১০:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
ব্রিটেনের আশ্রয়নীতি কি এখন নিয়ন্ত্রণের বদলে বিভ্রান্তির প্রতীক? জেসন আরডের বেদনাময় পরিণতি: মেধা, বর্ণ ও অভিজাত একাডেমিয়ার অদৃশ্য দেয়াল এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলে পাকিস্তানের বড় জয়, ভারতকে হারিয়ে তিন পদই দখলে সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে ভারত-চীন বৈঠক, বেইজিং যাচ্ছেন অজিত ডোভাল বিজেপির ‘জেন জি’ প্রচারে কটাক্ষ, ‘ভাইরাস-ককরোচ’ মন্তব্য টেনে নিশানা সৌরভ দাসের ঝিনাইদহে ২০০ শিশুর চিকিৎসায় হিমশিম হাসপাতাল, লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগ চরম ঢাকার কূটনৈতিক জোনে নিরাপত্তা জোরদার, দূতাবাসে অর্থ দাবির ই-মেইল ডেঙ্গুতে আরও ৫ মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি বেড়ে ৮২ চুয়াডাঙ্গায় প্রণোদনার ৫৪ বস্তা সার গায়েব, স্বাক্ষর নিয়েও সার পেলেন না কৃষকরা গ্যাস সংকটে ছয় মাসের জন্য কারখানা বন্ধ করল ফু-ওয়াং ফুডস

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-১)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৪
  • 111

প্রদীপ কুমার মজুমদার

কোথায় উৎপত্তি

গণিতশাস্ত্রের উৎপত্তি কোথায় এবং কবে থেকে এর শুরু, তা একটি ঐতিহাসিক বিতর্কিত বিষয়। তবে ঐতিহাসিকদের মধ্যে কেউ কেউ গণিতের আদিভূমি হিসাবে মিশরকে চিহ্নিত করেন। কেউ কেউ আবার ব্যাবিলনকে এই আসনে বসান। আবার অনেক পণ্ডিত গণিতশাস্ত্রের সূতিকাগৃহ হিসাবে ভারতবর্ষকে চিহ্নিত করেন। অবশ্য চীনের দাবীও এ সম্পর্কে থাকতে পারে সে কথাও কেউ কেউ উল্লেখ করেছেন।

গণিতচর্চ। প্রথম দিকে ঠিক পদ্ধতিগতভাবে হোত কিনা সে বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। কারণ, পদ্ধতিগতভাবে গণিতচর্চা করতে গেলে লিপির প্রয়োজন। সভ্যতার উষালগ্নে লিপিমালার আবিষ্কার হয় নি। ফলে মুখে মুখে যতটুকু জ্ঞান বিজ্ঞানচর্চা করা সম্ভব তাই করা হোত। এ অনুমানের যথার্থত। প্রমাণ করতে গেলে আমাদের শাস্ত্র অর্থাৎ প্রাচীন ভারতীয়দের লেখা বেদ প্রভৃতি গ্রন্থ পড়া দরকার।

যাই হোক সভ্যতার উষালগ্নের ইতিহাস খুঁজতে যাওয়া এক রীতিমত কঠিন ব্যাপার। কারণ সে সময়কার সভ্যতার নিদর্শন ইতস্তত বিক্ষিপ্ত ভাবে এদেশে সে দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। ঐতিহাসিকেরা এই সব প্রাচীন নিদর্শনগুলিকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার বিশ্লেষণ করে পাণ্ডিত্যপূর্ণ অভিমত দিয়ে থাকেন। এবং দেখা যায় একই বিষয়ে বিভিন্ন মতবাদ সৃষ্টি হয়ে থাকে। সুতরাং গণিতশাস্ত্রের ইতিহাস নিয়ে যাঁরা চর্চা করেন তাঁদের মত বিভিন্ন রকমের। ফলে তাঁদের মধ্যে কিছুটা পক্ষপাতিত্ব দোষ দেখা যায় এবং সেইহেতু প্রকৃত তথ্যের মূল্যায়ন অনেক ক্ষেত্রে সম্ভবপর হয় না।

প্রাচীন কালের গণিতচর্চা নিয়ে যাঁরা গবেষণা করে যাবেন তাঁদের মধ্যে টি. এরিক পিট, অটো নিউগেবাওয়ার, য়োশিও মিকামী, ডি. ই. স্মীথ, ফ্লোরিয়ান ক্যাজরী, জি. সাটন, টি. এল. হীথ, কারা, ডি. ভো, শোপেন হাউয়ার, ভিনতারিজ, কাল ফিংক, মঝিম বোচার, কারস্পিনস্কি, ডাম্পিয়র, জি. এ. মিলার, এইচ. হাঙ্গেল, ভোপেক, জি. থিবো, বি. জি. তিলক, এস. দ্বিবেদী, বাপুদেব শাস্ত্রী, বি. বি. দত্ত, পি. সি সেনগুপ্ত, সমরেন্দ্র নাথ সেন, অমূল্য কুমার বাগ প্রমুখের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রিটেনের আশ্রয়নীতি কি এখন নিয়ন্ত্রণের বদলে বিভ্রান্তির প্রতীক?

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-১)

১০:০০:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৪

প্রদীপ কুমার মজুমদার

কোথায় উৎপত্তি

গণিতশাস্ত্রের উৎপত্তি কোথায় এবং কবে থেকে এর শুরু, তা একটি ঐতিহাসিক বিতর্কিত বিষয়। তবে ঐতিহাসিকদের মধ্যে কেউ কেউ গণিতের আদিভূমি হিসাবে মিশরকে চিহ্নিত করেন। কেউ কেউ আবার ব্যাবিলনকে এই আসনে বসান। আবার অনেক পণ্ডিত গণিতশাস্ত্রের সূতিকাগৃহ হিসাবে ভারতবর্ষকে চিহ্নিত করেন। অবশ্য চীনের দাবীও এ সম্পর্কে থাকতে পারে সে কথাও কেউ কেউ উল্লেখ করেছেন।

গণিতচর্চ। প্রথম দিকে ঠিক পদ্ধতিগতভাবে হোত কিনা সে বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। কারণ, পদ্ধতিগতভাবে গণিতচর্চা করতে গেলে লিপির প্রয়োজন। সভ্যতার উষালগ্নে লিপিমালার আবিষ্কার হয় নি। ফলে মুখে মুখে যতটুকু জ্ঞান বিজ্ঞানচর্চা করা সম্ভব তাই করা হোত। এ অনুমানের যথার্থত। প্রমাণ করতে গেলে আমাদের শাস্ত্র অর্থাৎ প্রাচীন ভারতীয়দের লেখা বেদ প্রভৃতি গ্রন্থ পড়া দরকার।

যাই হোক সভ্যতার উষালগ্নের ইতিহাস খুঁজতে যাওয়া এক রীতিমত কঠিন ব্যাপার। কারণ সে সময়কার সভ্যতার নিদর্শন ইতস্তত বিক্ষিপ্ত ভাবে এদেশে সে দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। ঐতিহাসিকেরা এই সব প্রাচীন নিদর্শনগুলিকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার বিশ্লেষণ করে পাণ্ডিত্যপূর্ণ অভিমত দিয়ে থাকেন। এবং দেখা যায় একই বিষয়ে বিভিন্ন মতবাদ সৃষ্টি হয়ে থাকে। সুতরাং গণিতশাস্ত্রের ইতিহাস নিয়ে যাঁরা চর্চা করেন তাঁদের মত বিভিন্ন রকমের। ফলে তাঁদের মধ্যে কিছুটা পক্ষপাতিত্ব দোষ দেখা যায় এবং সেইহেতু প্রকৃত তথ্যের মূল্যায়ন অনেক ক্ষেত্রে সম্ভবপর হয় না।

প্রাচীন কালের গণিতচর্চা নিয়ে যাঁরা গবেষণা করে যাবেন তাঁদের মধ্যে টি. এরিক পিট, অটো নিউগেবাওয়ার, য়োশিও মিকামী, ডি. ই. স্মীথ, ফ্লোরিয়ান ক্যাজরী, জি. সাটন, টি. এল. হীথ, কারা, ডি. ভো, শোপেন হাউয়ার, ভিনতারিজ, কাল ফিংক, মঝিম বোচার, কারস্পিনস্কি, ডাম্পিয়র, জি. এ. মিলার, এইচ. হাঙ্গেল, ভোপেক, জি. থিবো, বি. জি. তিলক, এস. দ্বিবেদী, বাপুদেব শাস্ত্রী, বি. বি. দত্ত, পি. সি সেনগুপ্ত, সমরেন্দ্র নাথ সেন, অমূল্য কুমার বাগ প্রমুখের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

(চলবে)