১২:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন ধাক্কা: পিটার ম্যান্ডেলসন গ্রেফতার হলিউডে রবার্ট রেইনার হত্যা মামলায় নিক রেইনারের আদালতে ‘অভিযোগ অস্বীকার’ ট্রাম্পের গোপন নথি মামলা: বিচারক স্থায়ীভাবে প্রতিবেদন প্রকাশ বন্ধ করলেন নয় সচিবের চুক্তি হঠাৎ বাতিল, প্রশাসনে সরগরম চট্টগ্রাম হিল ট্র্যাক্টস মন্ত্রণালয়ে আদিবাসী নেতৃত্বের আহ্বান বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট নিম্নচাপ দুর্বল: আবহাওয়া ভবন সতর্ক রমজানে লালমনিরহাটে সবজি ও ফলের দাম আকাশছোঁয়া ফরিদপুরে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগে স্থানীয়দের বিক্ষোভ জুলাই বিদ্রোহের স্মৃতিস্থলে ইনকিলাব মঞ্চের বৃহৎ ইফতার আয়োজন রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে হাইকোর্টের দুই বিচারকের পদত্যাগ কার্যকর

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-১)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৪
  • 63

প্রদীপ কুমার মজুমদার

কোথায় উৎপত্তি

গণিতশাস্ত্রের উৎপত্তি কোথায় এবং কবে থেকে এর শুরু, তা একটি ঐতিহাসিক বিতর্কিত বিষয়। তবে ঐতিহাসিকদের মধ্যে কেউ কেউ গণিতের আদিভূমি হিসাবে মিশরকে চিহ্নিত করেন। কেউ কেউ আবার ব্যাবিলনকে এই আসনে বসান। আবার অনেক পণ্ডিত গণিতশাস্ত্রের সূতিকাগৃহ হিসাবে ভারতবর্ষকে চিহ্নিত করেন। অবশ্য চীনের দাবীও এ সম্পর্কে থাকতে পারে সে কথাও কেউ কেউ উল্লেখ করেছেন।

গণিতচর্চ। প্রথম দিকে ঠিক পদ্ধতিগতভাবে হোত কিনা সে বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। কারণ, পদ্ধতিগতভাবে গণিতচর্চা করতে গেলে লিপির প্রয়োজন। সভ্যতার উষালগ্নে লিপিমালার আবিষ্কার হয় নি। ফলে মুখে মুখে যতটুকু জ্ঞান বিজ্ঞানচর্চা করা সম্ভব তাই করা হোত। এ অনুমানের যথার্থত। প্রমাণ করতে গেলে আমাদের শাস্ত্র অর্থাৎ প্রাচীন ভারতীয়দের লেখা বেদ প্রভৃতি গ্রন্থ পড়া দরকার।

যাই হোক সভ্যতার উষালগ্নের ইতিহাস খুঁজতে যাওয়া এক রীতিমত কঠিন ব্যাপার। কারণ সে সময়কার সভ্যতার নিদর্শন ইতস্তত বিক্ষিপ্ত ভাবে এদেশে সে দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। ঐতিহাসিকেরা এই সব প্রাচীন নিদর্শনগুলিকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার বিশ্লেষণ করে পাণ্ডিত্যপূর্ণ অভিমত দিয়ে থাকেন। এবং দেখা যায় একই বিষয়ে বিভিন্ন মতবাদ সৃষ্টি হয়ে থাকে। সুতরাং গণিতশাস্ত্রের ইতিহাস নিয়ে যাঁরা চর্চা করেন তাঁদের মত বিভিন্ন রকমের। ফলে তাঁদের মধ্যে কিছুটা পক্ষপাতিত্ব দোষ দেখা যায় এবং সেইহেতু প্রকৃত তথ্যের মূল্যায়ন অনেক ক্ষেত্রে সম্ভবপর হয় না।

প্রাচীন কালের গণিতচর্চা নিয়ে যাঁরা গবেষণা করে যাবেন তাঁদের মধ্যে টি. এরিক পিট, অটো নিউগেবাওয়ার, য়োশিও মিকামী, ডি. ই. স্মীথ, ফ্লোরিয়ান ক্যাজরী, জি. সাটন, টি. এল. হীথ, কারা, ডি. ভো, শোপেন হাউয়ার, ভিনতারিজ, কাল ফিংক, মঝিম বোচার, কারস্পিনস্কি, ডাম্পিয়র, জি. এ. মিলার, এইচ. হাঙ্গেল, ভোপেক, জি. থিবো, বি. জি. তিলক, এস. দ্বিবেদী, বাপুদেব শাস্ত্রী, বি. বি. দত্ত, পি. সি সেনগুপ্ত, সমরেন্দ্র নাথ সেন, অমূল্য কুমার বাগ প্রমুখের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন ধাক্কা: পিটার ম্যান্ডেলসন গ্রেফতার

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-১)

১০:০০:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৪

প্রদীপ কুমার মজুমদার

কোথায় উৎপত্তি

গণিতশাস্ত্রের উৎপত্তি কোথায় এবং কবে থেকে এর শুরু, তা একটি ঐতিহাসিক বিতর্কিত বিষয়। তবে ঐতিহাসিকদের মধ্যে কেউ কেউ গণিতের আদিভূমি হিসাবে মিশরকে চিহ্নিত করেন। কেউ কেউ আবার ব্যাবিলনকে এই আসনে বসান। আবার অনেক পণ্ডিত গণিতশাস্ত্রের সূতিকাগৃহ হিসাবে ভারতবর্ষকে চিহ্নিত করেন। অবশ্য চীনের দাবীও এ সম্পর্কে থাকতে পারে সে কথাও কেউ কেউ উল্লেখ করেছেন।

গণিতচর্চ। প্রথম দিকে ঠিক পদ্ধতিগতভাবে হোত কিনা সে বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। কারণ, পদ্ধতিগতভাবে গণিতচর্চা করতে গেলে লিপির প্রয়োজন। সভ্যতার উষালগ্নে লিপিমালার আবিষ্কার হয় নি। ফলে মুখে মুখে যতটুকু জ্ঞান বিজ্ঞানচর্চা করা সম্ভব তাই করা হোত। এ অনুমানের যথার্থত। প্রমাণ করতে গেলে আমাদের শাস্ত্র অর্থাৎ প্রাচীন ভারতীয়দের লেখা বেদ প্রভৃতি গ্রন্থ পড়া দরকার।

যাই হোক সভ্যতার উষালগ্নের ইতিহাস খুঁজতে যাওয়া এক রীতিমত কঠিন ব্যাপার। কারণ সে সময়কার সভ্যতার নিদর্শন ইতস্তত বিক্ষিপ্ত ভাবে এদেশে সে দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। ঐতিহাসিকেরা এই সব প্রাচীন নিদর্শনগুলিকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার বিশ্লেষণ করে পাণ্ডিত্যপূর্ণ অভিমত দিয়ে থাকেন। এবং দেখা যায় একই বিষয়ে বিভিন্ন মতবাদ সৃষ্টি হয়ে থাকে। সুতরাং গণিতশাস্ত্রের ইতিহাস নিয়ে যাঁরা চর্চা করেন তাঁদের মত বিভিন্ন রকমের। ফলে তাঁদের মধ্যে কিছুটা পক্ষপাতিত্ব দোষ দেখা যায় এবং সেইহেতু প্রকৃত তথ্যের মূল্যায়ন অনেক ক্ষেত্রে সম্ভবপর হয় না।

প্রাচীন কালের গণিতচর্চা নিয়ে যাঁরা গবেষণা করে যাবেন তাঁদের মধ্যে টি. এরিক পিট, অটো নিউগেবাওয়ার, য়োশিও মিকামী, ডি. ই. স্মীথ, ফ্লোরিয়ান ক্যাজরী, জি. সাটন, টি. এল. হীথ, কারা, ডি. ভো, শোপেন হাউয়ার, ভিনতারিজ, কাল ফিংক, মঝিম বোচার, কারস্পিনস্কি, ডাম্পিয়র, জি. এ. মিলার, এইচ. হাঙ্গেল, ভোপেক, জি. থিবো, বি. জি. তিলক, এস. দ্বিবেদী, বাপুদেব শাস্ত্রী, বি. বি. দত্ত, পি. সি সেনগুপ্ত, সমরেন্দ্র নাথ সেন, অমূল্য কুমার বাগ প্রমুখের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

(চলবে)