০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি রাশিয়ায় মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান, মস্কোয় গোপন বৈঠক ঘিরে জল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার, তীব্র হচ্ছে বাণিজ্যযুদ্ধ বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, উত্তর আমেরিকায় নতুন কারখানা নিয়ে হোন্ডার সতর্কবার্তা দেশীয় সংগীতের রানী ডলি পার্টন আর নেই, ৮০ বছর বয়সে শেষ হলো কিংবদন্তির পথচলা ডলি পার্টন: কিংবদন্তি গায়িকার সাত দশকের বর্ণিল জীবন ইসলামাবাদে হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে আগুন, ১৪ শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় পারিবারিক বিরোধে বড় ভাইয়ের মারধরে প্রাণ গেল ভাইয়ের বৃহস্পতিবার বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন পাঁচ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮১)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫
  • 252

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

কান্যকুব্জ নগর সম্বন্ধে হিউএনচাঙ বলেন, ‘নগর লম্বায় ২০ লি, চওড়ায় ৪।৫ লি। নগরের চতুর্দিকে একটা শুখনো পরিখা আছে। স্থানে স্থানে সুদৃঢ় ও উচ্চ স্তম্ভ। সর্বত্র আয়নার মত উজ্জ্বল স্বচ্ছ পুষ্করিণী, ফুলের বাগান, উপবন।

এখানে পণ্যদ্রব্য প্রচুর। অধিবাসীরা ধনী ও সুখী। দেশটা শস্য ও ফুলফলে পূর্ণ। আবহাওয়া আরামজনক। লোকগুলি সাধু, সরল, আকৃতি মহত্ত্ব ও দাক্ষিণ্য ব্যঞ্জক। পরিচ্ছদ উজ্জ্বল ও মহার্ঘ। এরা খুব বিদ্যাচর্চা করে।

এদের ভাষার সংস্কৃতি প্রসিদ্ধ। ২২ বৌদ্ধ ও বিধর্মীদের সংখ্যা প্রায় সমান। মহাযান ও হীনযান দুই সম্প্রদায় মিলিয়ে দশ হাজার ভিক্ষু আছেন আর এক শত সঙ্ঘারাম আছে। দেবমন্দিরও দুই শত আর দেবভক্ত হাজার হাজার।

‘বর্তমান রাজা বৈশ্য জাতীয়। তাঁর নাম হর্ষবর্ধন। রাজকর্মচারীদের এক সভা দেশ শাসন করে। রাজার বাবার নাম ছিল প্রভাকরবর্ধন। বড় ভাইয়ের নাম রাজ্যবর্ধন। রাজ্যবর্ধন সাধুভাবে রাজ্য শাসন করতেন।

এই সময়ে কর্ণসুবর্ণের রাজা শশাঙ্ক প্রায়ই তাঁর মন্ত্রীদের বলতেন, যে রাজ্যের সীমান্তে ধার্মিক রাজা থাকে, সে রাজ্য অসুখী। তখন তারা (মন্ত্রীরা) রাজ্যবর্ধনকে এক সভায় আহ্বান করে হত্যা করল।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮১)

০৯:০০:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

কান্যকুব্জ নগর সম্বন্ধে হিউএনচাঙ বলেন, ‘নগর লম্বায় ২০ লি, চওড়ায় ৪।৫ লি। নগরের চতুর্দিকে একটা শুখনো পরিখা আছে। স্থানে স্থানে সুদৃঢ় ও উচ্চ স্তম্ভ। সর্বত্র আয়নার মত উজ্জ্বল স্বচ্ছ পুষ্করিণী, ফুলের বাগান, উপবন।

এখানে পণ্যদ্রব্য প্রচুর। অধিবাসীরা ধনী ও সুখী। দেশটা শস্য ও ফুলফলে পূর্ণ। আবহাওয়া আরামজনক। লোকগুলি সাধু, সরল, আকৃতি মহত্ত্ব ও দাক্ষিণ্য ব্যঞ্জক। পরিচ্ছদ উজ্জ্বল ও মহার্ঘ। এরা খুব বিদ্যাচর্চা করে।

এদের ভাষার সংস্কৃতি প্রসিদ্ধ। ২২ বৌদ্ধ ও বিধর্মীদের সংখ্যা প্রায় সমান। মহাযান ও হীনযান দুই সম্প্রদায় মিলিয়ে দশ হাজার ভিক্ষু আছেন আর এক শত সঙ্ঘারাম আছে। দেবমন্দিরও দুই শত আর দেবভক্ত হাজার হাজার।

‘বর্তমান রাজা বৈশ্য জাতীয়। তাঁর নাম হর্ষবর্ধন। রাজকর্মচারীদের এক সভা দেশ শাসন করে। রাজার বাবার নাম ছিল প্রভাকরবর্ধন। বড় ভাইয়ের নাম রাজ্যবর্ধন। রাজ্যবর্ধন সাধুভাবে রাজ্য শাসন করতেন।

এই সময়ে কর্ণসুবর্ণের রাজা শশাঙ্ক প্রায়ই তাঁর মন্ত্রীদের বলতেন, যে রাজ্যের সীমান্তে ধার্মিক রাজা থাকে, সে রাজ্য অসুখী। তখন তারা (মন্ত্রীরা) রাজ্যবর্ধনকে এক সভায় আহ্বান করে হত্যা করল।

(চলবে)