যুক্তরাষ্ট্রের দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিনকে ঘিরে প্রকাশিত নতুন নথিপত্র দেশটির রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক অভিজাতদের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স বলেছেন, এসব নথি আমেরিকার প্রভাবশালী মহলে এক ধরনের অস্বাস্থ্যকর ঘনিষ্ঠ সংস্কৃতির চিত্র সামনে এনেছে, যা তিনি অত্যন্ত অরুচিকর বলে মন্তব্য করেছেন।
নতুন নথিতে বিস্তৃত তথ্য
মার্কিন বিচার বিভাগ সম্প্রতি যে বিপুল পরিমাণ নথি প্রকাশ করেছে, তাতে এপস্টিনের সম্পদসংক্রান্ত দলিল ও তদন্তের নানা উপাত্ত রয়েছে। তিন মিলিয়নেরও বেশি পৃষ্ঠা, হাজারো ভিডিও ও বিপুল সংখ্যক ছবি নিয়ে গঠিত এই নথিপত্রে দেখা যায়, দুই হাজার আট সালের দণ্ডের পরও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে এপস্টিনের যোগাযোগ বজায় ছিল। ফলে রাজনৈতিক, প্রযুক্তি ও ব্যবসায়িক মহলের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
প্রভাবশালীদের নাম ঘিরে বিতর্ক
ভ্যান্স বিশেষভাবে কয়েকজন পরিচিত ধনকুবের ও সাবেক নেতার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এসব তথ্য তাদের ভাবমূর্তিকে খারাপভাবে প্রভাবিত করে। নথিতে দেখা যায়, দুই হাজার তেরো সালে এক প্রযুক্তি উদ্যোক্তার এপস্টিনের ব্যক্তিগত দ্বীপে যাওয়ার সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল, যদিও সেই সফর শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে। একই সময়ের একটি বার্তায় আরেক ধনীর বিরুদ্ধে অবৈধ মাদকসংক্রান্ত সহায়তা চাওয়ার অভিযোগের উল্লেখ থাকলেও সংশ্লিষ্ট পক্ষ একে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
কংগ্রেসে সাক্ষ্য ও রাজনৈতিক চাপ
এপস্টিন তদন্তে কংগ্রেসের তদারকি কমিটির সামনে সাক্ষ্য দিতে সম্মত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের এক সাবেক প্রেসিডেন্ট ও তার স্ত্রী। অতীতে ওই প্রেসিডেন্ট এপস্টিনের ব্যক্তিগত বিমানে ভ্রমণের কথা স্বীকার করলেও কোনো অনিয়ম অস্বীকার করেছেন। শুরুতে তারা সমন মানতে আপত্তি জানালেও তদন্তের অগ্রগতিতে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে।
ট্রাম্প প্রসঙ্গ ও পাল্টা অভিযোগ
নথিতে বর্তমান প্রেসিডেন্টের নাম বহুবার উঠে এলেও তিনি এপস্টিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ভ্যান্সের ভাষ্য অনুযায়ী, ধন সম্পদ ও সামাজিক অবস্থানের কারণে তিনি অনেককে চিনলেও অভিজাত সামাজিক বৃত্তের ভেতরে ছিলেন না। অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট নিজেই দাবি করেছেন, তিনি কখনও এপস্টিনের দ্বীপে যাননি এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ই ইঙ্গিত করেছেন।
মৃত্যু ঘিরে রহস্য ও ষড়যন্ত্র তত্ত্ব
দুই হাজার উনিশ সালে নিউইয়র্কের একটি কারাগারে এপস্টিমার্কিন অভিজাতদের ‘অশ্লীল ঘনিষ্ঠতা’ ফাঁস, এপস্টিন নথি ঘিরে তীব্র মন্তব্য ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের
সারাক্ষণ রিপোর্ট: যুক্তরাষ্ট্রের দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিনকে ঘিরে প্রকাশিত নতুন নথিপত্র দেশটির রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক অভিজাতদের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স বলেছেন, এসব নথি আমেরিকার প্রভাবশালী মহলে এক ধরনের অস্বাস্থ্যকর ঘনিষ্ঠ সংস্কৃতির চিত্র সামনে এনেছে, যা তিনি অত্যন্ত অরুচিকর বলে মন্তব্য করেছেন।
নতুন নথিতে বিস্তৃত তথ্য
মার্কিন বিচার বিভাগ সম্প্রতি যে বিপুল পরিমাণ নথি প্রকাশ করেছে, তাতে এপস্টিনের সম্পদসংক্রান্ত দলিল ও তদন্তের নানা উপাত্ত রয়েছে। তিন মিলিয়নেরও বেশি পৃষ্ঠা, হাজারো ভিডিও ও বিপুল সংখ্যক ছবি নিয়ে গঠিত এই নথিপত্রে দেখা যায়, দুই হাজার আট সালের দণ্ডের পরও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে এপস্টিনের যোগাযোগ বজায় ছিল। ফলে রাজনৈতিক, প্রযুক্তি ও ব্যবসায়িক মহলের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
প্রভাবশালীদের নাম ঘিরে বিতর্ক
ভ্যান্স বিশেষভাবে কয়েকজন পরিচিত ধনকুবের ও সাবেক নেতার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এসব তথ্য তাদের ভাবমূর্তিকে খারাপভাবে প্রভাবিত করে। নথিতে দেখা যায়, দুই হাজার তেরো সালে এক প্রযুক্তি উদ্যোক্তার এপস্টিনের ব্যক্তিগত দ্বীপে যাওয়ার সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল, যদিও সেই সফর শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে। একই সময়ের একটি বার্তায় আরেক ধনীর বিরুদ্ধে অবৈধ মাদকসংক্রান্ত সহায়তা চাওয়ার অভিযোগের উল্লেখ থাকলেও সংশ্লিষ্ট পক্ষ একে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
কংগ্রেসে সাক্ষ্য ও রাজনৈতিক চাপ
এপস্টিন তদন্তে কংগ্রেসের তদারকি কমিটির সামনে সাক্ষ্য দিতে সম্মত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের এক সাবেক প্রেসিডেন্ট ও তার স্ত্রী। অতীতে ওই প্রেসিডেন্ট এপস্টিনের ব্যক্তিগত বিমানে ভ্রমণের কথা স্বীকার করলেও কোনো অনিয়ম অস্বীকার করেছেন। শুরুতে তারা সমন মানতে আপত্তি জানালেও তদন্তের অগ্রগতিতে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে।
ট্রাম্প প্রসঙ্গ ও পাল্টা অভিযোগ
নথিতে বর্তমান প্রেসিডেন্টের নাম বহুবার উঠে এলেও তিনি এপস্টিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ভ্যান্সের ভাষ্য অনুযায়ী, ধনসম্পদ ও সামাজিক অবস্থানের কারণে তিনি অনেককে চিনলেও অভিজাত সামাজিক বৃত্তের ভেতরে ছিলেন না। অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট নিজেই দাবি করেছেন, তিনি কখনও এপস্টিনের দ্বীপে যাননি এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধেই ইঙ্গিত করেছেন।
মৃত্যু ঘিরে রহস্য ও ষড়যন্ত্র তত্ত্ব
দুই হাজার উনিশ সালে নিউইয়র্কের একটি কারাগারে এপস্টিনের মৃত্যু আত্মহত্যা হিসেবে ঘোষণা করা হলেও তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা সন্দেহ ও ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ঘুরে বেড়াচ্ছে। অনেকের ধারণা, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের গোপন তথ্য প্রকাশ ঠেকাতেই তাকে হত্যা করা হতে পারে। নতুন নথি প্রকাশের পর সেই বিতর্ক আবারও জোরালো হয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















