা কেবল একটি ম্যাচের ফল নয়; এটি বহু প্রজন্ম ধরে গড়ে ওঠা স্মৃতি, প্রত্যাশা, আশা এবং বারবার ভেঙে পড়ার ইতিহাসের অংশ। মারাদোনার ‘হ্যান্ড অব গড’, গাজ্জার কান্না, বেকহ্যামের লাল কার্ড, ল্যাম্পার্ডের অস্বীকৃত গোল কিংবা টাইব্রেকারের অভিশাপ—এসব ঘটনা ইংল্যান্ডের ফুটবল ইতিহাসে কেবল পরিসংখ্যান নয়, বরং সমষ্টিগত আবেগের স্থায়ী চিহ্ন।

খেলাধুলার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, এটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে সামাজিক স্মৃতিতে রূপ দেয়। মানুষ অনেক সময় মনে রাখতে পারে না কোনো নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার মুহূর্তে সে কোথায় ছিল, কিন্তু একটি বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শেষ বাঁশি বাজার সময়ের দৃশ্য, ঘরের পরিবেশ কিংবা পাশে বসে থাকা মানুষের মুখ সে বহু বছর পরও মনে রাখতে পারে। কারণ এসব মুহূর্ত শুধু খেলার নয়; এগুলো পরিবার, বন্ধুত্ব এবং একসঙ্গে আবেগ ভাগ করে নেওয়ার স্মৃতি।

এই বিশ্বকাপও তেমন অনেক স্মৃতি রেখে গেল। ভোররাতে পরিবারের সঙ্গে বসে ম্যাচ দেখা, প্রতিটি গোলের পর ঘরজুড়ে উল্লাস, অচেনা মানুষের সঙ্গে একই আনন্দে শামিল হওয়া কিংবা স্টেডিয়ামে সমর্থকদের সম্মিলিত কণ্ঠ—এসব অভিজ্ঞতার মূল্য কোনো শিরোপা দিয়ে মাপা যায় না। একটি সফল টুর্নামেন্ট শেষ পর্যন্ত মানুষের জীবনের অংশ হয়ে যায়, কারণ এটি আমাদের এমন কিছু অনুভূতি দেয়, যা দৈনন্দিন জীবনে খুব কমই পাওয়া যায়।

তবু পরাজয়ের মুহূর্তে বিশ্লেষণ এড়ানো যায় না। ইংল্যান্ডের এই হারের মধ্যেও একটি পরিচিত চিত্র দেখা গেছে। শুরুতে সাহসী ফুটবল খেলে এগিয়ে যাওয়ার পর দলটি ধীরে ধীরে নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দ হারিয়েছে। প্রতিপক্ষকে চাপে রাখার বদলে নিজেদের রক্ষণাত্মক মানসিকতার ভেতর গুটিয়ে নিয়েছে। অনেক বড় দলের মতো তারাও এমন এক মানসিক ফাঁদে আটকে গেছে, যেখানে জয়ের চেষ্টা করার পরিবর্তে হার এড়ানোই প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়। আর সেখান থেকেই প্রতিপক্ষ ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নেয়।

এ ধরনের পরাজয় সমর্থকদের হতাশ করে, কারণ তারা জানে দলটির আরও ভালো করার সামর্থ্য ছিল। কিন্তু এই কষ্টের মধ্যেও এমন কিছু থাকে, যা মানুষকে আবার পরের টুর্নামেন্টের অপেক্ষায় রাখে। কারণ সমর্থক হওয়া মানেই যুক্তির বাইরে গিয়ে বিশ্বাস করা, আবারও স্বপ্ন দেখা এবং আবারও ভেঙে পড়ার ঝুঁকি নেওয়া।

BBC World Service - The Thought Show, Italy's Football Failure, Russia's  Blogger for President

অনেকেই এমন আবেগকে তুচ্ছ করে বলেন, “এ তো শুধু একটা খেলা।” কথাটি আংশিক সত্য। ফুটবল কোনো যুদ্ধ নয়, রাষ্ট্রের ভাগ্য নির্ধারণ করে না, মানুষের মৌলিক সমস্যারও সমাধান করে না। কিন্তু খেলাধুলা মানুষের জীবনে অন্য এক ধরনের প্রয়োজন পূরণ করে। এটি এমন এক ক্ষেত্র, যেখানে মানুষ বিনা সংকোচে আনন্দ, ভয়, উদ্বেগ, গর্ব কিংবা বেদনা অনুভব করতে পারে। আধুনিক জীবনের যান্ত্রিকতা যেখানে অনুভূতিকে প্রায়ই চাপা দিতে শেখায়, সেখানে খেলাধুলা মানুষকে আবার অনুভব করার সুযোগ করে দেয়।

জীবনের গভীর সত্যগুলোর একটি হলো—আনন্দ এবং বেদনা পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়; তারা একই অভিজ্ঞতার দুই দিক। যে মানুষ কোনো কিছুর জন্য গভীরভাবে আশা করতে পারে না, সে প্রকৃত আনন্দও পায় না। আবার যে হারার কষ্ট এড়িয়ে চলতে চায়, সে জয়ের উচ্ছ্বাস থেকেও নিজেকে বঞ্চিত করে। তাই ব্যর্থতার সম্ভাবনাই আসলে সাফল্যের অনুভূতিকে মূল্যবান করে তোলে।

একটি শিশু যখন নিজের প্রিয় দল হারার পর কান্না চেপে রাখতে পারে না, তখন সেটিকে দুর্বলতা হিসেবে দেখা উচিত নয়। বরং সেটিই প্রমাণ করে যে সে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে একটি অভিজ্ঞতার মধ্যে যুক্ত করতে পেরেছে। এই সংবেদনশীলতাই পরবর্তীকালে তাকে শিল্প, সাহিত্য, সংগীত কিংবা মানুষের সম্পর্কের গভীরতাও উপলব্ধি করতে সাহায্য করবে। অনুভব করার ক্ষমতা এক জায়গায় তৈরি হয় না; এটি জীবনের সব ক্ষেত্রেই ছড়িয়ে পড়ে।

এই কারণেই খেলাধুলার পরাজয়কে কেবল হতাশা হিসেবে দেখা ভুল। এগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে আমরা এখনও আশা করি, এখনও স্বপ্ন দেখি, এখনও কোনো কিছুর জন্য হৃদয় উজাড় করে দিতে পারি।

শেষ পর্যন্ত জীবনের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি পরাজয় নয়। সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হলো এমন এক অবস্থায় পৌঁছে যাওয়া, যেখানে কোনো জয় আর উচ্ছ্বাস জাগায় না, কোনো হার আর কষ্ট দেয় না, কোনো মুহূর্তই হৃদয়ে দাগ কাটে না।

যতদিন মানুষ জয়ের আনন্দে হাসতে পারে এবং হারের বেদনায় নীরব হয়ে যেতে পারে, ততদিন তার জীবনের স্পন্দন অটুট থাকে। কারণ অনুভূতির গভীরতাই মানুষকে সত্যিকার অর্থে জীবন্ত করে তোলে।