০৮:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হচ্ছে না, জানাল ইরান ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় আট মাস পর সংকুচিত যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি যারা সার্কের ঐক্য চায় না, শুধু দুই দেশের ঐক্যের কথা বললে সন্দেহ থাকবে: তথ্যমন্ত্রী ভারতের নতুন সেনাপ্রধান হচ্ছেন ধীরাজ শেঠ, দায়িত্ব নেবেন ৩০ জুন আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের দাবি, কোটি টাকার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, ফিনল্যান্ডগামী মিয়ানমারের শিক্ষার্থীদের কান্না বিশ্বকাপ ঘিরে চীনে ফুটবল উন্মাদনা, চাঙ্গা হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য রংপুর মেডিক্যালে চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগে জরুরি বিভাগ বন্ধ, সড়ক অবরোধে উত্তেজনা যুবদল নেতাসহ দুইজন গ্রেপ্তার, সোনারগাঁয়ে নারী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের অবসান ঘনিয়ে, হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন সমঝোতার ইঙ্গিত

যেভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠে ‘রহমান-শবনম’ জুটি শুভ জন্মদিন শবনম

  • Sarakhon Report
  • ০১:৪৭:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৪
  • 138
সারাক্ষণ প্রতিবেদক
বাংলাদেশের সিনেমায় প্রথম সফল জুটি রহমান-শবনম জুটি। এরপর থেকে আজ অবধি বাংলাদেশের সিনেমায় জুটি প্রথা বিশেষভাবে বিবেচিত হয়ে আসছে। রহমান-শবনম জুটির পর বাংলাদেশের সিনেমায় ‘রাজ্জাক-কবরী’, ‘আলমগীর-শাবানা’,‘ জাফর ইকবাল-ববিতা’,‘ সালমান শাহ-শাবনূর’,‘ মৌসুমী-ওমরসানী’,‘ শাকিব-অপু’ বিশ্বাস জুটিও দর্শকের ভালোবাসায় সিক্ত হয়।
১৯৬০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এহতেশাম পরিচালিত ‘রাজধানীর বুকে’ সিনেমায় ‘আমি রূপ নগরের রাজকন্যা, রূপের জাদু এনেছি’ গানটিতেই শুধু পারফর্ম করে প্রথম আলোচনায় আসেন শবনম। তার পারফর্ম্যান্স দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন দর্শক। যে কারণে এহতেশামের প্রযোজনায় তার ভাই মুস্তাফিজ ‘ হারানো দিন’ সিনেমাতে ‘রহমান-শবনম’কে জুটি হিসেবে নিয়ে কাজ শুরু করেন। সিনেমাটি ১৯৬১ সালের ৪ আগস্ট মুক্তি পায়। প্রথম সিনেমাতেই রহমান-শবনম’র অভিনয়ে মুগ্ধ হয় দর্শক।
এরপর তারা দু’জন বাংলা-উর্দু সিনেমায় জুটি হিসেবে অভিনয় করেন ‘জোয়ার ভাটা’, ‘আমার সংসার’,‘ চান্দা’,‘ তালাশ’, ‘প্রীত না জানে রীত’,‘ দরশন’,‘ চলো মান গায়ে’,‘ চাহাত’সহ আরো বেশ কয়েকটি সিনেমা। তবে একটা সময় এসে শবনম পাকিস্তানের সিনেমায় অভিনয়ে তুমুল ব্যস্ত হয়ে উঠায় বাংলাদেশে খুউব বেশি সিনেমাতে অভিনয় করার সুযোগ হয়ে উঠেনি। অশোক ঘোষের ‘নাচের পুতুল’ সিনেমাতে অভিনয় করে আবারো সাড়া ফেলেন শবনম। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ ১৯৭১ সালের ৮ জানুয়ারি সিনেমাটি মুক্তি পায়।
এই সিনেমারই গান ‘আয়নাতে ঐ মুখ দেখবে যখন’ এখনো শ্রোতা দর্শকের ভীষণ প্রিয় একটি গান। এরপরও শবনম ‘শর্ত’,‘ সন্ধান’,‘ জুলি’, ‘কারণ’, ‘যোগাযোগ’,‘ সন্দেহ’ সিনেমাতে অভিনয় করেন। ১৯৯৯ সালের ২৫ জুন দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশে শবনম অভিনীত কেবানো সিনেমা মুক্তি পায়। সিনেমাটির নাম ছিলো ‘আম্মাজান’, এটি নির্মাণ করেছিলেন কাজী হায়াৎ। এই সিনেমাতে তিনি নায়ক মান্নার মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।
এটিই ছিলো তার অভিনীত সর্বশেষ সিনেমা। আর সর্বশেষ সিনেমাতেই অনবদ্য অভিনয়ের কারণে এখনো দর্শকের কাছে তিনি ‘আম্মাজান’ হিসেবেই সমাদৃত হয়ে আছেন। এদিকে আজ শবনমের জন্মদিন। জন্মদিনে কখনোই তিনি বিশেষ কোনো আয়োজন করেন না। দিনটিকে বিশেষভাবে উদযাপনও করেন না তিনি। শবনম বলেন,‘ ছোটবেলায় জন্মদিন উদযাপন ছিলো অনেক আনন্দের।
গিফট পেতাম, খুউব ভালোলাগতো। বাবা মা’কে সবসময়ই ভীষণ মিস করি। মিস করি ছোটবেলার বন্ধুদের। আর মিস করি ফেলে আসা দিন। জীবনের শেষ সময়ে এসে পৌঁছেছি। সবার কাছে দোয়া চাই যতোদিন বাঁচি, যেন সুস্থ অবস্থাতেই বাঁচি। আর আমার দেশটা যেন ভালো থাকে, দেশের মানুষ যেন শান্তিতে থাকে।’
জনপ্রিয় সংবাদ

রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হচ্ছে না, জানাল ইরান

যেভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠে ‘রহমান-শবনম’ জুটি শুভ জন্মদিন শবনম

০১:৪৭:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৪
সারাক্ষণ প্রতিবেদক
বাংলাদেশের সিনেমায় প্রথম সফল জুটি রহমান-শবনম জুটি। এরপর থেকে আজ অবধি বাংলাদেশের সিনেমায় জুটি প্রথা বিশেষভাবে বিবেচিত হয়ে আসছে। রহমান-শবনম জুটির পর বাংলাদেশের সিনেমায় ‘রাজ্জাক-কবরী’, ‘আলমগীর-শাবানা’,‘ জাফর ইকবাল-ববিতা’,‘ সালমান শাহ-শাবনূর’,‘ মৌসুমী-ওমরসানী’,‘ শাকিব-অপু’ বিশ্বাস জুটিও দর্শকের ভালোবাসায় সিক্ত হয়।
১৯৬০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এহতেশাম পরিচালিত ‘রাজধানীর বুকে’ সিনেমায় ‘আমি রূপ নগরের রাজকন্যা, রূপের জাদু এনেছি’ গানটিতেই শুধু পারফর্ম করে প্রথম আলোচনায় আসেন শবনম। তার পারফর্ম্যান্স দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন দর্শক। যে কারণে এহতেশামের প্রযোজনায় তার ভাই মুস্তাফিজ ‘ হারানো দিন’ সিনেমাতে ‘রহমান-শবনম’কে জুটি হিসেবে নিয়ে কাজ শুরু করেন। সিনেমাটি ১৯৬১ সালের ৪ আগস্ট মুক্তি পায়। প্রথম সিনেমাতেই রহমান-শবনম’র অভিনয়ে মুগ্ধ হয় দর্শক।
এরপর তারা দু’জন বাংলা-উর্দু সিনেমায় জুটি হিসেবে অভিনয় করেন ‘জোয়ার ভাটা’, ‘আমার সংসার’,‘ চান্দা’,‘ তালাশ’, ‘প্রীত না জানে রীত’,‘ দরশন’,‘ চলো মান গায়ে’,‘ চাহাত’সহ আরো বেশ কয়েকটি সিনেমা। তবে একটা সময় এসে শবনম পাকিস্তানের সিনেমায় অভিনয়ে তুমুল ব্যস্ত হয়ে উঠায় বাংলাদেশে খুউব বেশি সিনেমাতে অভিনয় করার সুযোগ হয়ে উঠেনি। অশোক ঘোষের ‘নাচের পুতুল’ সিনেমাতে অভিনয় করে আবারো সাড়া ফেলেন শবনম। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ ১৯৭১ সালের ৮ জানুয়ারি সিনেমাটি মুক্তি পায়।
এই সিনেমারই গান ‘আয়নাতে ঐ মুখ দেখবে যখন’ এখনো শ্রোতা দর্শকের ভীষণ প্রিয় একটি গান। এরপরও শবনম ‘শর্ত’,‘ সন্ধান’,‘ জুলি’, ‘কারণ’, ‘যোগাযোগ’,‘ সন্দেহ’ সিনেমাতে অভিনয় করেন। ১৯৯৯ সালের ২৫ জুন দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশে শবনম অভিনীত কেবানো সিনেমা মুক্তি পায়। সিনেমাটির নাম ছিলো ‘আম্মাজান’, এটি নির্মাণ করেছিলেন কাজী হায়াৎ। এই সিনেমাতে তিনি নায়ক মান্নার মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।
এটিই ছিলো তার অভিনীত সর্বশেষ সিনেমা। আর সর্বশেষ সিনেমাতেই অনবদ্য অভিনয়ের কারণে এখনো দর্শকের কাছে তিনি ‘আম্মাজান’ হিসেবেই সমাদৃত হয়ে আছেন। এদিকে আজ শবনমের জন্মদিন। জন্মদিনে কখনোই তিনি বিশেষ কোনো আয়োজন করেন না। দিনটিকে বিশেষভাবে উদযাপনও করেন না তিনি। শবনম বলেন,‘ ছোটবেলায় জন্মদিন উদযাপন ছিলো অনেক আনন্দের।
গিফট পেতাম, খুউব ভালোলাগতো। বাবা মা’কে সবসময়ই ভীষণ মিস করি। মিস করি ছোটবেলার বন্ধুদের। আর মিস করি ফেলে আসা দিন। জীবনের শেষ সময়ে এসে পৌঁছেছি। সবার কাছে দোয়া চাই যতোদিন বাঁচি, যেন সুস্থ অবস্থাতেই বাঁচি। আর আমার দেশটা যেন ভালো থাকে, দেশের মানুষ যেন শান্তিতে থাকে।’