০১:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: সার-সংকটের শঙ্কায় বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহ, ক্ষুধার ঝুঁকিতে দরিদ্র দেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জোয়ারে ওরাকলের বড় উত্থান, ২০২৭ সালের আগেই আয়ে নতুন রেকর্ডের ইঙ্গিত পিরিয়ড ট্যাক্সের বিরুদ্ধে তরুণ আইনজীবী মাহনূর ওমরের লড়াই, পাকিস্তানে শুরু নতুন জাতীয় বিতর্ক ১.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য: বিশ্বের বৃহত্তম শেয়ার বাজারে নামতে প্রস্তুত ইলন মাস্কের স্পেসএক্স ক্রিপ্টো দুনিয়ায় দ্রুত উত্থান ‘স্টেবলকয়েন’-এর, ডলার নির্ভর এই মুদ্রা ঘিরে বাড়ছে ঝুঁকি ও সম্ভাবনার বিতর্ক ইরানপন্থী সমাবেশের আশঙ্কা, লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করলেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোমানিয়ায় মার্কিন সেনা উপস্থিতি বাড়ানোর অনুমোদন হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ; তেল ছাড়তে প্রস্তুত জাপান ও জার্মানি সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই থাইল্যান্ডের জাহাজে হরমুজ প্রণালীতে অজ্ঞাত হামলা, নিখোঁজ তিন নাবিক

মৌসুমী থেকে শাহনূর হয়ে অভিনয়ে দুই যুগ পেরিয়ে

  • Sarakhon Report
  • ১১:৫৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৪
  • 197

সারাক্ষণ প্রতিবেদক
শাবানা, শাবনাজ, শাবনূর—বাংলাদেশের সিনেমার নন্দিত এই তিন নায়িকা নিজেদের পারিবারিক নাম ‘রত্না’,‘ তানিয়া’ ও ‘নূপুর’ পরিবর্তন করেই পরিচালক এহতেশামের দেয়া নাম দিয়েই সিনেমার নায়িকা হিসেবে দর্শকের কাছে পরিচিত হন। চিত্রনায়িকা শাহনূরের ক্ষেত্রেও ঠিক এমনটিই হয়েছে। শাহনূরের পারিবারিক নাম চিলো মৌসুমী। বাবা মা আদর করে মৌসুমী বলেই ডাকতেন।

কিন্তু ১৯৯৯ সালে এম এ খালেক পরিচালিত ‘ফাঁসির আদেশ’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে নায়িকা হিসেবে মৌসুমীর যাত্রা শুরু হলে সেই সময় মৌসুমী নামেই শীর্ষ একজন নায়িকা থাকায় পারিবারিক নাম মৌসুমী বাদ দিয়ে পরিচালক এম এ খালেক তার নাম রাখেন শাহনূর। সেই থেকে মৌসুমী হয়ে গেলেন শাহনূর। কিন্তুশাহনূর অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ‘ফাঁসির আদেশ’ পরে আর মুক্তি পায়নি।

২০০০ সালের ৯ জানুয়ারি জিল্লুর রহমান ময়না পরিচালিত ‘জিদ্দি সন্তান’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় তার অভিষেক ঘটে। সিনেমাটিতে তার বিপরীতে ছিলেন সেই সময়ের অন্যতম ব্যস্ত নায়ক রুবেল। দেখতে দেখতে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পথচলায় শাহনূর এরইমধ্যে দুই যুগ পার করেছেন। জিদ্দি সন্তান’র পর নানা সময়ে তার অভিনীত মুক্তিপ্রাপ্ত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলো হচ্ছে ‘স্বপ্নের বাসর’, ‘হাজার বছর ধরে’, ‘মায়ের জন্য যুদ্ধ’, ‘শেষ যুদ্ধ’, ‘রাজধানী’, ‘নয়ন ভরা জল’, ‘লাভ স্টেশন’, ‘প্রেম সংঘাত’, ‘কারাগার’, ‘ইন্দুবালা’ ইত্যাদি।

তার অভিনীত ৫০তম চলচ্চিত্র হচ্ছে বদিউল আলম খোকন পরিচালিত ‘রাজা বাবু’। এদিকে শাহনূর অভিনীত মুক্তি প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্রগুলো হচ্ছে ‘জীবন যন্ত্রণা’, ‘অপহরণ’, ‘হবারতো হবেই প্রেম’, ‘কে আমার শত্রু’, এবং ‘কাকতাড়ুয়া’। এরইমধ্যে শাহনূর শিগগিরই নতুন নতুন কাজে অংশ নিতে যাচ্ছেন। তারমধ্যে রয়েছে নতুন সিনেমা, নতুন ধারাবাহিক নাটক। শাহনূর অভিনীত প্রথম নাটক ‘কুয়াশার শেষ চিঠি’।

তার অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক নাটক জাহাঙ্গীর আলম সুমন পরিচালিত ‘তামাদি’। শাহনূরের পারিবারিক নাম সৈয়দা কামরুন্নাহার মৌসুমী। তার বাবা প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মোজাফফর আলী এবং মা তাসলিমা খানম। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের স্বীকৃতি স্বরূপ তার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্তি হয়নি। তবে এই নিয়ে তার কোনো দুঃখবোধও নেই। কারণ অভিনয় জীবনে চলার পথে তিনি পেয়েছেন অফসংখ্য মানুষের ভালোবাসা।

পেয়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রতিথযশা সংগঠন কর্তৃক সম্মাননা। যেসব সম্মাননা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের হাত থেকে তিনি গ্রহন করেছেন। শাহনূর বলেন,‘ আজ ফেলে আসা দিনের অনেক স্মৃতিই মনে পড়ছে। চলার পথে যারা শুরু থেকে অনুপ্রেরণা দিয়ে এসেছিলেন, তাদের কেউই আজ নেই। জীবনে অনেক মানুষ হারিয়ে গেছে। মাঝে মাঝে তাদের খুউব মিস করি। সত্যি বলতে কী আমাদের ছোট্ট একটা জীবন, অথচ কতো শত চাওয়া।

আমার কিন্তু জীবনে খুউব বেশি চাওয়া নেই। এই এখন যেমন আছি ভালো আছি। বাবা নেই, খুউব মিস করি। আম্মা সঙ্গে আছেন। মাকে নিয়েই আমার সুখের পৃথিবী। ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতা আমার চলচ্চিত্র জীবনে যারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, ধন্যবাদ সকল দর্শক ও সংবাদ মাধ্যমের প্রতি।’

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: সার-সংকটের শঙ্কায় বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহ, ক্ষুধার ঝুঁকিতে দরিদ্র দেশ

মৌসুমী থেকে শাহনূর হয়ে অভিনয়ে দুই যুগ পেরিয়ে

১১:৫৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৪

সারাক্ষণ প্রতিবেদক
শাবানা, শাবনাজ, শাবনূর—বাংলাদেশের সিনেমার নন্দিত এই তিন নায়িকা নিজেদের পারিবারিক নাম ‘রত্না’,‘ তানিয়া’ ও ‘নূপুর’ পরিবর্তন করেই পরিচালক এহতেশামের দেয়া নাম দিয়েই সিনেমার নায়িকা হিসেবে দর্শকের কাছে পরিচিত হন। চিত্রনায়িকা শাহনূরের ক্ষেত্রেও ঠিক এমনটিই হয়েছে। শাহনূরের পারিবারিক নাম চিলো মৌসুমী। বাবা মা আদর করে মৌসুমী বলেই ডাকতেন।

কিন্তু ১৯৯৯ সালে এম এ খালেক পরিচালিত ‘ফাঁসির আদেশ’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে নায়িকা হিসেবে মৌসুমীর যাত্রা শুরু হলে সেই সময় মৌসুমী নামেই শীর্ষ একজন নায়িকা থাকায় পারিবারিক নাম মৌসুমী বাদ দিয়ে পরিচালক এম এ খালেক তার নাম রাখেন শাহনূর। সেই থেকে মৌসুমী হয়ে গেলেন শাহনূর। কিন্তুশাহনূর অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ‘ফাঁসির আদেশ’ পরে আর মুক্তি পায়নি।

২০০০ সালের ৯ জানুয়ারি জিল্লুর রহমান ময়না পরিচালিত ‘জিদ্দি সন্তান’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় তার অভিষেক ঘটে। সিনেমাটিতে তার বিপরীতে ছিলেন সেই সময়ের অন্যতম ব্যস্ত নায়ক রুবেল। দেখতে দেখতে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পথচলায় শাহনূর এরইমধ্যে দুই যুগ পার করেছেন। জিদ্দি সন্তান’র পর নানা সময়ে তার অভিনীত মুক্তিপ্রাপ্ত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলো হচ্ছে ‘স্বপ্নের বাসর’, ‘হাজার বছর ধরে’, ‘মায়ের জন্য যুদ্ধ’, ‘শেষ যুদ্ধ’, ‘রাজধানী’, ‘নয়ন ভরা জল’, ‘লাভ স্টেশন’, ‘প্রেম সংঘাত’, ‘কারাগার’, ‘ইন্দুবালা’ ইত্যাদি।

তার অভিনীত ৫০তম চলচ্চিত্র হচ্ছে বদিউল আলম খোকন পরিচালিত ‘রাজা বাবু’। এদিকে শাহনূর অভিনীত মুক্তি প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্রগুলো হচ্ছে ‘জীবন যন্ত্রণা’, ‘অপহরণ’, ‘হবারতো হবেই প্রেম’, ‘কে আমার শত্রু’, এবং ‘কাকতাড়ুয়া’। এরইমধ্যে শাহনূর শিগগিরই নতুন নতুন কাজে অংশ নিতে যাচ্ছেন। তারমধ্যে রয়েছে নতুন সিনেমা, নতুন ধারাবাহিক নাটক। শাহনূর অভিনীত প্রথম নাটক ‘কুয়াশার শেষ চিঠি’।

তার অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক নাটক জাহাঙ্গীর আলম সুমন পরিচালিত ‘তামাদি’। শাহনূরের পারিবারিক নাম সৈয়দা কামরুন্নাহার মৌসুমী। তার বাবা প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মোজাফফর আলী এবং মা তাসলিমা খানম। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের স্বীকৃতি স্বরূপ তার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্তি হয়নি। তবে এই নিয়ে তার কোনো দুঃখবোধও নেই। কারণ অভিনয় জীবনে চলার পথে তিনি পেয়েছেন অফসংখ্য মানুষের ভালোবাসা।

পেয়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রতিথযশা সংগঠন কর্তৃক সম্মাননা। যেসব সম্মাননা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের হাত থেকে তিনি গ্রহন করেছেন। শাহনূর বলেন,‘ আজ ফেলে আসা দিনের অনেক স্মৃতিই মনে পড়ছে। চলার পথে যারা শুরু থেকে অনুপ্রেরণা দিয়ে এসেছিলেন, তাদের কেউই আজ নেই। জীবনে অনেক মানুষ হারিয়ে গেছে। মাঝে মাঝে তাদের খুউব মিস করি। সত্যি বলতে কী আমাদের ছোট্ট একটা জীবন, অথচ কতো শত চাওয়া।

আমার কিন্তু জীবনে খুউব বেশি চাওয়া নেই। এই এখন যেমন আছি ভালো আছি। বাবা নেই, খুউব মিস করি। আম্মা সঙ্গে আছেন। মাকে নিয়েই আমার সুখের পৃথিবী। ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতা আমার চলচ্চিত্র জীবনে যারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, ধন্যবাদ সকল দর্শক ও সংবাদ মাধ্যমের প্রতি।’