০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী জাবিতে মাদককাণ্ড: দুই ছাত্রীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার, একজনের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ চীনের ইভি যুদ্ধে নতুন অস্ত্র: নিজস্ব স্মার্ট-ড্রাইভিং চিপে ঝুঁকছে গাড়ি নির্মাতারা নরেন্দ্র মোদি ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৬ মাস পর মুখোমুখি, জি৭ সম্মেলনে পাশাপাশি আসন জি৭ সম্মেলনে রাশিয়ার ওপর আরও চাপের সিদ্ধান্ত, ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে নতুন বার্তা উপজেলায় এমপিদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’, প্রতিটি উপজেলায় বরাদ্দ ৬ লাখ টাকা চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক মুহাররমের চাঁদ দেখা যায়নি, পাকিস্তানে ২৬ জুন পালিত হবে আশুরা রয়টার্স এর প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে ‘জিজ্ঞাসাবাদ’ করার প্রতিবাদ জানিয়েছে লালমনিরহাটে শিশু হত্যাকাণ্ড ঘিরে সংঘর্ষ: এসপি-ওসিসহ আহত ২০, আটক প্রধান সন্দেহভাজন

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯৩)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫
  • 242

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

পূণ্যভূমি

কৌশান্বী দেখবার পর হিউএনচাঙ গঙ্গাতীর ছেড়ে উত্তর অযোধ্যায় আর নেপালের দিকে বুদ্ধের জন্মভূমি দেখতে গেলেন। এই প্রদেশ বুদ্ধের জীবিতকালের নানা ঘটনার স্মৃতিতে পূর্ণ ছিল।

প্রথমে গেলেন অচিরবর্তী (আধুনিক রাপ্তী) নদীর তীরে শ্রাবস্তী-পুরে (আধুনিক সাহেত মাহেত), যেখানে বুদ্ধের সময়ে কোশলরাজ প্রসেনজিতের রাজধানী ছিল।
এক হাজার বছর পরে এর প্রায় সমস্তই ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, তবু কিছু কিছু ধ্বংসাবশেষ আর লোকালয় তখনো ছিল।

কয়েক শত জীর্ণ সঙ্ঘারাম আর জনকয়েক ভিক্ষু ছিলেন। এক শত দেবালয় আর বহু ‘বিধর্মী’ও ছিল। প্রসেনজিতের প্রাসাদ, তাঁর নির্মিত ‘সদ্ধর্মমহাশালা’ আর যিনি বুদ্ধের মাতৃঘসা, বিমাতা আর ধাত্রী ছিলেন, সেই প্রজাপতি ভিক্ষুণীর জন্যে প্রসেনজিত যে বিহার নির্মাণ করে দিয়েছিলেন, এসবের ধ্বংসাবশেষের উপর স্তূপ ছিল। ভক্ত শ্রেষ্ঠী সুদত্তর প্রাসাদের ভগ্নাব-শেষের উপরেও একটি স্তূপ ছিল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯২)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯২)

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯৩)

০৯:০০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

পূণ্যভূমি

কৌশান্বী দেখবার পর হিউএনচাঙ গঙ্গাতীর ছেড়ে উত্তর অযোধ্যায় আর নেপালের দিকে বুদ্ধের জন্মভূমি দেখতে গেলেন। এই প্রদেশ বুদ্ধের জীবিতকালের নানা ঘটনার স্মৃতিতে পূর্ণ ছিল।

প্রথমে গেলেন অচিরবর্তী (আধুনিক রাপ্তী) নদীর তীরে শ্রাবস্তী-পুরে (আধুনিক সাহেত মাহেত), যেখানে বুদ্ধের সময়ে কোশলরাজ প্রসেনজিতের রাজধানী ছিল।
এক হাজার বছর পরে এর প্রায় সমস্তই ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, তবু কিছু কিছু ধ্বংসাবশেষ আর লোকালয় তখনো ছিল।

কয়েক শত জীর্ণ সঙ্ঘারাম আর জনকয়েক ভিক্ষু ছিলেন। এক শত দেবালয় আর বহু ‘বিধর্মী’ও ছিল। প্রসেনজিতের প্রাসাদ, তাঁর নির্মিত ‘সদ্ধর্মমহাশালা’ আর যিনি বুদ্ধের মাতৃঘসা, বিমাতা আর ধাত্রী ছিলেন, সেই প্রজাপতি ভিক্ষুণীর জন্যে প্রসেনজিত যে বিহার নির্মাণ করে দিয়েছিলেন, এসবের ধ্বংসাবশেষের উপর স্তূপ ছিল। ভক্ত শ্রেষ্ঠী সুদত্তর প্রাসাদের ভগ্নাব-শেষের উপরেও একটি স্তূপ ছিল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯২)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯২)