১২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
মাছের জিন গবেষণায় নতুন দিগন্ত, উন্নত চাষে বদলাচ্ছে জলজ খাদ্যের ভবিষ্যৎ স্পেসএক্সে বিনিয়োগ না করে কী হারালেন, কী শিখলেন এক বিনিয়োগকারী আপত্তিকর উপাদানমুক্ত বিস্কুটে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন, ছোট উদ্যোগ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন সাফল্য প্রাক্তন কিশোর অপরাধী থেকে সফল উদ্যোক্তা, রান্নাঘরেই জীবনের নতুন ঠিকানা গড়লেন রিউবেন পর্দার দুনিয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে বই পড়ার আনন্দ, পড়ার অভ্যাস ফিরিয়ে আনাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ বড় পরিবার মানেই দায় নয়: সন্তান বেশি হলেই কেন প্রশ্নের মুখে পড়েন অভিভাবকেরা অনলাইন নিরাপত্তায় শুধু নিষেধাজ্ঞা নয়, পরিবার ও সচেতনতাই হতে পারে বড় সমাধান বাংলাদেশিসহ শতাধিক অভিবাসী শ্রমিকের বেতন আটকে সংকট, ঋণের বোঝায় বিপর্যস্ত পরিবার শ্রবণপ্রতিবন্ধকতাকে শক্তিতে বদলে অক্সফোর্ডের পথে জেড, নাটকের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তির নতুন বার্তা টেলর সুইফট–ট্রাভিস কেলসির বিয়ে, নিউইয়র্কে তারকাখচিত আয়োজনে তিন বছরের প্রেমের পূর্ণতা

বাংলার শাক (পর্ব-৩১)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 133

পিড়িং
Trigonella corniculata (Fabaceae)

পিড়িং শাক শীতকালে ভিজে জমিতে জন্মায়। এটা গুল্মজাতীয় গাছ। চাষ করতে হলে আশ্বিন মাসের শেষে কিংবা কার্তিক মাসের প্রথমে বীজ বপন করতে হয়।

পিড়িং শাকের স্বাদ তেতো। এর পাতা বেগুনের সাথে বা শুধুই ভেজে খাওয়া হয়। এর রস দুই বা আড়াই চামচ গরম করে খেলে মেহ রোগ ভালো হয়। প্রস্রাব করায়। কাসি সহ শরীর জ্বালা ও বমি হলে এটার বীজ ২ চামচ এক গ্লাস গরম জলে ঘন্টা খানেক ভিজিয়ে ছেঁকে খেলে ভালো হয়। অম্বল ভালো করে। খুব বেশি রকম ঘামলে এর বীজ দেড় বা দুই চামচ একটু থেঁতো করে ১ গ্লাস জলে ভিজিয়ে, ছেঁকে সেই জল বারে বারে খেলে ঘাম কম হয়।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মাছের জিন গবেষণায় নতুন দিগন্ত, উন্নত চাষে বদলাচ্ছে জলজ খাদ্যের ভবিষ্যৎ

বাংলার শাক (পর্ব-৩১)

০৯:০০:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪

পিড়িং
Trigonella corniculata (Fabaceae)

পিড়িং শাক শীতকালে ভিজে জমিতে জন্মায়। এটা গুল্মজাতীয় গাছ। চাষ করতে হলে আশ্বিন মাসের শেষে কিংবা কার্তিক মাসের প্রথমে বীজ বপন করতে হয়।

পিড়িং শাকের স্বাদ তেতো। এর পাতা বেগুনের সাথে বা শুধুই ভেজে খাওয়া হয়। এর রস দুই বা আড়াই চামচ গরম করে খেলে মেহ রোগ ভালো হয়। প্রস্রাব করায়। কাসি সহ শরীর জ্বালা ও বমি হলে এটার বীজ ২ চামচ এক গ্লাস গরম জলে ঘন্টা খানেক ভিজিয়ে ছেঁকে খেলে ভালো হয়। অম্বল ভালো করে। খুব বেশি রকম ঘামলে এর বীজ দেড় বা দুই চামচ একটু থেঁতো করে ১ গ্লাস জলে ভিজিয়ে, ছেঁকে সেই জল বারে বারে খেলে ঘাম কম হয়।

(চলবে)