০৯:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
 বিদেশি শ্রমনীতি: সস্তা শ্রম নয়, রাষ্ট্রের জন্য সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রাই এখন লক্ষ্য জিজিগার করব্যবস্থার সংকট: রাজস্ব আদায়, ব্যবসায়িক গোপনীয়তা ও ডিজিটাল সংস্কারের নতুন পরীক্ষা চা পানে দীর্ঘায়ু থেকে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যে মিলতে পারে ৫ উপকার ইরান যুদ্ধের মূল্য এখন আর যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সার্থক নয় এশীয় ব্যবসায়ীদের চাপে মধ্য ও পূর্ব ইউরোপে শিল্পভাড়া দ্বিগুণ ঋণের বোঝা থাকলে প্রেমেও ‘না’ বলছেন মিলেনিয়াল ও জেন-জি ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারে মার্কিন ঋণ, বাড়ছে অর্থনীতির আর্থিক ঝুঁকি কলকাতার হোটেল অগ্নিকাণ্ডে  নিহতদের মধ্যে সাতক্ষীরার দুজন রোহিঙ্গারা পরিবেশ ধ্বংস, মাদক চোরাচালানসহ নানা অপকর্মে জড়িত: সেনাপ্রধান ইবনে খালদুনের উত্তরাধিকার: ইতিহাসের আলোয় এক অসামান্য চিন্তাবিদ ও তাঁর সীমাবদ্ধতা

নোয়াখালীর দুই আসামিকে জামিন না দিয়ে পুলিশে দেওয়ার নির্দেশ:হাইকোর্ট

  • Sarakhon Report
  • ০৬:১৭:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ জুন ২০২৪
  • 161

নিজস্ব প্রতিবেদক 

জমিজমার বিরোধের জের ধরে হামলা মামলায় নোয়াখালীর দুই আসামিকে আগাম জামিন না দিয়ে পুলিশে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ও বিচারপতি ফাহমিদা কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের আগাম জামিন আবেদন খারিজ করে আদেশ দেন। পরে তাদের শাহবাগ থানা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

 

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী এ্যাটর্নি জেনারেল সাহাব উদ্দিন আহম্মদ টিপু ও মো. মুজিবুর রহমান মুজিব। আসামিপক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. মাগফুর রহমান শেখ। ১৩ এপ্রিল নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করেন শরীফপুর ইউনিয়নের বাবুনগর গ্রামের মো.নুরুল ইসলাম। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামিদের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল নুরুল ইসলামের।

 

 

এ অবস্থায় ১২ এপ্রিল আসামিরা হামলা চালিয়ে নুরুল ইসলামের লোকজনকে রক্তাক্ত জখম করেন। এতে একজনের কব্জিতে কোপ লাগে। আরেকজনের মাথায় কোপ পড়ে। কাটা স্থানে ১১টি সেলাই দিতে হয়েছে। এছাড়া, আসামিরা সোনার চেইন ও নগদ ২৫ হাজার টাকা নিয়ে যান। পাশাপাশি একটি নিশান গাড়ি ভাঙচুর করেন।

এ মামলার এক নম্বর আসামি গোলাম সারোয়ার (৪৫)ও দুই নম্বর আসামি মো. মফিজ মিয়া (৫৫) হাইকোর্টে আগাম জামিন চেয়ে আবেদন করেন। সহকারী এ্যাটর্নি জেনারেল সাহাব উদ্দিন আহম্মদ টিপু জানান, শুনানিতে আবেদনকারীদের আইনজীবী এজাহারের বর্ণনা গোপন করেছিলেন। মূল যে অভিযোগ সেটি উপস্থাপন করেননি। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে আদালতে সচিত্র প্রতিবেদন তুলে ধরি।

হামলায় জখম হওয়া তিনজন ভিকটিম হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ কথাগুলো গোপন রাখা হয়েছে। পরে আদালত আইনজীবীর প্রতি উষ্মা প্রকাশ করে আসামিদের আগাম জামিন আবেদন খারিজ করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন। তাদের শাহবাগ থানা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

 বিদেশি শ্রমনীতি: সস্তা শ্রম নয়, রাষ্ট্রের জন্য সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রাই এখন লক্ষ্য

নোয়াখালীর দুই আসামিকে জামিন না দিয়ে পুলিশে দেওয়ার নির্দেশ:হাইকোর্ট

০৬:১৭:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ জুন ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক 

জমিজমার বিরোধের জের ধরে হামলা মামলায় নোয়াখালীর দুই আসামিকে আগাম জামিন না দিয়ে পুলিশে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ও বিচারপতি ফাহমিদা কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের আগাম জামিন আবেদন খারিজ করে আদেশ দেন। পরে তাদের শাহবাগ থানা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

 

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী এ্যাটর্নি জেনারেল সাহাব উদ্দিন আহম্মদ টিপু ও মো. মুজিবুর রহমান মুজিব। আসামিপক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. মাগফুর রহমান শেখ। ১৩ এপ্রিল নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করেন শরীফপুর ইউনিয়নের বাবুনগর গ্রামের মো.নুরুল ইসলাম। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামিদের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল নুরুল ইসলামের।

 

 

এ অবস্থায় ১২ এপ্রিল আসামিরা হামলা চালিয়ে নুরুল ইসলামের লোকজনকে রক্তাক্ত জখম করেন। এতে একজনের কব্জিতে কোপ লাগে। আরেকজনের মাথায় কোপ পড়ে। কাটা স্থানে ১১টি সেলাই দিতে হয়েছে। এছাড়া, আসামিরা সোনার চেইন ও নগদ ২৫ হাজার টাকা নিয়ে যান। পাশাপাশি একটি নিশান গাড়ি ভাঙচুর করেন।

এ মামলার এক নম্বর আসামি গোলাম সারোয়ার (৪৫)ও দুই নম্বর আসামি মো. মফিজ মিয়া (৫৫) হাইকোর্টে আগাম জামিন চেয়ে আবেদন করেন। সহকারী এ্যাটর্নি জেনারেল সাহাব উদ্দিন আহম্মদ টিপু জানান, শুনানিতে আবেদনকারীদের আইনজীবী এজাহারের বর্ণনা গোপন করেছিলেন। মূল যে অভিযোগ সেটি উপস্থাপন করেননি। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে আদালতে সচিত্র প্রতিবেদন তুলে ধরি।

হামলায় জখম হওয়া তিনজন ভিকটিম হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ কথাগুলো গোপন রাখা হয়েছে। পরে আদালত আইনজীবীর প্রতি উষ্মা প্রকাশ করে আসামিদের আগাম জামিন আবেদন খারিজ করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন। তাদের শাহবাগ থানা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।