০৭:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
দানবের স্বর্গে ক্ষমতার মুখোশ উন্মোচন, ব্যঙ্গ ও ট্র্যাজেডির মিশেলে নতুন অপেরা আলোচনায় ইরানে মৃতের হিসাব যত বাড়ছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে শাসনের ভয়াবহ আতঙ্ক কাজের পোশাকে নতুন ঢেউ, তরুণ শ্রমজীবীদের ভরসা এখন আরামদায়ক সুরক্ষিত গিয়ার শিল্পের দ্বন্দ্বে প্রকৃতির জয়: টার্নার ও কনস্টেবলের বিস্ময়কর মুখোমুখি জীবনকে প্রস্ফুটিত করার পাঠ খুঁজে নিলেন এক পরামর্শক ইতালির বিস্তীর্ণ শীতকালীন ক্রীড়া আয়োজন ঘিরে যাতায়াতে মহাসংকট, ঘণ্টার পর ঘণ্টা পথে দর্শনার্থীরা থোয়েটস হিমবাহে ভয়াবহ ধাক্কা, বরফে বন্দি যন্ত্রে ও মিলল উষ্ণ সাগরের গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত চীনের ক্ষমতার অন্দরে হঠাৎ কম্পন, শি জিনপিংয়ের নতুন শুদ্ধি অভিযানে বাড়ছে সন্দেহ ও শঙ্কা দিশা পাটানির সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনে নীরবতা ভাঙলেন তালবিন্দর, জানালেন সম্পর্কের আসল অবস্থান রাশিয়ার রপ্তানি সংকটে বাজেট চাপ, মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ছে

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার লিভ টু আপিলের শুনানি ১০ নভেম্বর

  • Sarakhon Report
  • ০৬:৪৩:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪
  • 101

নিজস্ব প্রতিনিধি

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার লিভ টু আপিলের শুনানি ১০ নভেম্বর দিন ধার্য্য করেছে আপীল বিভাগ। এই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ১০ বছরের সাজার বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের শুনানির জন্য এ দিন নির্ধারন করা হেেয়ছে। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হবে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্ট বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন। সোমবার খালেদা জিয়ার অন্যতম আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল গনমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদন্ডাদেশ দিয়ে রায় দেন বিচারিক আদালত। একইসঙ্গে এ মামলার অন্য পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর তৎকালীন বিচারক আখতারুজ্জামান এ রায় দেন।

একইসঙ্গে এই মামলায় খালেদা জিয়ার বড় ছেলে (বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) তারেক রহমানসহ মামলার অপর পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়। পাশাপাশি ছয় আসামির প্রত্যেককে ২ কোটি ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। বাকি চার আসামি হলেন সাবেক মুখ্যসচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, সাবেক এমপি ও ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ ও জিয়াউর রহমানের ভাগনে মমিনুর রহমান।

এরপর বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া, কাজী সালিমুল হক কামাল এবং ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ। পরে ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছরের কারাদন্ড দেন। হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে লিভ-টু আপিল করেন খালেদা জিয়া। এই মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া ও ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন ছিল। আদালতকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাধনে ব্যবহার করে এ মামলার রায় দেয়া হয়েছে বলে সংক্ষুব্ধরা দাবি করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

দানবের স্বর্গে ক্ষমতার মুখোশ উন্মোচন, ব্যঙ্গ ও ট্র্যাজেডির মিশেলে নতুন অপেরা আলোচনায়

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার লিভ টু আপিলের শুনানি ১০ নভেম্বর

০৬:৪৩:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার লিভ টু আপিলের শুনানি ১০ নভেম্বর দিন ধার্য্য করেছে আপীল বিভাগ। এই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ১০ বছরের সাজার বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের শুনানির জন্য এ দিন নির্ধারন করা হেেয়ছে। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হবে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্ট বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন। সোমবার খালেদা জিয়ার অন্যতম আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল গনমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদন্ডাদেশ দিয়ে রায় দেন বিচারিক আদালত। একইসঙ্গে এ মামলার অন্য পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর তৎকালীন বিচারক আখতারুজ্জামান এ রায় দেন।

একইসঙ্গে এই মামলায় খালেদা জিয়ার বড় ছেলে (বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) তারেক রহমানসহ মামলার অপর পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়। পাশাপাশি ছয় আসামির প্রত্যেককে ২ কোটি ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। বাকি চার আসামি হলেন সাবেক মুখ্যসচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, সাবেক এমপি ও ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ ও জিয়াউর রহমানের ভাগনে মমিনুর রহমান।

এরপর বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া, কাজী সালিমুল হক কামাল এবং ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ। পরে ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছরের কারাদন্ড দেন। হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে লিভ-টু আপিল করেন খালেদা জিয়া। এই মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া ও ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন ছিল। আদালতকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাধনে ব্যবহার করে এ মামলার রায় দেয়া হয়েছে বলে সংক্ষুব্ধরা দাবি করেন।