০১:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
চিকিৎসাব্যবস্থা যখন শোনে না, রোগীরা তখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছে যায় তারকা হোটেলের বিলাসবহুল স্যুটে এনসিপির সাক্ষাৎকার, ক্ষোভ তৃণমূল নেতাকর্মীদের হাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে, দুই মাসে ৫২৮ শিশুর মৃত্যু সিলেটে হাম-সদৃশ উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫ ফেসবুক লাইভে সংবাদ উপস্থাপনায় নতুন পোশাকবিধি, বাংলাদেশ বেতারের নির্দেশনা ঘিরে আলোচনা পাকিস্তানে তুলার সংকট, মৌসুম শুরুর আগেই যুক্তরাষ্ট্র-ব্রাজিল থেকে ব্যাপক আমদানি চীনের সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতা জোরদারে পাকিস্তান, আফগান ভূখণ্ড নিয়ে কড়া বার্তা বেইজিংয়ের পাকিস্তানে চীনা নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ফের আশ্বাস শাহবাজ শরিফের পাকিস্তানে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে নিরাপত্তা জোরদার, গঠন হচ্ছে ‘ওয়াপডা সিকিউরিটি ফোর্স’ আসামে ইউনিফর্ম সিভিল কোড বিল উত্থাপন, বিজেপি শাসিত তৃতীয় রাজ্যে নতুন বিতর্ক

সামরিক নিরাপত্তায় ১৬টি বন্দর এবং বিমানবন্দরকে অত্যাধুনিক করছে জাপান

  • Sarakhon Report
  • ০৬:১০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ ২০২৪
  • 180

সারাক্ষণ ডেস্ক

 

জাপান সরকার তার দেশের  ১৬টি বন্দর এবং বিমানবন্দরকে অত্যাধুনিক ভাবে নির্মাণ করার উদ্যোগ নিয়েছে। দেশের যে কোন সামরিক নিরাপত্তার কাজে জরুরি কেন্দ্র হিসেবে তা যেন ব্যবহার করতে পারে।

সেই তালিকায় রয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিম জাপানের কিটাকিউশু বিমানবন্দর এবং ওকিনাওয়ার নাহা বিমানবন্দর।  সেই সাথে হোক্কাইডোর কুশিরো বন্দর এবং ওকিনাওয়ার ইশিগাকি।

যা তাইওয়ানের প্রায় ২৩০  কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত।

 

এই বিমানবন্দরে দীর্ঘ রানওয়ে বা অতিরিক্ত ওয়ে করা হবে।

জরুরী অবস্থার সময়, জাপানের নিজস্ব-প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং জাপান কোস্ট গার্ড তাদের কর্মীদের এবং স্থানীয় বাসিন্দাদেরসরিয়ে নেওয়ার জন্য নিরাপদ ও নিরাপত্তাপূর্ণ এলাকা হিসাবে ব্যবহার করতে পারে।

 

মন্ত্রিপরিষদের আসন্ন বৈঠকে তালিকাটি অনুমোদন করা হবে।

জাপান সরকার ২০২২ সালে প্রকাশিত একটি জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে বিমানবন্দর এবং বন্দরগুলিকে আপগ্রেড করারপরিকল্পনার রূপরেখা দিয়েছিল৷

 

২০২৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত প্রায় ৩০টি সুবিধা বিবেচনা করা হয় ৷ এই সংখ্যাটি ১৬ টি স্থানে নির্ধারণ করে ছোট করা হয়েছিল।যেগুলি স্থানীয়ভাবে অনুমোদন পেয়েছে৷

 

১৬টি স্থানের মধ্যে, শুধুমাত্র নাহা বিমানবন্দর এবং ইশিগাকি বন্দর তাইওয়ান প্রণালীর কাছে অবস্থিত।

 

যা পূর্ব এশিয়ার একটি সম্ভাব্য ফ্ল্যাশপয়েন্ট।

 

ওকিনাওয়া প্রিফেকচারের অন্যান্য বেশ কয়েকটি বিমানবন্দর এবং বন্দরকেও বিবেচনা করা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে প্রতিরক্ষাঘাঁটি তৈরির বিরুদ্ধে স্থানীয়দের বিরোধীতার কারণে  করা যায়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

চিকিৎসাব্যবস্থা যখন শোনে না, রোগীরা তখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছে যায়

সামরিক নিরাপত্তায় ১৬টি বন্দর এবং বিমানবন্দরকে অত্যাধুনিক করছে জাপান

০৬:১০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ ২০২৪

সারাক্ষণ ডেস্ক

 

জাপান সরকার তার দেশের  ১৬টি বন্দর এবং বিমানবন্দরকে অত্যাধুনিক ভাবে নির্মাণ করার উদ্যোগ নিয়েছে। দেশের যে কোন সামরিক নিরাপত্তার কাজে জরুরি কেন্দ্র হিসেবে তা যেন ব্যবহার করতে পারে।

সেই তালিকায় রয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিম জাপানের কিটাকিউশু বিমানবন্দর এবং ওকিনাওয়ার নাহা বিমানবন্দর।  সেই সাথে হোক্কাইডোর কুশিরো বন্দর এবং ওকিনাওয়ার ইশিগাকি।

যা তাইওয়ানের প্রায় ২৩০  কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত।

 

এই বিমানবন্দরে দীর্ঘ রানওয়ে বা অতিরিক্ত ওয়ে করা হবে।

জরুরী অবস্থার সময়, জাপানের নিজস্ব-প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং জাপান কোস্ট গার্ড তাদের কর্মীদের এবং স্থানীয় বাসিন্দাদেরসরিয়ে নেওয়ার জন্য নিরাপদ ও নিরাপত্তাপূর্ণ এলাকা হিসাবে ব্যবহার করতে পারে।

 

মন্ত্রিপরিষদের আসন্ন বৈঠকে তালিকাটি অনুমোদন করা হবে।

জাপান সরকার ২০২২ সালে প্রকাশিত একটি জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে বিমানবন্দর এবং বন্দরগুলিকে আপগ্রেড করারপরিকল্পনার রূপরেখা দিয়েছিল৷

 

২০২৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত প্রায় ৩০টি সুবিধা বিবেচনা করা হয় ৷ এই সংখ্যাটি ১৬ টি স্থানে নির্ধারণ করে ছোট করা হয়েছিল।যেগুলি স্থানীয়ভাবে অনুমোদন পেয়েছে৷

 

১৬টি স্থানের মধ্যে, শুধুমাত্র নাহা বিমানবন্দর এবং ইশিগাকি বন্দর তাইওয়ান প্রণালীর কাছে অবস্থিত।

 

যা পূর্ব এশিয়ার একটি সম্ভাব্য ফ্ল্যাশপয়েন্ট।

 

ওকিনাওয়া প্রিফেকচারের অন্যান্য বেশ কয়েকটি বিমানবন্দর এবং বন্দরকেও বিবেচনা করা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে প্রতিরক্ষাঘাঁটি তৈরির বিরুদ্ধে স্থানীয়দের বিরোধীতার কারণে  করা যায়নি।