০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী জাবিতে মাদককাণ্ড: দুই ছাত্রীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার, একজনের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ চীনের ইভি যুদ্ধে নতুন অস্ত্র: নিজস্ব স্মার্ট-ড্রাইভিং চিপে ঝুঁকছে গাড়ি নির্মাতারা নরেন্দ্র মোদি ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৬ মাস পর মুখোমুখি, জি৭ সম্মেলনে পাশাপাশি আসন জি৭ সম্মেলনে রাশিয়ার ওপর আরও চাপের সিদ্ধান্ত, ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে নতুন বার্তা উপজেলায় এমপিদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’, প্রতিটি উপজেলায় বরাদ্দ ৬ লাখ টাকা চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক মুহাররমের চাঁদ দেখা যায়নি, পাকিস্তানে ২৬ জুন পালিত হবে আশুরা রয়টার্স এর প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে ‘জিজ্ঞাসাবাদ’ করার প্রতিবাদ জানিয়েছে লালমনিরহাটে শিশু হত্যাকাণ্ড ঘিরে সংঘর্ষ: এসপি-ওসিসহ আহত ২০, আটক প্রধান সন্দেহভাজন

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪১)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫
  • 305

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

বলগেম প্রথা

ইনকাদের মত আজতেক সমাজেও ‘বলগেম’ এর প্রথা দেখা যায়। বল গেমকে আজতেকরা নিজেদের ভাষায় বলে লাচলি (Tlachtli)। এই খেলা হয় একটা ছোট মাঠের মত জমিতে। আই-এর মত আকার এই মাঠের মধ্যে সমান্তরালভাবে কিছুটা বেড়ার মত ঘেরা হয়। এরপর কাঠ বা পাথরের একটা রিং তৈরি করা হয়।

এই রিংটি উপর নীচে খাড়া করে তৈরি করা হয়। এর সঙ্গে থাকে সমান্তরাল লাইনে বাস্কেটবল-এর আঁকশি। এই সাজানো অবস্থায় খেলোয়াড়রা এই রিং-এর মধ্য দিয়ে একটি শক্ত রাবার বল ছোড়ে এবং তা ফাঁকের মধ্যে দিয়ে বের করে দেবার চেষ্টা করে। খেলোয়াড়রা পা কনুই কোমর দিকে এই বল বার করার চেষ্টা করে।

লোকক্রীড়ার অন্য একটি প্রথা আজতেকদের মধ্যে প্রচলিত ছিল। খেলাটির মধ্য দিয়ে বেশ আনন্দ-আরাম উপভোগ করা যায়। খেলার পদ্ধতিটি এরকম: প্রথমে খুব উঁচু একটি দণ্ড মাটিতে পোঁতা হয়। এই বড় উঁচু দণ্ডটির সঙ্গে একটি মাচার মত বাঁধা হয়।

এবার কিছু লোক দেবতার পোশাক পরে দড়ি দিয়ে ঐ মাচার সঙ্গে নিজেদের শক্ত করে বেঁধে নেয়। এরপর মাচাটিকে উপরের দিকে দোল খাওয়ায়। এর পদ্ধতি হল নিজেদের শরীরকে উপরের দিকে ছড়িয়ে দেওয়া।

এর ফলে মাচাটাও দোল খায়। এর থেকে এক ধরনের বিশেষ শারীরিক ও মানসিক আনন্দ অনুভূতি পায় আজতেক সমাজের সাধারণ মানুষ।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪০)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪০)

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪১)

০৭:০০:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

বলগেম প্রথা

ইনকাদের মত আজতেক সমাজেও ‘বলগেম’ এর প্রথা দেখা যায়। বল গেমকে আজতেকরা নিজেদের ভাষায় বলে লাচলি (Tlachtli)। এই খেলা হয় একটা ছোট মাঠের মত জমিতে। আই-এর মত আকার এই মাঠের মধ্যে সমান্তরালভাবে কিছুটা বেড়ার মত ঘেরা হয়। এরপর কাঠ বা পাথরের একটা রিং তৈরি করা হয়।

এই রিংটি উপর নীচে খাড়া করে তৈরি করা হয়। এর সঙ্গে থাকে সমান্তরাল লাইনে বাস্কেটবল-এর আঁকশি। এই সাজানো অবস্থায় খেলোয়াড়রা এই রিং-এর মধ্য দিয়ে একটি শক্ত রাবার বল ছোড়ে এবং তা ফাঁকের মধ্যে দিয়ে বের করে দেবার চেষ্টা করে। খেলোয়াড়রা পা কনুই কোমর দিকে এই বল বার করার চেষ্টা করে।

লোকক্রীড়ার অন্য একটি প্রথা আজতেকদের মধ্যে প্রচলিত ছিল। খেলাটির মধ্য দিয়ে বেশ আনন্দ-আরাম উপভোগ করা যায়। খেলার পদ্ধতিটি এরকম: প্রথমে খুব উঁচু একটি দণ্ড মাটিতে পোঁতা হয়। এই বড় উঁচু দণ্ডটির সঙ্গে একটি মাচার মত বাঁধা হয়।

এবার কিছু লোক দেবতার পোশাক পরে দড়ি দিয়ে ঐ মাচার সঙ্গে নিজেদের শক্ত করে বেঁধে নেয়। এরপর মাচাটিকে উপরের দিকে দোল খাওয়ায়। এর পদ্ধতি হল নিজেদের শরীরকে উপরের দিকে ছড়িয়ে দেওয়া।

এর ফলে মাচাটাও দোল খায়। এর থেকে এক ধরনের বিশেষ শারীরিক ও মানসিক আনন্দ অনুভূতি পায় আজতেক সমাজের সাধারণ মানুষ।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪০)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪০)