০৩:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
দক্ষিণ চীন সাগরে মালয়েশিয়ার নতুন নজরদারি শক্তি, আকাশে যুক্ত হলো ‘অবিরাম চোখ’ আনকা-এস মালয়েশিয়ায় একক মায়ের সংখ্যা ৩ লাখ ৪০ হাজার ছাড়াল, দারিদ্র্য ও জীবনযুদ্ধের শঙ্কা বাড়ছে চীনের নতুন বার্তা: দেশের টাকা দেশে রাখুন, বিদেশে বিনিয়োগে বাড়ছে কড়াকড়ি মালয়েশিয়ায় ডিজেলে বাড়ছে পাম অয়েলের ব্যবহার, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন পদক্ষেপ ইরান চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, লেবাননে যুদ্ধবিরতির দাবিতে জি-৭ নেতারা সিঙ্গাপুরের নেতৃত্বে আসিয়ানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন যুগ, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও তথ্যপ্রবাহে জোর ভারতে  টমেটো-পেঁয়াজ-আলুর দামে আগুন, কৃষকের হাতে নেই ন্যায্য মূল্য পশ্চিমবঙ্গে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে রাজপথে মমতা, হকারদের পক্ষে তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন কোটা থেকে রাহুলের শিক্ষা বার্তা: ‘স্বপ্ন গড়ার বদলে শিক্ষাব্যবস্থা চাপ ও খরচ বাড়াচ্ছে’ টেলিগ্রামে প্রশ্নফাঁস আতঙ্ক, সতর্কবার্তার পরই ভারতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩২)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫
  • 243

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

আজতেকদের মধ্যে লোকাচার-এর গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। তবে এই সঙ্গে একথাও মনে রাখা দরকার অনেকক্ষেত্রে অঞ্চলভেদে লোকাচারেরও বৈচিত্র্য লক্ষ্য করা যায়। উদাহরণ হিসেবে রাজধানী শহর তেনোচতিতলান এর কথা উল্লেখ করা যায়।

সেখানে পুরুষদের প্রধান এবং সর্পিণীদের ধর্মীয় এবং সামাজিক বিষয়ে দুটি দায়িত্ব পালন করতে হত। পুরুষদের প্রধান সাধারণভাবে সার্বিক কাজ দেখা শোনা করত। আর সর্পিণীকে দেওয়া হয়েছিল মন্দির-এর কাজ দেখাশোনা করার দায়িত্ব।

এই সঙ্গে লোকাচার-এর প্রধান ধরণ এবং পুরোহিত-এর কাজের অভ্যন্তরীন কিছু ব্যাপারও এই সঙ্গে দেখতেন এই সপিণী। তবে এর সঙ্গে বিশ্বাস লোকাচার সংক্রান্ত কাজ ঠিকমত চলছে কি না তা দেখার কাজটি করতেন দুজন উঁচু পর্যায়ের পুরোহিত।

এই দুজন পুরোহিতের কাজকে যুদ্ধ দেবতা (War god)-এর সম্মানের জন্য ভাবা হত। এই যুদ্ধদেবতাদের মধ্যে উল্লেখ করতে হয় হুইতলোপোকাল (Huitalopochtli) এবং বৃষ্টির দেবতা তালোক এর নাম (Tlaloc)। এরা শহরাঞ্চলে সাধারণ মানুষের পুজো শ্রদ্ধা পেত।

দৈনন্দিন জীবন বা সমাজ জীবনের সঙ্গে দেবতার নাম বিশ্বাস, পূজো সম্পৃক্ত করে দেওয়ার এক রীতি বা অভ্যাস চালু ছিল আজতেকদের মধ্যে। উদাহরণ হিসেবে কেতজালকোত (Quetzalcoatl)-এর নাম উল্লেখ করা যায়। এই কেতজালকোত হলেন সভ্যতা এবং শিক্ষা-পড়াশোনার দেবতা।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষিণ চীন সাগরে মালয়েশিয়ার নতুন নজরদারি শক্তি, আকাশে যুক্ত হলো ‘অবিরাম চোখ’ আনকা-এস

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩২)

০৭:০০:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

আজতেকদের মধ্যে লোকাচার-এর গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। তবে এই সঙ্গে একথাও মনে রাখা দরকার অনেকক্ষেত্রে অঞ্চলভেদে লোকাচারেরও বৈচিত্র্য লক্ষ্য করা যায়। উদাহরণ হিসেবে রাজধানী শহর তেনোচতিতলান এর কথা উল্লেখ করা যায়।

সেখানে পুরুষদের প্রধান এবং সর্পিণীদের ধর্মীয় এবং সামাজিক বিষয়ে দুটি দায়িত্ব পালন করতে হত। পুরুষদের প্রধান সাধারণভাবে সার্বিক কাজ দেখা শোনা করত। আর সর্পিণীকে দেওয়া হয়েছিল মন্দির-এর কাজ দেখাশোনা করার দায়িত্ব।

এই সঙ্গে লোকাচার-এর প্রধান ধরণ এবং পুরোহিত-এর কাজের অভ্যন্তরীন কিছু ব্যাপারও এই সঙ্গে দেখতেন এই সপিণী। তবে এর সঙ্গে বিশ্বাস লোকাচার সংক্রান্ত কাজ ঠিকমত চলছে কি না তা দেখার কাজটি করতেন দুজন উঁচু পর্যায়ের পুরোহিত।

এই দুজন পুরোহিতের কাজকে যুদ্ধ দেবতা (War god)-এর সম্মানের জন্য ভাবা হত। এই যুদ্ধদেবতাদের মধ্যে উল্লেখ করতে হয় হুইতলোপোকাল (Huitalopochtli) এবং বৃষ্টির দেবতা তালোক এর নাম (Tlaloc)। এরা শহরাঞ্চলে সাধারণ মানুষের পুজো শ্রদ্ধা পেত।

দৈনন্দিন জীবন বা সমাজ জীবনের সঙ্গে দেবতার নাম বিশ্বাস, পূজো সম্পৃক্ত করে দেওয়ার এক রীতি বা অভ্যাস চালু ছিল আজতেকদের মধ্যে। উদাহরণ হিসেবে কেতজালকোত (Quetzalcoatl)-এর নাম উল্লেখ করা যায়। এই কেতজালকোত হলেন সভ্যতা এবং শিক্ষা-পড়াশোনার দেবতা।

(চলবে)