প্রদীপ কুমার মজুমদার
সাধারণ গুণন
ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে গুণের প্রচলন বহু আগে থেকেই দেখতে পাওয়া যায়। বিশেষ করে বাৎশালীর পান্ডুলিপি, ব্রাহ্মস্ফুট সিদ্ধান্ত, ত্রিশতিকা, সিদ্ধান্তশেখর ও লীলাবতীতে ব্যাপকভাবে গুণের সংজ্ঞা ও তৎসংক্রান্ত উদাহরণ দেখতে পাওয়া যায়। অত্যন্ত সহজ ও সরল বলেই হয়তো আর্যভটীয়তে এ সম্পর্কে আলোচনা করা হয় নাই।
ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে গুণের পরিবর্তে হনন, বধ, ক্ষয় প্রভৃতি নানা প্রকার পারিভাষিক শব্দ ব্যবহার করা হইয়াছে। ৮০০ খ্রীষ্টপূর্বে রচিত শুবস্থএগুলিতে “অভ্যাস” শব্দটি ব্যবহার করা হোত। অবক্ষ এটি অনেক সময় যোগের পরিবর্তে আবার অনেক সময় গুণের পরিবর্তে ব্যবহার করা হোত।
যতদূর মনে হয় পুনঃ পুনঃ যোগ করার ফলেই গুণের উৎপত্তি, হয়তো সেইজন্তেই এটির ব্যবহার হয়ে থাকবে। বাখ শালীর পাণ্ডুলিপিতে গুণের পরিবর্তে “পরস্পরকৃতক” শব্দটি ব্যবহার করা হোত।
যাকে গুণ করা হয় তাকে গুণ্য এবং যার দ্বারা গুণ করা হবে তাকে গুণক বা গুণকার এবং গুণফলকে প্রত্যুৎপন্ন বলা হয়।
(চলবে)
প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬৭)
Sarakhon Report 



















