১০:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
লন্ডনে একা থাকা এখন বিলাসিতা: ভাড়া বাঁচাতে ৩৫ পেরিয়েও বাড়ছে রুমমেট সংস্কৃতি ইউরোপের প্রবৃদ্ধি সংকট: ঐক্যহীনতা ও সংস্কার জটিলতায় ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ কেন ইরানের পক্ষে লাভজনক পিঁপড়াদের থ্রিডি জগত উন্মোচন, বিজ্ঞানীদের চোখে অবাক করা জীববৈচিত্র্যের মিছিল হরমুজ বন্ধ, বিশ্ব বাণিজ্যের ঝুঁকির নতুন মানচিত্র হলিউড ছাড়ছে অস্কার, ২০২৯ থেকে নতুন ঠিকানা ডাউনটাউন লস অ্যাঞ্জেলেসে ব্রেক্সিটের পর ইংল্যান্ডের কৃষিনীতি: অন্য দেশের জন্য নতুন দৃষ্টান্ত তাডোবায় ডোরাকাটা রোমাঞ্চ জিপ সাফারির বাইরে বনভ্রমণের নতুন ধারা, প্রকৃতিকে বুঝেই আবিষ্কার করছেন পর্যটকরা ফোনমুক্ত শৈশবের পথে এক শহরের লড়াই: শিশুদের মানসিক সুস্থতায় আয়ারল্যান্ডের অনন্য উদ্যোগ

বাংলার শাক (পর্ব-১৭)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 109

সজনে শাক
Moringa oleifera (Moringaceae)

সজনে মাঝারি উচ্চতার বহুবর্ষজীবি গাছ। সাধারণত বাড়ির আশেপাশে লাগানো হয়। চৈত্র-বৈশাখ মাসে বড় ডাল কেটে ডাঙা জমিতে লাগাতে হয়। বীজ থেকে চারা তৈরি করেও লাগানো যায়। এই গাছের সব অংশই উপকারি।এটির শাক হিসেবে ব্যবহৃত পাতা ভিটামিন এ-এর একটি বড় উৎস। সজনের পাতা এবং ফল উভয়ের মধ্যেই বিপুল পরিমাণে পুষ্টি আছে।

সজনের পাতা শাকের মত খাওয়া যায়। এটা খেতে একটু তেতো বা কষা লাগে। শাক ভেজে ও তরকারি করে খেতে খুব ভালো লাগে। ফুল ও ডাঁটাও খাওয়া হয়। হজম শক্তি বাড়ায়। কৃমি ভালো করে। এর পাতার রস ২-৪ চামচ জল সহ পান করলে হিক্কা ভালো হয়। বসন্ত রোগ প্রতিরোধ করে। হাঁপানীর কষ্ট ভালো হয়। প্রস্রাব করায়। রক্ত বাড়ায়। গাছের ছাল/বাকল সেদ্ধ করা জল জ্বরের ওষুধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

সজনের সমগোত্রীয় আরেকটি গাছ আছে, যাকে নাজনে বলা হয়। গাছ দেখতে একই রকম। এতে বারোমাস ফুল ও ডাঁটা হয়। গুণ প্রায় একই রকম। সাধারণত এটা বীজ থেকে লাগানো হয়।

(চলবে)

বাংলার শাক (পর্ব-১৬)

বাংলার শাক (পর্ব-১৬)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

লন্ডনে একা থাকা এখন বিলাসিতা: ভাড়া বাঁচাতে ৩৫ পেরিয়েও বাড়ছে রুমমেট সংস্কৃতি

বাংলার শাক (পর্ব-১৭)

০৯:০০:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪

সজনে শাক
Moringa oleifera (Moringaceae)

সজনে মাঝারি উচ্চতার বহুবর্ষজীবি গাছ। সাধারণত বাড়ির আশেপাশে লাগানো হয়। চৈত্র-বৈশাখ মাসে বড় ডাল কেটে ডাঙা জমিতে লাগাতে হয়। বীজ থেকে চারা তৈরি করেও লাগানো যায়। এই গাছের সব অংশই উপকারি।এটির শাক হিসেবে ব্যবহৃত পাতা ভিটামিন এ-এর একটি বড় উৎস। সজনের পাতা এবং ফল উভয়ের মধ্যেই বিপুল পরিমাণে পুষ্টি আছে।

সজনের পাতা শাকের মত খাওয়া যায়। এটা খেতে একটু তেতো বা কষা লাগে। শাক ভেজে ও তরকারি করে খেতে খুব ভালো লাগে। ফুল ও ডাঁটাও খাওয়া হয়। হজম শক্তি বাড়ায়। কৃমি ভালো করে। এর পাতার রস ২-৪ চামচ জল সহ পান করলে হিক্কা ভালো হয়। বসন্ত রোগ প্রতিরোধ করে। হাঁপানীর কষ্ট ভালো হয়। প্রস্রাব করায়। রক্ত বাড়ায়। গাছের ছাল/বাকল সেদ্ধ করা জল জ্বরের ওষুধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

সজনের সমগোত্রীয় আরেকটি গাছ আছে, যাকে নাজনে বলা হয়। গাছ দেখতে একই রকম। এতে বারোমাস ফুল ও ডাঁটা হয়। গুণ প্রায় একই রকম। সাধারণত এটা বীজ থেকে লাগানো হয়।

(চলবে)

বাংলার শাক (পর্ব-১৬)

বাংলার শাক (পর্ব-১৬)