০৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশে ঈদ ছুটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ১২ দিনে ৩১২ জনের মৃত্যু

ঈদুল আজহার ছুটিতে সড়ক দুর্ঘটনার ভয়াবহতা আবারও সামনে এসেছে। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের (আরএসএফ) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ৩১২ জন নিহত এবং ১,০৫৭ জন আহত হয়েছেন। গত বছরের তুলনায় এই সময়ের মৃত্যুর হার প্রায় ২৯ শতাংশ বেড়েছে, গড়ে প্রতিদিন মারা গেছেন ২৬ জন।

মোটরসাইকেল ও বাস সবচেয়ে বেশি জড়িত

প্রতিবেদনে বলা হয়, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে—৩১২ জনের মধ্যে ১০৭ জনই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। বাস, পিকআপ, ব্যাটারিচালিত যানবাহনও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল। জাতীয় মহাসড়কে ৪০ শতাংশের কাছাকাছি দুর্ঘটনা ঘটেছে।

নারী ও শিশুও নিহতদের মধ্যে

নিহতদের মধ্যে ৪৭ জন নারী ও ৬৩ জন শিশু। এছাড়া, ৪৪ জন পথচারী এবং ৫১ জন চালক ও সহকারীও প্রাণ হারিয়েছেন। রেল ও নৌপথেও দুর্ঘটনা ঘটেছে—নৌপথে ১০ জন ও রেলপথে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু

ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৩৫ শতাংশ মৃত্যু হয়েছে। একক জেলা হিসেবে ফরিদপুরে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সিলেট বিভাগে দুর্ঘটনা ও মৃত্যু সবচেয়ে কম।

সড়ক নিরাপত্তায় জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান

আরএসএফ জানিয়েছে, ঈদসহ বিশেষ সময়ে সড়কে মৃত্যুর মিছিল রোধে কঠোর আইন প্রয়োগ, জনসচেতনতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশে ঈদ ছুটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ১২ দিনে ৩১২ জনের মৃত্যু

০৮:৩০:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

ঈদুল আজহার ছুটিতে সড়ক দুর্ঘটনার ভয়াবহতা আবারও সামনে এসেছে। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের (আরএসএফ) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ৩১২ জন নিহত এবং ১,০৫৭ জন আহত হয়েছেন। গত বছরের তুলনায় এই সময়ের মৃত্যুর হার প্রায় ২৯ শতাংশ বেড়েছে, গড়ে প্রতিদিন মারা গেছেন ২৬ জন।

মোটরসাইকেল ও বাস সবচেয়ে বেশি জড়িত

প্রতিবেদনে বলা হয়, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে—৩১২ জনের মধ্যে ১০৭ জনই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। বাস, পিকআপ, ব্যাটারিচালিত যানবাহনও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল। জাতীয় মহাসড়কে ৪০ শতাংশের কাছাকাছি দুর্ঘটনা ঘটেছে।

নারী ও শিশুও নিহতদের মধ্যে

নিহতদের মধ্যে ৪৭ জন নারী ও ৬৩ জন শিশু। এছাড়া, ৪৪ জন পথচারী এবং ৫১ জন চালক ও সহকারীও প্রাণ হারিয়েছেন। রেল ও নৌপথেও দুর্ঘটনা ঘটেছে—নৌপথে ১০ জন ও রেলপথে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু

ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৩৫ শতাংশ মৃত্যু হয়েছে। একক জেলা হিসেবে ফরিদপুরে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সিলেট বিভাগে দুর্ঘটনা ও মৃত্যু সবচেয়ে কম।

সড়ক নিরাপত্তায় জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান

আরএসএফ জানিয়েছে, ঈদসহ বিশেষ সময়ে সড়কে মৃত্যুর মিছিল রোধে কঠোর আইন প্রয়োগ, জনসচেতনতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন।