১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নিয়ে অনিশ্চয়তা কেন, জমা অর্থ কবে পাবেন গ্রাহক? ট্রাম্প-পরবর্তী বিশ্বে মধ্যপন্থী রাজনীতির নতুন মুখ হতে পারেন পেদ্রো সানচেজ কর্মক্ষেত্রে নারীর অগ্রযাত্রায় বাধা, বাংলাদেশে চালু হলো ‘জেন্ডার চ্যাম্পিয়নস নেটওয়ার্ক’ ধানক্ষেতে মাটিচাপা অবস্থায় মিলল অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ, আতঙ্ক জয়পুরহাটে তিস্তা ও চীন সফর ঘিরে নজর রাখছে দিল্লি, বলল ভারত কাতারের সতর্কবার্তা: হরমুজ প্রণালি দিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোকে ‘ব্ল্যাকমেইল’ না করার আহ্বান তেহরানকে ইরান যুদ্ধের প্রভাবে রঙ হারাচ্ছে জাপানের জনপ্রিয় চিপসের প্যাকেট হ্যান্টাভাইরাস আতঙ্কে বিশ্বজুড়ে সতর্কতা, ক্রুজ জাহাজের প্রাদুর্ভাব দেখাল জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্বলতা ইমরান খানের বোনদের অবস্থান কর্মসূচিতে যোগ দিলেন খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী জাপানের সুদ বাড়ানোর ইঙ্গিত, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে বাড়ছে মূল্যস্ফীতির চাপ

সাপের কামড়: বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ নিয়ে সতর্কতা ডাব্লিউএইচওর

  • Sarakhon Report
  • ১০:১০:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • 135

বন্যার কারণে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে বিষধর সাপের প্রকোপ বাড়ছে৷ পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনমের ঘাটতির কারণে সাপের কামড়ে মৃত্যুঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-ডাব্লিউএইচও৷

জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থাটির হিসাবে প্রতি বছর বিশ্বে প্রায় ২৭ লাখ মানুষ বিষধর সাপের কামড়ে আক্রান্ত হন৷ এর মধ্যে মারা যান এক লাখ ৩৮ হাজার৷

মঙ্গলবার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে ডাব্লিউএইচওর এই বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ডেভিড উইলিয়ামস জানান প্রতি চার থেকে ছয় মিনিটে সাপের কামড়ে একজন মানুষের মৃত্যু ঘটছে৷ প্রায় দুই লাখ ৪০ হাজার স্থায়ীভাবে প্রতিবন্ধিত্ব বরণ করেন৷

সাপের বিষের কারণে পক্ষাঘাত, মারাত্মক রক্তক্ষরণ, কিডনি অকেজো হয়ে যাওয়াসহ নানা সমস্যায় ভোগে মানুষ৷

উইলিয়ামস জানান সাপের কামড়ের বেশিরভাগ ভুক্তভোগী ক্রান্তীয় ও দারিদ্র্য অঞ্চলের মানুষেরা৷ বিশেষত শিশুরা বেশি বিপাকে পড়ছে৷

এইসব অঞ্চলে নিরাপদ ও কার্যকর চিকিৎসা না থাকায় পরিবারগুলোর একদিকে চিকিৎসার ব্যয় বাড়ে অন্যদিকে আরো দরিদ্র্য হয়ে পড়ে৷ উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, সাব সাহারা অঞ্চলে সাপের কামড়ে আক্রান্ত হওয়ার পর প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাত্র আড়াই শতাংশ সেবা পান ভুক্তভোগীরা৷

ডাব্লিউএইচও এর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি ১৯৮০ থেকে অ্যান্টিভেনম উৎপাদন বন্ধ করে দেয়ায় আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলোতে এই সংক্রান্ত চিকিৎসার ব্যাপক স্বল্পতা দেখা দিয়েছে৷

বেশি উপদ্রব দক্ষিণ এশিয়ায়

উইলিয়ামস জানান, সাপের কামড়ের শিকার সবচেয়ে বেশি ভারতে৷ প্রতি বছর দেশটিতে ৫৮ হাজার মানুষ সাপের কামড়ে মারা যাচ্ছেন৷

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানও কঠিন পরিস্থিতিতে আছে বলে উল্লেখ করেন তিনি৷

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বন্যার কারণে সাপের কামড় ও মৃত্যুঝুঁকি বেড়েছে বলে তিনি জানান৷ বলেন. ‘‘বিশ্বের নানা প্রান্তে, যেখানে এই ধরনের বিপর্যয়গুলো নিয়মিতভাবে ঘটছে সেখানেই এই সমস্যাটি দেখা দিচ্ছে৷

একই সমস্যা আমরা পাকিস্তানের সবশেষ বড় বন্যার সময়ে দেখেছি৷ এটি মিয়ানমারে ঘটছে৷ এটি বাংলাদেশে ঘটছে৷”

প্রতিষেধকের ঘাটতি নিয়ে তিনি বলেন, প্রচুর চাহিদা থাকা সত্ত্বেও কিছু অঞ্চলে পর্যাপ্ত নিরাপদ ও কার্যকর চিকিৎসা নেই৷ পরিস্থিতি উন্নয়নে ডাব্লিউএইচও বিভিন্ন দেশ ও কোম্পানির সাথে কাজ করছে বলে জানান তিনি৷

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে জায়গা পরিবর্তনের পাশাপাশি বিষধর সাপের সংখ্যাও বাড়ছে বলে জানিয়েছে ডাব্লিউএইচও৷ এ কারণে আগে সমস্যাটি ছিল না এমন জায়গাতেও সাপের কামড়ের ঝুঁকি বাড়ছে৷

ডিডাব্লিউডটকম

জনপ্রিয় সংবাদ

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নিয়ে অনিশ্চয়তা কেন, জমা অর্থ কবে পাবেন গ্রাহক?

সাপের কামড়: বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ নিয়ে সতর্কতা ডাব্লিউএইচওর

১০:১০:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪

বন্যার কারণে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে বিষধর সাপের প্রকোপ বাড়ছে৷ পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনমের ঘাটতির কারণে সাপের কামড়ে মৃত্যুঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-ডাব্লিউএইচও৷

জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থাটির হিসাবে প্রতি বছর বিশ্বে প্রায় ২৭ লাখ মানুষ বিষধর সাপের কামড়ে আক্রান্ত হন৷ এর মধ্যে মারা যান এক লাখ ৩৮ হাজার৷

মঙ্গলবার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে ডাব্লিউএইচওর এই বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ডেভিড উইলিয়ামস জানান প্রতি চার থেকে ছয় মিনিটে সাপের কামড়ে একজন মানুষের মৃত্যু ঘটছে৷ প্রায় দুই লাখ ৪০ হাজার স্থায়ীভাবে প্রতিবন্ধিত্ব বরণ করেন৷

সাপের বিষের কারণে পক্ষাঘাত, মারাত্মক রক্তক্ষরণ, কিডনি অকেজো হয়ে যাওয়াসহ নানা সমস্যায় ভোগে মানুষ৷

উইলিয়ামস জানান সাপের কামড়ের বেশিরভাগ ভুক্তভোগী ক্রান্তীয় ও দারিদ্র্য অঞ্চলের মানুষেরা৷ বিশেষত শিশুরা বেশি বিপাকে পড়ছে৷

এইসব অঞ্চলে নিরাপদ ও কার্যকর চিকিৎসা না থাকায় পরিবারগুলোর একদিকে চিকিৎসার ব্যয় বাড়ে অন্যদিকে আরো দরিদ্র্য হয়ে পড়ে৷ উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, সাব সাহারা অঞ্চলে সাপের কামড়ে আক্রান্ত হওয়ার পর প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাত্র আড়াই শতাংশ সেবা পান ভুক্তভোগীরা৷

ডাব্লিউএইচও এর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি ১৯৮০ থেকে অ্যান্টিভেনম উৎপাদন বন্ধ করে দেয়ায় আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলোতে এই সংক্রান্ত চিকিৎসার ব্যাপক স্বল্পতা দেখা দিয়েছে৷

বেশি উপদ্রব দক্ষিণ এশিয়ায়

উইলিয়ামস জানান, সাপের কামড়ের শিকার সবচেয়ে বেশি ভারতে৷ প্রতি বছর দেশটিতে ৫৮ হাজার মানুষ সাপের কামড়ে মারা যাচ্ছেন৷

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানও কঠিন পরিস্থিতিতে আছে বলে উল্লেখ করেন তিনি৷

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বন্যার কারণে সাপের কামড় ও মৃত্যুঝুঁকি বেড়েছে বলে তিনি জানান৷ বলেন. ‘‘বিশ্বের নানা প্রান্তে, যেখানে এই ধরনের বিপর্যয়গুলো নিয়মিতভাবে ঘটছে সেখানেই এই সমস্যাটি দেখা দিচ্ছে৷

একই সমস্যা আমরা পাকিস্তানের সবশেষ বড় বন্যার সময়ে দেখেছি৷ এটি মিয়ানমারে ঘটছে৷ এটি বাংলাদেশে ঘটছে৷”

প্রতিষেধকের ঘাটতি নিয়ে তিনি বলেন, প্রচুর চাহিদা থাকা সত্ত্বেও কিছু অঞ্চলে পর্যাপ্ত নিরাপদ ও কার্যকর চিকিৎসা নেই৷ পরিস্থিতি উন্নয়নে ডাব্লিউএইচও বিভিন্ন দেশ ও কোম্পানির সাথে কাজ করছে বলে জানান তিনি৷

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে জায়গা পরিবর্তনের পাশাপাশি বিষধর সাপের সংখ্যাও বাড়ছে বলে জানিয়েছে ডাব্লিউএইচও৷ এ কারণে আগে সমস্যাটি ছিল না এমন জায়গাতেও সাপের কামড়ের ঝুঁকি বাড়ছে৷

ডিডাব্লিউডটকম