০৭:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
কক্সবাজারের পাঁচতারা হোটেল থেকে সুপ্রা, সিভিক ও মিয়াটা জব্দ, আমদানির পথ খতিয়ে দেখছে শুল্ক গোয়েন্দা কারাগারে ইমরান খানকে হত্যা করা হচ্ছে—বাবার জীবন নিয়ে চরম শঙ্কায় দুই ছেলে ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় যুক্তরাষ্ট্র দুর্বল, ইউক্রেনে বড় পদক্ষেপের সুযোগ দেখছে পুতিন: গোয়েন্দা রিপোর্ট বেসরকারি শিক্ষকদের অধিকার ও সুশাসনে নতুন উদ্যোগ, গঠিত হলো শিক্ষক অ্যালায়েন্স ভারতে প্যাকেটজাত খাবারে লাল সতর্কতা লেবেল, জনরোষের পর অবস্থান বদল সরকারের জলাশয়ের নাম বদলে ট্রাম্পের উদ্যোগে ধাক্কা, মার্কিনদের আগ্রহ নেই: সিএনএনের তথ্য বিশ্লেষক পেনসিলভানিয়ায় ভয়াবহ হাম ছড়িয়ে পড়ছে, ঝুঁকিতে টিকাদান-অযোগ্য শিশুরা নেপালে বন্যার দ্বিতীয় ঢেউয়ের শঙ্কা:আগাম সতর্কতার সীমাবদ্ধতা ইরান ছয় মাস পরও অটুট, যুদ্ধের লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ যুক্তরাষ্ট্র জিন কেটে চিরতরে উচ্চ কোলেস্টেরল দূর করার আশায় বিজ্ঞানীরা

রাশিয়ার রপ্তানি সংকটে বাজেট চাপ, মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ছে

২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে রাশিয়ার রপ্তানি পরিস্থিতি আগের বছরের তুলনায় আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই পরিস্থিতি ফেডারেল বাজেটে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়াতে পারে বলে সতর্ক করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রথম উপগভর্নর আলেক্সেই যাবোটকিন।

রপ্তানিতে চাপের পূর্বাভাস
মস্কোতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রপ্তানির জন্য পরিস্থিতি এখনও চ্যালেঞ্জপূর্ণ এবং চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে তা গত বছরের তৃতীয় ও চতুর্থ প্রান্তিকের চেয়েও বেশি কঠিন হতে পারে। রপ্তানি আয় দুর্বল হলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ভারতের ক্রয় কমা ও তেলের দামের প্রভাব
সরকারঘনিষ্ঠ একটি সূত্র আগে জানিয়েছিল, ভারতের পক্ষ থেকে রুশ তেল কেনা কমে যাওয়া এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ছাড়ের ব্যবধান বাড়ার ফলে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ রাশিয়ার বাজেট ঘাটতি সরকারি লক্ষ্যমাত্রার প্রায় তিন গুণে পৌঁছাতে পারে। জানুয়ারিতে ভারতের রুশ তেল আমদানি আরও কমেছে, যা ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া নিম্নমুখী প্রবণতাকেই নির্দেশ করছে।

জ্বালানি আয়ে বড় পতন
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে জ্বালানি খাত থেকে বাজেট আয় কমে দাঁড়িয়েছে ৩৯৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন রুবলে, যা ২০২০ সালের জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন। জ্বালানি রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল অর্থনীতির জন্য এই পতনকে বড় সতর্ক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাণিজ্য সমীকরণে নতুন চাপ
যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে নতুন বাণিজ্য সমঝোতার ফলে শুল্ক কমানো এবং রুশ তেল ক্রয় বন্ধের সিদ্ধান্ত রাশিয়ার রপ্তানি বাজারকে আরও চাপে ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। এতে বৈদেশিক আয় কমে গিয়ে বাজেট ও মূল্যস্ফীতির ওপর দ্বৈত চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারের পাঁচতারা হোটেল থেকে সুপ্রা, সিভিক ও মিয়াটা জব্দ, আমদানির পথ খতিয়ে দেখছে শুল্ক গোয়েন্দা

রাশিয়ার রপ্তানি সংকটে বাজেট চাপ, মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ছে

১১:৩০:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে রাশিয়ার রপ্তানি পরিস্থিতি আগের বছরের তুলনায় আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই পরিস্থিতি ফেডারেল বাজেটে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়াতে পারে বলে সতর্ক করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রথম উপগভর্নর আলেক্সেই যাবোটকিন।

রপ্তানিতে চাপের পূর্বাভাস
মস্কোতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রপ্তানির জন্য পরিস্থিতি এখনও চ্যালেঞ্জপূর্ণ এবং চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে তা গত বছরের তৃতীয় ও চতুর্থ প্রান্তিকের চেয়েও বেশি কঠিন হতে পারে। রপ্তানি আয় দুর্বল হলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ভারতের ক্রয় কমা ও তেলের দামের প্রভাব
সরকারঘনিষ্ঠ একটি সূত্র আগে জানিয়েছিল, ভারতের পক্ষ থেকে রুশ তেল কেনা কমে যাওয়া এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ছাড়ের ব্যবধান বাড়ার ফলে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ রাশিয়ার বাজেট ঘাটতি সরকারি লক্ষ্যমাত্রার প্রায় তিন গুণে পৌঁছাতে পারে। জানুয়ারিতে ভারতের রুশ তেল আমদানি আরও কমেছে, যা ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া নিম্নমুখী প্রবণতাকেই নির্দেশ করছে।

জ্বালানি আয়ে বড় পতন
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে জ্বালানি খাত থেকে বাজেট আয় কমে দাঁড়িয়েছে ৩৯৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন রুবলে, যা ২০২০ সালের জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন। জ্বালানি রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল অর্থনীতির জন্য এই পতনকে বড় সতর্ক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাণিজ্য সমীকরণে নতুন চাপ
যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে নতুন বাণিজ্য সমঝোতার ফলে শুল্ক কমানো এবং রুশ তেল ক্রয় বন্ধের সিদ্ধান্ত রাশিয়ার রপ্তানি বাজারকে আরও চাপে ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। এতে বৈদেশিক আয় কমে গিয়ে বাজেট ও মূল্যস্ফীতির ওপর দ্বৈত চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে।