০৬:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬
বৃষ্টি নেই পাঁচ মাস, সুনামগঞ্জের হাওরে সেচ সংকটে বিপাকে বোরো কৃষক  যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল হামলায় ইরানে শতাধিক ও লেবাননে ২০০ জনের বেশি নিহত, মানবিক সংকটের আশঙ্কা এক সপ্তাহে বাহরাইনের আমেরিকান নৌঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ইরানের ৮৬ ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮ ড্রোন হামলা পানামা খালে বন্দর দখল নিয়ে বৈশ্বিক উত্তেজনা, ২০০ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি হংকং প্রতিষ্ঠানের তাইওয়ানের সামরিক ভবিষ্যৎ নিয়ে দ্বন্দ্ব: প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিরক্ষা বিল ঘিরে রাজনৈতিক বিভাজন ইরান যুদ্ধের প্রভাবে কোথাও কোথাও বিমান ভাড়া বেড়েছে ৬০০ গুন বেশি  ক্যানসার গবেষণা থেকে কৃষি প্রযুক্তি—বিজ্ঞান সহযোগিতায় নতুন অধ্যায় শুরু করল চীন ও উরুগুয়ে বোয়াও ফোরামে যোগ দেবেন সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা ছাড়া প্রতিরক্ষা? কানাডা, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার নতুন ভাবনা ট্রাম্পের সাইবার কৌশলে নতুন মোড়: বেসরকারি কোম্পানিকে বড় ভূমিকার আহ্বান

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪১)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫
  • 244

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

বলগেম প্রথা

ইনকাদের মত আজতেক সমাজেও ‘বলগেম’ এর প্রথা দেখা যায়। বল গেমকে আজতেকরা নিজেদের ভাষায় বলে লাচলি (Tlachtli)। এই খেলা হয় একটা ছোট মাঠের মত জমিতে। আই-এর মত আকার এই মাঠের মধ্যে সমান্তরালভাবে কিছুটা বেড়ার মত ঘেরা হয়। এরপর কাঠ বা পাথরের একটা রিং তৈরি করা হয়।

এই রিংটি উপর নীচে খাড়া করে তৈরি করা হয়। এর সঙ্গে থাকে সমান্তরাল লাইনে বাস্কেটবল-এর আঁকশি। এই সাজানো অবস্থায় খেলোয়াড়রা এই রিং-এর মধ্য দিয়ে একটি শক্ত রাবার বল ছোড়ে এবং তা ফাঁকের মধ্যে দিয়ে বের করে দেবার চেষ্টা করে। খেলোয়াড়রা পা কনুই কোমর দিকে এই বল বার করার চেষ্টা করে।

লোকক্রীড়ার অন্য একটি প্রথা আজতেকদের মধ্যে প্রচলিত ছিল। খেলাটির মধ্য দিয়ে বেশ আনন্দ-আরাম উপভোগ করা যায়। খেলার পদ্ধতিটি এরকম: প্রথমে খুব উঁচু একটি দণ্ড মাটিতে পোঁতা হয়। এই বড় উঁচু দণ্ডটির সঙ্গে একটি মাচার মত বাঁধা হয়।

এবার কিছু লোক দেবতার পোশাক পরে দড়ি দিয়ে ঐ মাচার সঙ্গে নিজেদের শক্ত করে বেঁধে নেয়। এরপর মাচাটিকে উপরের দিকে দোল খাওয়ায়। এর পদ্ধতি হল নিজেদের শরীরকে উপরের দিকে ছড়িয়ে দেওয়া।

এর ফলে মাচাটাও দোল খায়। এর থেকে এক ধরনের বিশেষ শারীরিক ও মানসিক আনন্দ অনুভূতি পায় আজতেক সমাজের সাধারণ মানুষ।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪০)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪০)

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃষ্টি নেই পাঁচ মাস, সুনামগঞ্জের হাওরে সেচ সংকটে বিপাকে বোরো কৃষক

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪১)

০৭:০০:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

বলগেম প্রথা

ইনকাদের মত আজতেক সমাজেও ‘বলগেম’ এর প্রথা দেখা যায়। বল গেমকে আজতেকরা নিজেদের ভাষায় বলে লাচলি (Tlachtli)। এই খেলা হয় একটা ছোট মাঠের মত জমিতে। আই-এর মত আকার এই মাঠের মধ্যে সমান্তরালভাবে কিছুটা বেড়ার মত ঘেরা হয়। এরপর কাঠ বা পাথরের একটা রিং তৈরি করা হয়।

এই রিংটি উপর নীচে খাড়া করে তৈরি করা হয়। এর সঙ্গে থাকে সমান্তরাল লাইনে বাস্কেটবল-এর আঁকশি। এই সাজানো অবস্থায় খেলোয়াড়রা এই রিং-এর মধ্য দিয়ে একটি শক্ত রাবার বল ছোড়ে এবং তা ফাঁকের মধ্যে দিয়ে বের করে দেবার চেষ্টা করে। খেলোয়াড়রা পা কনুই কোমর দিকে এই বল বার করার চেষ্টা করে।

লোকক্রীড়ার অন্য একটি প্রথা আজতেকদের মধ্যে প্রচলিত ছিল। খেলাটির মধ্য দিয়ে বেশ আনন্দ-আরাম উপভোগ করা যায়। খেলার পদ্ধতিটি এরকম: প্রথমে খুব উঁচু একটি দণ্ড মাটিতে পোঁতা হয়। এই বড় উঁচু দণ্ডটির সঙ্গে একটি মাচার মত বাঁধা হয়।

এবার কিছু লোক দেবতার পোশাক পরে দড়ি দিয়ে ঐ মাচার সঙ্গে নিজেদের শক্ত করে বেঁধে নেয়। এরপর মাচাটিকে উপরের দিকে দোল খাওয়ায়। এর পদ্ধতি হল নিজেদের শরীরকে উপরের দিকে ছড়িয়ে দেওয়া।

এর ফলে মাচাটাও দোল খায়। এর থেকে এক ধরনের বিশেষ শারীরিক ও মানসিক আনন্দ অনুভূতি পায় আজতেক সমাজের সাধারণ মানুষ।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪০)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪০)