০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ মানার আহ্বান, জয়শঙ্করকে কড়া বার্তা রুবিওর ব্রিটেনে ছুরি হামলার পর উত্তেজনা, উসকে দিচ্ছে কট্টর ডানপন্থী রাজনীতি ভারতে পাচার হওয়া ১৪ বাংলাদেশির দেশে ফেরা, বেনাপোল দিয়ে হস্তান্তর পাকিস্তানের উত্তর ওয়াজিরিস্তানে ৭২ ঘণ্টায় নিহত ২১ জঙ্গি, মোট নিহত ৪৮ লস অ্যাঞ্জেলেসে বিশ্বকাপের মঞ্চ মাতালেন লিসা, কেপপ ইতিহাসে নতুন অধ্যায় ইউটিউব থেকে হলিউড: নতুন প্রজন্মের পরিচালকরা কি বদলে দিচ্ছেন সিনেমার ভবিষ্যৎ? গুগলের নতুন এআই চিপে স্যামসাং? ‘আইসফিশ’ প্রকল্পে বড় চুক্তির আলোচনায় দুই প্রযুক্তি জায়ান্ট ইরান যুদ্ধের পর বদলে যাওয়া বাস্তবতা: চুক্তির দ্বারপ্রান্তে থেকেও কেন কঠিন অবস্থানে তেহরান পশ্চিমবঙ্গে তল্লাশি বিতর্ক: অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে পুলিশি অভিযানে মমতার অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রকে ঘিরে ইডির তল্লাশি

রাশিয়ার রপ্তানি সংকটে বাজেট চাপ, মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ছে

২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে রাশিয়ার রপ্তানি পরিস্থিতি আগের বছরের তুলনায় আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই পরিস্থিতি ফেডারেল বাজেটে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়াতে পারে বলে সতর্ক করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রথম উপগভর্নর আলেক্সেই যাবোটকিন।

রপ্তানিতে চাপের পূর্বাভাস
মস্কোতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রপ্তানির জন্য পরিস্থিতি এখনও চ্যালেঞ্জপূর্ণ এবং চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে তা গত বছরের তৃতীয় ও চতুর্থ প্রান্তিকের চেয়েও বেশি কঠিন হতে পারে। রপ্তানি আয় দুর্বল হলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ভারতের ক্রয় কমা ও তেলের দামের প্রভাব
সরকারঘনিষ্ঠ একটি সূত্র আগে জানিয়েছিল, ভারতের পক্ষ থেকে রুশ তেল কেনা কমে যাওয়া এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ছাড়ের ব্যবধান বাড়ার ফলে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ রাশিয়ার বাজেট ঘাটতি সরকারি লক্ষ্যমাত্রার প্রায় তিন গুণে পৌঁছাতে পারে। জানুয়ারিতে ভারতের রুশ তেল আমদানি আরও কমেছে, যা ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া নিম্নমুখী প্রবণতাকেই নির্দেশ করছে।

জ্বালানি আয়ে বড় পতন
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে জ্বালানি খাত থেকে বাজেট আয় কমে দাঁড়িয়েছে ৩৯৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন রুবলে, যা ২০২০ সালের জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন। জ্বালানি রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল অর্থনীতির জন্য এই পতনকে বড় সতর্ক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাণিজ্য সমীকরণে নতুন চাপ
যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে নতুন বাণিজ্য সমঝোতার ফলে শুল্ক কমানো এবং রুশ তেল ক্রয় বন্ধের সিদ্ধান্ত রাশিয়ার রপ্তানি বাজারকে আরও চাপে ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। এতে বৈদেশিক আয় কমে গিয়ে বাজেট ও মূল্যস্ফীতির ওপর দ্বৈত চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ মানার আহ্বান, জয়শঙ্করকে কড়া বার্তা রুবিওর

রাশিয়ার রপ্তানি সংকটে বাজেট চাপ, মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ছে

১১:৩০:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে রাশিয়ার রপ্তানি পরিস্থিতি আগের বছরের তুলনায় আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই পরিস্থিতি ফেডারেল বাজেটে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়াতে পারে বলে সতর্ক করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রথম উপগভর্নর আলেক্সেই যাবোটকিন।

রপ্তানিতে চাপের পূর্বাভাস
মস্কোতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রপ্তানির জন্য পরিস্থিতি এখনও চ্যালেঞ্জপূর্ণ এবং চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে তা গত বছরের তৃতীয় ও চতুর্থ প্রান্তিকের চেয়েও বেশি কঠিন হতে পারে। রপ্তানি আয় দুর্বল হলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ভারতের ক্রয় কমা ও তেলের দামের প্রভাব
সরকারঘনিষ্ঠ একটি সূত্র আগে জানিয়েছিল, ভারতের পক্ষ থেকে রুশ তেল কেনা কমে যাওয়া এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ছাড়ের ব্যবধান বাড়ার ফলে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ রাশিয়ার বাজেট ঘাটতি সরকারি লক্ষ্যমাত্রার প্রায় তিন গুণে পৌঁছাতে পারে। জানুয়ারিতে ভারতের রুশ তেল আমদানি আরও কমেছে, যা ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া নিম্নমুখী প্রবণতাকেই নির্দেশ করছে।

জ্বালানি আয়ে বড় পতন
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে জ্বালানি খাত থেকে বাজেট আয় কমে দাঁড়িয়েছে ৩৯৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন রুবলে, যা ২০২০ সালের জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন। জ্বালানি রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল অর্থনীতির জন্য এই পতনকে বড় সতর্ক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাণিজ্য সমীকরণে নতুন চাপ
যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে নতুন বাণিজ্য সমঝোতার ফলে শুল্ক কমানো এবং রুশ তেল ক্রয় বন্ধের সিদ্ধান্ত রাশিয়ার রপ্তানি বাজারকে আরও চাপে ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। এতে বৈদেশিক আয় কমে গিয়ে বাজেট ও মূল্যস্ফীতির ওপর দ্বৈত চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে।