০১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬
অচেনা প্রভাবের ছায়ায় শেষ অধ্যায়, নস্টালজিয়া আর ভয়ের নতুন ভাষা নতুন বছরে ক্রিপ্টো বাজারে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা, তবে অনিশ্চয়তা কাটেনি রাশিয়ার গ্যাস রপ্তানি ঐতিহাসিক নিম্ন স্তরে নববর্ষের ভাষণে যুদ্ধ জয়ের বার্তা: ইউক্রেনে বিজয়ের প্রত্যয় পুতিনের ডেমোক্র্যাটিক দলে অস্বস্তির নাম জোহরান মামদানি: সমাজতন্ত্রের ছায়া, ভেতরের বিভাজন ও ভবিষ্যতের প্রশ্ন ইউরোস্টারের বিপর্যয়, বিদ্যুৎহীন ট্রেনে রাত কাটিয়ে বিলম্বের ধাক্কা নববর্ষে নৃত্যের কঠিন লড়াই: বিলুপ্তির ঝুঁকিতে কম্বোডিয়ার ঐতিহ্যবাহী নৃত্য অর্থনৈতিক ক্ষোভে উত্তাল ইরান, সরকারি ভবনে হামলা আর কঠোর হুঁশিয়ারি লিবিয়ার জাতীয় স্মৃতির প্রত্যাবর্তন: ত্রিপোলির জাদুঘরে ইতিহাসের সঙ্গে নতুন করে দেখা ভারতের ধানের রপ্তানিতে অভূতপূর্ব সাফল্য, জল সংকটের আশঙ্কা

গুজব ও অপপ্রচার সম্পর্কে আড়ংয়ের বার্তা

  • Sarakhon Report
  • ১২:৪১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০২৪
  • 107

সারাক্ষণ ডেস্ক

দেশীয় পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আড়ংয়ের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ে গুজব ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সোমাবার ১ এপ্রিল এক বিবৃতিতে আড়ং সম্পর্কে গুজব ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে তা জানায় প্রতিষ্ঠানটি।

আড়ং বিবৃতিতে বলে, দরিদ্র মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা ও দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্য নিয়ে ৪৬ বছর আগে আড়ংয়ের জন্ম। আজ সারা বাংলাদেশে ২৯টি আউটলেট ও আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ৭৫ হাজার কারুশিল্পী এবং তাদের পরিবারের আয় আড়ংয়ের সঙ্গে যুক্ত, যাদের অধিকাংশই সুবিধাবঞ্চিত নারী। এছাড়াও প্রায় ৫ হাজার কর্মী আড়ংয়ের সাথে সরাসরি কাজ করছেন। যাত্রা শুরুর পর থেকে আড়ং অক্লান্তভাবে বাংলাদেশের কারুশিল্পকে মূলধারায় জনপ্রিয় করেছে, পাশাপাশি দেশে-বিদেশে দেশীয় পণ্যের বিপুল বাণিজ্যিক সম্ভাবনা তৈরি করেছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, আড়ংয়ের লাভের অর্ধেক ব্যয় হয় দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের জন্য ব্র্যাকের উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে।

আরও বলা হয়েছে, ঈদ এবং পহেলা বৈশাখের মতো উৎসবকে কেন্দ্র করে আমাদের উদ্যোক্তারা সারা বছর প্রস্তুতি নেন, যা তাদের ব্যবসায়ের প্রধান মৌসুম। অত্যন্ত দুঃখজনক যে এই উৎসবকালীন সময়ে আড়ংয়ের সুনামহানি করার জন্য একটি গোষ্ঠী মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে, যেন মানুষের মনে আড়ং সম্পর্কে বিরূপ ধারণা তৈরি হয় এবং বিক্রয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
আড়ং বাংলাদেশের কারুশিল্পীদের অসাধারণ নৈপুণ্য, আমাদের ক্রেতাদের দেশীয় হস্তশিল্পের প্রতি ভালোবাসা এবং ব্র্যাকের অব্যাহত প্রচেষ্টার উপর নির্ভর করে আজ বাংলাদেশের একটি অতি জনপ্রিয় ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে, যা বাংলাদেশের সৌন্দর্য, সম্ভাবনা এবং অনন্য পরিচয় বিশ্বের কাছে তুলে ধরে। উল্লেখ্য যে পৃথিবীর খুব কম দেশে আড়ংয়ের মতো ব্র্যান্ড তৈরী হয়েছে, যা নিজের দেশের হস্তশিল্পকে এত প্রসারিত করতে পেরেছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ঈদ ও পহেলা বৈশাখসহ বছরব্যাপী নানা উৎসব আয়োজনে, দৈনন্দিন প্রয়োজনে এবং জীবনের স্মরণীয় মুহূর্ত পালনে আপনারা সব সময় আড়ংকে বেছে নিয়েছেন। এজন্য আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আড়ং বিরোধী গুজব ও অপপ্রচারে প্রভাবিত না হয়ে, বাংলাদেশে জন্ম ও গড়ে ওঠা ব্র্যান্ড আড়ং এবং দেশের কারুশিল্পীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

জনপ্রিয় সংবাদ

অচেনা প্রভাবের ছায়ায় শেষ অধ্যায়, নস্টালজিয়া আর ভয়ের নতুন ভাষা

গুজব ও অপপ্রচার সম্পর্কে আড়ংয়ের বার্তা

১২:৪১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০২৪

সারাক্ষণ ডেস্ক

দেশীয় পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আড়ংয়ের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ে গুজব ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সোমাবার ১ এপ্রিল এক বিবৃতিতে আড়ং সম্পর্কে গুজব ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে তা জানায় প্রতিষ্ঠানটি।

আড়ং বিবৃতিতে বলে, দরিদ্র মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা ও দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্য নিয়ে ৪৬ বছর আগে আড়ংয়ের জন্ম। আজ সারা বাংলাদেশে ২৯টি আউটলেট ও আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ৭৫ হাজার কারুশিল্পী এবং তাদের পরিবারের আয় আড়ংয়ের সঙ্গে যুক্ত, যাদের অধিকাংশই সুবিধাবঞ্চিত নারী। এছাড়াও প্রায় ৫ হাজার কর্মী আড়ংয়ের সাথে সরাসরি কাজ করছেন। যাত্রা শুরুর পর থেকে আড়ং অক্লান্তভাবে বাংলাদেশের কারুশিল্পকে মূলধারায় জনপ্রিয় করেছে, পাশাপাশি দেশে-বিদেশে দেশীয় পণ্যের বিপুল বাণিজ্যিক সম্ভাবনা তৈরি করেছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, আড়ংয়ের লাভের অর্ধেক ব্যয় হয় দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের জন্য ব্র্যাকের উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে।

আরও বলা হয়েছে, ঈদ এবং পহেলা বৈশাখের মতো উৎসবকে কেন্দ্র করে আমাদের উদ্যোক্তারা সারা বছর প্রস্তুতি নেন, যা তাদের ব্যবসায়ের প্রধান মৌসুম। অত্যন্ত দুঃখজনক যে এই উৎসবকালীন সময়ে আড়ংয়ের সুনামহানি করার জন্য একটি গোষ্ঠী মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে, যেন মানুষের মনে আড়ং সম্পর্কে বিরূপ ধারণা তৈরি হয় এবং বিক্রয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
আড়ং বাংলাদেশের কারুশিল্পীদের অসাধারণ নৈপুণ্য, আমাদের ক্রেতাদের দেশীয় হস্তশিল্পের প্রতি ভালোবাসা এবং ব্র্যাকের অব্যাহত প্রচেষ্টার উপর নির্ভর করে আজ বাংলাদেশের একটি অতি জনপ্রিয় ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে, যা বাংলাদেশের সৌন্দর্য, সম্ভাবনা এবং অনন্য পরিচয় বিশ্বের কাছে তুলে ধরে। উল্লেখ্য যে পৃথিবীর খুব কম দেশে আড়ংয়ের মতো ব্র্যান্ড তৈরী হয়েছে, যা নিজের দেশের হস্তশিল্পকে এত প্রসারিত করতে পেরেছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ঈদ ও পহেলা বৈশাখসহ বছরব্যাপী নানা উৎসব আয়োজনে, দৈনন্দিন প্রয়োজনে এবং জীবনের স্মরণীয় মুহূর্ত পালনে আপনারা সব সময় আড়ংকে বেছে নিয়েছেন। এজন্য আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আড়ং বিরোধী গুজব ও অপপ্রচারে প্রভাবিত না হয়ে, বাংলাদেশে জন্ম ও গড়ে ওঠা ব্র্যান্ড আড়ং এবং দেশের কারুশিল্পীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।