০২:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
নিজের হাতে শেখা থেকে জেনেভার মঞ্চে: চীনা ঘড়িনির্মাতা কিয়ান গুওবিয়াওর নতুন যাত্রা ট্রাম্পের প্রতি ইউরোপের বদলে যাওয়া মনোভাব, ভেঙে পড়ছে পুরোনো নির্ভরতা ইরান যুদ্ধ: সাম্রাজ্য পতনের ইঙ্গিত নয়, বরং পুরোনো নীতির পুনরাবৃত্তি চীনে যাচ্ছে ডিসিসিআই প্রতিনিধিদল, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য জোরদারে নতুন উদ্যোগ গোয়েন্দা কনানের বিস্ময়কর সাফল্য: ছোট্ট গোয়েন্দা থেকে বিশ্বজোড়া বক্স অফিস জাদু বই ‘রেভোলুসি’ ফিরে এল নিজভূমিতে: তরুণ প্রজন্ম, স্মৃতি ও বান্দুংয়ের চেতনা নিয়ে ডেভিড ভ্যান রেইব্রুক মার্কিন অবরোধ, উত্তেজনা ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা: ইরানকে ঘিরে নতুন সংঘাতের বিস্তার সীমা পুনর্নির্ধারণ, জাতিগত গণনা ও সংরক্ষণ বিল ঘিরে বিরোধীদের আপত্তি; ১৫ এপ্রিলের বৈঠকের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রজন্মের পর প্রজন্ম ভোট দিয়েছি, তবু ‘সন্দেহভাজন’ ভোটার কেন? ২৫০ আসনে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে এগুচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪১)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫
  • 276

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

বলগেম প্রথা

ইনকাদের মত আজতেক সমাজেও ‘বলগেম’ এর প্রথা দেখা যায়। বল গেমকে আজতেকরা নিজেদের ভাষায় বলে লাচলি (Tlachtli)। এই খেলা হয় একটা ছোট মাঠের মত জমিতে। আই-এর মত আকার এই মাঠের মধ্যে সমান্তরালভাবে কিছুটা বেড়ার মত ঘেরা হয়। এরপর কাঠ বা পাথরের একটা রিং তৈরি করা হয়।

এই রিংটি উপর নীচে খাড়া করে তৈরি করা হয়। এর সঙ্গে থাকে সমান্তরাল লাইনে বাস্কেটবল-এর আঁকশি। এই সাজানো অবস্থায় খেলোয়াড়রা এই রিং-এর মধ্য দিয়ে একটি শক্ত রাবার বল ছোড়ে এবং তা ফাঁকের মধ্যে দিয়ে বের করে দেবার চেষ্টা করে। খেলোয়াড়রা পা কনুই কোমর দিকে এই বল বার করার চেষ্টা করে।

লোকক্রীড়ার অন্য একটি প্রথা আজতেকদের মধ্যে প্রচলিত ছিল। খেলাটির মধ্য দিয়ে বেশ আনন্দ-আরাম উপভোগ করা যায়। খেলার পদ্ধতিটি এরকম: প্রথমে খুব উঁচু একটি দণ্ড মাটিতে পোঁতা হয়। এই বড় উঁচু দণ্ডটির সঙ্গে একটি মাচার মত বাঁধা হয়।

এবার কিছু লোক দেবতার পোশাক পরে দড়ি দিয়ে ঐ মাচার সঙ্গে নিজেদের শক্ত করে বেঁধে নেয়। এরপর মাচাটিকে উপরের দিকে দোল খাওয়ায়। এর পদ্ধতি হল নিজেদের শরীরকে উপরের দিকে ছড়িয়ে দেওয়া।

এর ফলে মাচাটাও দোল খায়। এর থেকে এক ধরনের বিশেষ শারীরিক ও মানসিক আনন্দ অনুভূতি পায় আজতেক সমাজের সাধারণ মানুষ।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪০)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪০)

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজের হাতে শেখা থেকে জেনেভার মঞ্চে: চীনা ঘড়িনির্মাতা কিয়ান গুওবিয়াওর নতুন যাত্রা

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪১)

০৭:০০:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

বলগেম প্রথা

ইনকাদের মত আজতেক সমাজেও ‘বলগেম’ এর প্রথা দেখা যায়। বল গেমকে আজতেকরা নিজেদের ভাষায় বলে লাচলি (Tlachtli)। এই খেলা হয় একটা ছোট মাঠের মত জমিতে। আই-এর মত আকার এই মাঠের মধ্যে সমান্তরালভাবে কিছুটা বেড়ার মত ঘেরা হয়। এরপর কাঠ বা পাথরের একটা রিং তৈরি করা হয়।

এই রিংটি উপর নীচে খাড়া করে তৈরি করা হয়। এর সঙ্গে থাকে সমান্তরাল লাইনে বাস্কেটবল-এর আঁকশি। এই সাজানো অবস্থায় খেলোয়াড়রা এই রিং-এর মধ্য দিয়ে একটি শক্ত রাবার বল ছোড়ে এবং তা ফাঁকের মধ্যে দিয়ে বের করে দেবার চেষ্টা করে। খেলোয়াড়রা পা কনুই কোমর দিকে এই বল বার করার চেষ্টা করে।

লোকক্রীড়ার অন্য একটি প্রথা আজতেকদের মধ্যে প্রচলিত ছিল। খেলাটির মধ্য দিয়ে বেশ আনন্দ-আরাম উপভোগ করা যায়। খেলার পদ্ধতিটি এরকম: প্রথমে খুব উঁচু একটি দণ্ড মাটিতে পোঁতা হয়। এই বড় উঁচু দণ্ডটির সঙ্গে একটি মাচার মত বাঁধা হয়।

এবার কিছু লোক দেবতার পোশাক পরে দড়ি দিয়ে ঐ মাচার সঙ্গে নিজেদের শক্ত করে বেঁধে নেয়। এরপর মাচাটিকে উপরের দিকে দোল খাওয়ায়। এর পদ্ধতি হল নিজেদের শরীরকে উপরের দিকে ছড়িয়ে দেওয়া।

এর ফলে মাচাটাও দোল খায়। এর থেকে এক ধরনের বিশেষ শারীরিক ও মানসিক আনন্দ অনুভূতি পায় আজতেক সমাজের সাধারণ মানুষ।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪০)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪০)