০৬:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
রাস লাফান হামলায় জ্বালানি সংকটের শঙ্কা, ভারতের উদ্বেগ তীব্র কুয়েত ও সৌদি আরবে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা মেক্সিকোর ড্রাগ কার্টেলে মার্কিন নাগরিকের উত্থান, নতুন সংকটে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সম্পর্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা কমাতে গোপন বার্তা আদান-প্রদানে পাকিস্তানের ভূমিকা ইসরায়েলের হামলায় নিহত ইরানি নৌ কমান্ডার, হরমুজ প্রণালী বন্ধে বড় ভূমিকা ‘পরবর্তী ওয়ারেন বাফেট’ খোঁজে ব্যর্থতার গল্প, কেন মিলছে না নতুন বিনিয়োগ কিংবদন্তি? আবুধাবিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রে নিহত ২, আহত ৩ ট্রাম্পের ইরান অভিযান: শক্তির প্রদর্শন নাকি রাজনৈতিক দুর্বলতার সূচনা? দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে সংঘর্ষে ইসরায়েলি সেনা নিহত ভারতের ঐতিহ্যগত ভূরাজনৈতিক ভূমিকার সামনে বাড়ছে নানা হুমকি

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার লিভ টু আপিলের শুনানি ১০ নভেম্বর

  • Sarakhon Report
  • ০৬:৪৩:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪
  • 124

নিজস্ব প্রতিনিধি

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার লিভ টু আপিলের শুনানি ১০ নভেম্বর দিন ধার্য্য করেছে আপীল বিভাগ। এই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ১০ বছরের সাজার বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের শুনানির জন্য এ দিন নির্ধারন করা হেেয়ছে। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হবে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্ট বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন। সোমবার খালেদা জিয়ার অন্যতম আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল গনমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদন্ডাদেশ দিয়ে রায় দেন বিচারিক আদালত। একইসঙ্গে এ মামলার অন্য পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর তৎকালীন বিচারক আখতারুজ্জামান এ রায় দেন।

একইসঙ্গে এই মামলায় খালেদা জিয়ার বড় ছেলে (বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) তারেক রহমানসহ মামলার অপর পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়। পাশাপাশি ছয় আসামির প্রত্যেককে ২ কোটি ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। বাকি চার আসামি হলেন সাবেক মুখ্যসচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, সাবেক এমপি ও ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ ও জিয়াউর রহমানের ভাগনে মমিনুর রহমান।

এরপর বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া, কাজী সালিমুল হক কামাল এবং ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ। পরে ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছরের কারাদন্ড দেন। হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে লিভ-টু আপিল করেন খালেদা জিয়া। এই মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া ও ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন ছিল। আদালতকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাধনে ব্যবহার করে এ মামলার রায় দেয়া হয়েছে বলে সংক্ষুব্ধরা দাবি করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাস লাফান হামলায় জ্বালানি সংকটের শঙ্কা, ভারতের উদ্বেগ তীব্র

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার লিভ টু আপিলের শুনানি ১০ নভেম্বর

০৬:৪৩:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার লিভ টু আপিলের শুনানি ১০ নভেম্বর দিন ধার্য্য করেছে আপীল বিভাগ। এই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ১০ বছরের সাজার বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের শুনানির জন্য এ দিন নির্ধারন করা হেেয়ছে। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হবে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্ট বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন। সোমবার খালেদা জিয়ার অন্যতম আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল গনমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদন্ডাদেশ দিয়ে রায় দেন বিচারিক আদালত। একইসঙ্গে এ মামলার অন্য পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর তৎকালীন বিচারক আখতারুজ্জামান এ রায় দেন।

একইসঙ্গে এই মামলায় খালেদা জিয়ার বড় ছেলে (বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) তারেক রহমানসহ মামলার অপর পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়। পাশাপাশি ছয় আসামির প্রত্যেককে ২ কোটি ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। বাকি চার আসামি হলেন সাবেক মুখ্যসচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, সাবেক এমপি ও ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ ও জিয়াউর রহমানের ভাগনে মমিনুর রহমান।

এরপর বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া, কাজী সালিমুল হক কামাল এবং ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ। পরে ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছরের কারাদন্ড দেন। হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে লিভ-টু আপিল করেন খালেদা জিয়া। এই মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া ও ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন ছিল। আদালতকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাধনে ব্যবহার করে এ মামলার রায় দেয়া হয়েছে বলে সংক্ষুব্ধরা দাবি করেন।