০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
সিডনির আলো-ছায়ায় রোজি হান্টিংটন-হোয়াইটলি, নতুন প্রচ্ছদে নজরকাড়া উপস্থিতি চার বছরের বিরতির পর মঞ্চে বিটিএস, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে শুরু বিশাল বিশ্ব সফর এআই চাহিদায় তেজি টিএসএমসি, প্রথম প্রান্তিকে আয় বেড়েছে ৩৫ শতাংশ ক্যাটসআই: পর্দার বাইরে গড়া এক উন্মাদনা, নতুন যুগের মেয়েদের দলে ভক্তির নতুন ভাষা হলিউডের ভাটা, বিশ্ব সিনেমার জোর—কান উৎসব ২০২৬-এ আর্টহাউস ঝলক এনভিডিয়ার বাইরে নতুন পথ? নিজস্ব এআই চিপ ভাবনায় অ্যানথ্রপিক চার রাজ্য, চার মুখ্যমন্ত্রী—২০২৬ সালের নির্বাচনে ‘মুখ’ই শেষ কথা মুসলিম অধ্যুষিত মুর্শিদাবাদ ও মালদায় ভোটার তালিকা থেকে ব্যাপক নাম বাদ রাশিয়ায় নোবেলজয়ী মানবাধিকার সংগঠন ‘মেমোরিয়াল’কে ‘চরমপন্থী’ ঘোষণা “চাবিটি হারিয়ে গেছে”

রাশিয়ার রপ্তানি সংকটে বাজেট চাপ, মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ছে

২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে রাশিয়ার রপ্তানি পরিস্থিতি আগের বছরের তুলনায় আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই পরিস্থিতি ফেডারেল বাজেটে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়াতে পারে বলে সতর্ক করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রথম উপগভর্নর আলেক্সেই যাবোটকিন।

রপ্তানিতে চাপের পূর্বাভাস
মস্কোতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রপ্তানির জন্য পরিস্থিতি এখনও চ্যালেঞ্জপূর্ণ এবং চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে তা গত বছরের তৃতীয় ও চতুর্থ প্রান্তিকের চেয়েও বেশি কঠিন হতে পারে। রপ্তানি আয় দুর্বল হলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ভারতের ক্রয় কমা ও তেলের দামের প্রভাব
সরকারঘনিষ্ঠ একটি সূত্র আগে জানিয়েছিল, ভারতের পক্ষ থেকে রুশ তেল কেনা কমে যাওয়া এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ছাড়ের ব্যবধান বাড়ার ফলে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ রাশিয়ার বাজেট ঘাটতি সরকারি লক্ষ্যমাত্রার প্রায় তিন গুণে পৌঁছাতে পারে। জানুয়ারিতে ভারতের রুশ তেল আমদানি আরও কমেছে, যা ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া নিম্নমুখী প্রবণতাকেই নির্দেশ করছে।

জ্বালানি আয়ে বড় পতন
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে জ্বালানি খাত থেকে বাজেট আয় কমে দাঁড়িয়েছে ৩৯৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন রুবলে, যা ২০২০ সালের জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন। জ্বালানি রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল অর্থনীতির জন্য এই পতনকে বড় সতর্ক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাণিজ্য সমীকরণে নতুন চাপ
যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে নতুন বাণিজ্য সমঝোতার ফলে শুল্ক কমানো এবং রুশ তেল ক্রয় বন্ধের সিদ্ধান্ত রাশিয়ার রপ্তানি বাজারকে আরও চাপে ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। এতে বৈদেশিক আয় কমে গিয়ে বাজেট ও মূল্যস্ফীতির ওপর দ্বৈত চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিডনির আলো-ছায়ায় রোজি হান্টিংটন-হোয়াইটলি, নতুন প্রচ্ছদে নজরকাড়া উপস্থিতি

রাশিয়ার রপ্তানি সংকটে বাজেট চাপ, মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ছে

১১:৩০:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে রাশিয়ার রপ্তানি পরিস্থিতি আগের বছরের তুলনায় আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই পরিস্থিতি ফেডারেল বাজেটে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়াতে পারে বলে সতর্ক করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রথম উপগভর্নর আলেক্সেই যাবোটকিন।

রপ্তানিতে চাপের পূর্বাভাস
মস্কোতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রপ্তানির জন্য পরিস্থিতি এখনও চ্যালেঞ্জপূর্ণ এবং চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে তা গত বছরের তৃতীয় ও চতুর্থ প্রান্তিকের চেয়েও বেশি কঠিন হতে পারে। রপ্তানি আয় দুর্বল হলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ভারতের ক্রয় কমা ও তেলের দামের প্রভাব
সরকারঘনিষ্ঠ একটি সূত্র আগে জানিয়েছিল, ভারতের পক্ষ থেকে রুশ তেল কেনা কমে যাওয়া এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ছাড়ের ব্যবধান বাড়ার ফলে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ রাশিয়ার বাজেট ঘাটতি সরকারি লক্ষ্যমাত্রার প্রায় তিন গুণে পৌঁছাতে পারে। জানুয়ারিতে ভারতের রুশ তেল আমদানি আরও কমেছে, যা ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া নিম্নমুখী প্রবণতাকেই নির্দেশ করছে।

জ্বালানি আয়ে বড় পতন
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে জ্বালানি খাত থেকে বাজেট আয় কমে দাঁড়িয়েছে ৩৯৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন রুবলে, যা ২০২০ সালের জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন। জ্বালানি রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল অর্থনীতির জন্য এই পতনকে বড় সতর্ক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাণিজ্য সমীকরণে নতুন চাপ
যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে নতুন বাণিজ্য সমঝোতার ফলে শুল্ক কমানো এবং রুশ তেল ক্রয় বন্ধের সিদ্ধান্ত রাশিয়ার রপ্তানি বাজারকে আরও চাপে ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। এতে বৈদেশিক আয় কমে গিয়ে বাজেট ও মূল্যস্ফীতির ওপর দ্বৈত চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে।