০২:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে বাংলাদেশি শ্রমিকদের স্বপ্ন অনিশ্চিত, রেমিট্যান্সেও চাপ ইরানের ফিফা বিশ্বকাপের টিকেট বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র কুয়েতে ড্রোন হামলায় ৫ বাংলাদেশি আহত, দূতাবাস মাঠে ইরান-ইসরায়েল আবার থামল, কিন্তু শান্তি কতটা টেকসই? ব্যাংক অ্যাকাউন্টে TIN বাধ্যতামূলক হচ্ছে, কোটি গ্রাহকের জীবনে বড় পরিবর্তন টাঙ্গাইলে পিকআপ-ট্রাক সংঘর্ষে ৪ জন নিহত নতুন নির্বাচন কমিশনে প্রাক্তন আমলার নাম, সুপ্রিম কোর্টে বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতার শুনানি ১৬ জুন রামিসা হত্যা: ১৯ দিনে ফাঁসির রায়, দেশজুড়ে স্বস্তি ইসলামী ব্যাংকে সংকট: সাত দিনে উঠে গেল ৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি লাজুক জুঁই

কানাডার বিনিয়োগে ফিলিপাইনে নতুন অর্থনৈতিক করিডর, বাড়ছে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় জোট

ফিলিপাইনে গড়ে ওঠা নতুন অর্থনৈতিক করিডরে ২০ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে কানাডা। যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সমর্থনে পরিচালিত এই প্রকল্পে কানাডার অংশগ্রহণকে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নতুন অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় সফররত কানাডার বাণিজ্যমন্ত্রী মনিন্দর সিধু জানিয়েছেন, এই অর্থ ভবিষ্যৎ উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় করা হবে, যা লুজন অর্থনৈতিক করিডরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। লুজন করিডর ফিলিপাইনের সবচেয়ে বড় দ্বীপে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন ও শিল্পকেন্দ্র।

অবকাঠামো উন্নয়নে বাড়ছে আন্তর্জাতিক আগ্রহ

যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান আগেই এই করিডরে অবকাঠামো উন্নয়নে বড় বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এবার কানাডার যুক্ত হওয়ায় প্রকল্পটির আন্তর্জাতিক গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও ফিলিপাইন যৌথভাবে ঘোষণা দিয়েছে যে, এই করিডরের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা হবে। নতুন অংশীদার দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স।

বিশ্লেষকদের মতে, এই করিডর শুধু শিল্প ও বাণিজ্য নয়, বরং আঞ্চলিক সরবরাহ ব্যবস্থা, প্রযুক্তি ও জ্বালানি খাতেও বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

ডেটা সেন্টার ও জ্বালানি খাতে সম্ভাবনা

কানাডার বাণিজ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ফিলিপাইনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার বৈঠকে ডেটা সেন্টার, পারমাণবিক জ্বালানি এবং লজিস্টিকস খাতে সম্ভাব্য বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

বিশেষ করে ডিজিটাল অবকাঠামো ও বিকল্প জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে দুই দেশ আগ্রহ দেখিয়েছে। এতে ভবিষ্যতে ফিলিপাইনে নতুন কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা শেষের পথে

কানাডা ও ফিলিপাইনের মধ্যে বর্তমানে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। মনিন্দর সিধু আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এই আলোচনা শেষ হতে পারে।

এই চুক্তি কার্যকর হলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়বে এবং কৃষি, প্রযুক্তি, উৎপাদন ও সেবা খাতে নতুন বাজার তৈরি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে বাংলাদেশি শ্রমিকদের স্বপ্ন অনিশ্চিত, রেমিট্যান্সেও চাপ

কানাডার বিনিয়োগে ফিলিপাইনে নতুন অর্থনৈতিক করিডর, বাড়ছে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় জোট

০৭:১৬:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

ফিলিপাইনে গড়ে ওঠা নতুন অর্থনৈতিক করিডরে ২০ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে কানাডা। যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সমর্থনে পরিচালিত এই প্রকল্পে কানাডার অংশগ্রহণকে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নতুন অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় সফররত কানাডার বাণিজ্যমন্ত্রী মনিন্দর সিধু জানিয়েছেন, এই অর্থ ভবিষ্যৎ উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় করা হবে, যা লুজন অর্থনৈতিক করিডরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। লুজন করিডর ফিলিপাইনের সবচেয়ে বড় দ্বীপে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন ও শিল্পকেন্দ্র।

অবকাঠামো উন্নয়নে বাড়ছে আন্তর্জাতিক আগ্রহ

যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান আগেই এই করিডরে অবকাঠামো উন্নয়নে বড় বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এবার কানাডার যুক্ত হওয়ায় প্রকল্পটির আন্তর্জাতিক গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও ফিলিপাইন যৌথভাবে ঘোষণা দিয়েছে যে, এই করিডরের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা হবে। নতুন অংশীদার দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স।

বিশ্লেষকদের মতে, এই করিডর শুধু শিল্প ও বাণিজ্য নয়, বরং আঞ্চলিক সরবরাহ ব্যবস্থা, প্রযুক্তি ও জ্বালানি খাতেও বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

ডেটা সেন্টার ও জ্বালানি খাতে সম্ভাবনা

কানাডার বাণিজ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ফিলিপাইনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার বৈঠকে ডেটা সেন্টার, পারমাণবিক জ্বালানি এবং লজিস্টিকস খাতে সম্ভাব্য বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

বিশেষ করে ডিজিটাল অবকাঠামো ও বিকল্প জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে দুই দেশ আগ্রহ দেখিয়েছে। এতে ভবিষ্যতে ফিলিপাইনে নতুন কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা শেষের পথে

কানাডা ও ফিলিপাইনের মধ্যে বর্তমানে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। মনিন্দর সিধু আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এই আলোচনা শেষ হতে পারে।

এই চুক্তি কার্যকর হলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়বে এবং কৃষি, প্রযুক্তি, উৎপাদন ও সেবা খাতে নতুন বাজার তৈরি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।