০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি রাশিয়ায় মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান, মস্কোয় গোপন বৈঠক ঘিরে জল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার, তীব্র হচ্ছে বাণিজ্যযুদ্ধ বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, উত্তর আমেরিকায় নতুন কারখানা নিয়ে হোন্ডার সতর্কবার্তা দেশীয় সংগীতের রানী ডলি পার্টন আর নেই, ৮০ বছর বয়সে শেষ হলো কিংবদন্তির পথচলা ডলি পার্টন: কিংবদন্তি গায়িকার সাত দশকের বর্ণিল জীবন ইসলামাবাদে হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে আগুন, ১৪ শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় পারিবারিক বিরোধে বড় ভাইয়ের মারধরে প্রাণ গেল ভাইয়ের বৃহস্পতিবার বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন পাঁচ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯৩)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫
  • 284

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

পূণ্যভূমি

কৌশান্বী দেখবার পর হিউএনচাঙ গঙ্গাতীর ছেড়ে উত্তর অযোধ্যায় আর নেপালের দিকে বুদ্ধের জন্মভূমি দেখতে গেলেন। এই প্রদেশ বুদ্ধের জীবিতকালের নানা ঘটনার স্মৃতিতে পূর্ণ ছিল।

প্রথমে গেলেন অচিরবর্তী (আধুনিক রাপ্তী) নদীর তীরে শ্রাবস্তী-পুরে (আধুনিক সাহেত মাহেত), যেখানে বুদ্ধের সময়ে কোশলরাজ প্রসেনজিতের রাজধানী ছিল।
এক হাজার বছর পরে এর প্রায় সমস্তই ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, তবু কিছু কিছু ধ্বংসাবশেষ আর লোকালয় তখনো ছিল।

কয়েক শত জীর্ণ সঙ্ঘারাম আর জনকয়েক ভিক্ষু ছিলেন। এক শত দেবালয় আর বহু ‘বিধর্মী’ও ছিল। প্রসেনজিতের প্রাসাদ, তাঁর নির্মিত ‘সদ্ধর্মমহাশালা’ আর যিনি বুদ্ধের মাতৃঘসা, বিমাতা আর ধাত্রী ছিলেন, সেই প্রজাপতি ভিক্ষুণীর জন্যে প্রসেনজিত যে বিহার নির্মাণ করে দিয়েছিলেন, এসবের ধ্বংসাবশেষের উপর স্তূপ ছিল। ভক্ত শ্রেষ্ঠী সুদত্তর প্রাসাদের ভগ্নাব-শেষের উপরেও একটি স্তূপ ছিল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯২)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯২)

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯৩)

০৯:০০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

পূণ্যভূমি

কৌশান্বী দেখবার পর হিউএনচাঙ গঙ্গাতীর ছেড়ে উত্তর অযোধ্যায় আর নেপালের দিকে বুদ্ধের জন্মভূমি দেখতে গেলেন। এই প্রদেশ বুদ্ধের জীবিতকালের নানা ঘটনার স্মৃতিতে পূর্ণ ছিল।

প্রথমে গেলেন অচিরবর্তী (আধুনিক রাপ্তী) নদীর তীরে শ্রাবস্তী-পুরে (আধুনিক সাহেত মাহেত), যেখানে বুদ্ধের সময়ে কোশলরাজ প্রসেনজিতের রাজধানী ছিল।
এক হাজার বছর পরে এর প্রায় সমস্তই ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, তবু কিছু কিছু ধ্বংসাবশেষ আর লোকালয় তখনো ছিল।

কয়েক শত জীর্ণ সঙ্ঘারাম আর জনকয়েক ভিক্ষু ছিলেন। এক শত দেবালয় আর বহু ‘বিধর্মী’ও ছিল। প্রসেনজিতের প্রাসাদ, তাঁর নির্মিত ‘সদ্ধর্মমহাশালা’ আর যিনি বুদ্ধের মাতৃঘসা, বিমাতা আর ধাত্রী ছিলেন, সেই প্রজাপতি ভিক্ষুণীর জন্যে প্রসেনজিত যে বিহার নির্মাণ করে দিয়েছিলেন, এসবের ধ্বংসাবশেষের উপর স্তূপ ছিল। ভক্ত শ্রেষ্ঠী সুদত্তর প্রাসাদের ভগ্নাব-শেষের উপরেও একটি স্তূপ ছিল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯২)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯২)