০৪:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
স্বর্ণের নতুন অধ্যায়: ক্রিপ্টো নয়, তবে নিরাপদ আশ্রয়ও নয় শরীরের পরিপূর্ণ ক্ষমতা মাপার সহজ উপায়: নিজের ঘরে বা জিমে প্রয়োগ করুন তাইওয়ানের বিরোধীদলীয় নেতার চীন সফর নতুন রাজনৈতিক বার্তা দিল শরীরের ৪০ পেরিয়ে সুস্থতার সঠিক পথ: আত্মপ্রেমের দৈনন্দিন চর্চা বসন্তের স্বাদে রোস্টেড মুলা সালাদে বুর্রাটা মিলন জাপানি স্টাইল স্প্রিং অনিয়ন প্যানকেক: স্বাদে বসন্তের ছোঁয়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উল্লেখযোগ্য লক্ষ্যনির্ধারণ উন্নয়নই ইরানে ভূগোলকে অতিক্রম করার জন্য যথেষ্ট নয় কম লবণে বড় স্বাদ: টার্কি মিটবলের নতুন রেসিপি চিনি এবং ত্বকের স্বাস্থ্যের ওপর পুষ্টিবিদ ও চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতামত বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২ হাজার ৯৮১ কোটি ডলারে স্থির

প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বেঁচে থাকবে: হাইক‌মিশনার

  • Sarakhon Report
  • ০২:৪১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মার্চ ২০২৪
  • 162

সারাক্ষণ ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম আল্লামা সিদ্দিকী বলেছেন, বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থের বিষয়ে বঙ্গবন্ধু কখনও আপস করেননি। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বেঁচে থাকবে।

রোববার (১৭ মার্চ) অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ হাইক‌মিশনে জাতীয় শিশু দিবস পালন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন হাইক‌মিশনার।

হাইকমিশনার বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও সংগ্রামের পরিণতি স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু তার সাহস ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে সমগ্র জাতিকে সংগঠিত ও স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুত করেন।

তি‌নি বলেন, দেশে-বিদেশে শিশু-কিশোরদের মাঝে দেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে হবে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। এতে দেশ‌টির রাজধানী ক্যানবেরাসহ বিভিন্ন রাজ্যের শিশু-কিশোররা অংশগ্রহণ করে।

শিশু দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনে শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ সময় শিশু-কিশোরদের নিয়ে কেক কাটেন এবং তাদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন হাইকমিশনার এম আল্লামা সিদ্দিকী।

এছাড়া বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং বঙ্গবন্ধুর জীবন ও দর্শনের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর আত্মার মাগফিরাত ও বাংলাদেশের উত্তরোত্তর উন্নতি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত এবং নিজ নিজ ধর্মমতে মৌন প্রার্থনা করা হয়। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।

এর আগে, হাইকমিশনার জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এসব অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশি, বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বর্ণের নতুন অধ্যায়: ক্রিপ্টো নয়, তবে নিরাপদ আশ্রয়ও নয়

প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বেঁচে থাকবে: হাইক‌মিশনার

০২:৪১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মার্চ ২০২৪

সারাক্ষণ ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম আল্লামা সিদ্দিকী বলেছেন, বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থের বিষয়ে বঙ্গবন্ধু কখনও আপস করেননি। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বেঁচে থাকবে।

রোববার (১৭ মার্চ) অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ হাইক‌মিশনে জাতীয় শিশু দিবস পালন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন হাইক‌মিশনার।

হাইকমিশনার বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও সংগ্রামের পরিণতি স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু তার সাহস ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে সমগ্র জাতিকে সংগঠিত ও স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুত করেন।

তি‌নি বলেন, দেশে-বিদেশে শিশু-কিশোরদের মাঝে দেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে হবে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। এতে দেশ‌টির রাজধানী ক্যানবেরাসহ বিভিন্ন রাজ্যের শিশু-কিশোররা অংশগ্রহণ করে।

শিশু দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনে শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ সময় শিশু-কিশোরদের নিয়ে কেক কাটেন এবং তাদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন হাইকমিশনার এম আল্লামা সিদ্দিকী।

এছাড়া বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং বঙ্গবন্ধুর জীবন ও দর্শনের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর আত্মার মাগফিরাত ও বাংলাদেশের উত্তরোত্তর উন্নতি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত এবং নিজ নিজ ধর্মমতে মৌন প্রার্থনা করা হয়। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।

এর আগে, হাইকমিশনার জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এসব অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশি, বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।